, ,

অসৎ,দূর্নীতিবাজ ও ভুয়া ডাক্তার মোঃ আব্দুস সালাম খানের অবৈধ চিকিৎসা কার্য্যক্রমে প্রতারণার শিকার খুলনার পাইকগাছার জনগণ

নিউজটি শেয়ার করুন

অসৎ,দূর্নীতিবাজ ও ভুয়া ডাক্তার মোঃ আব্দুস সালাম খানের অবৈধ চিকিৎসা কার্য্যক্রমে প্রতারণার শিকার খুলনার পাইকগাছার জনগণ

ভুক্তভোগী খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ভুক্তভোগীরা থেকে জানান যে, খুলনা সদর থানা অন্তর্গত ৩০ নং ওয়ার্ড এর আওতাভুক্ত টুটপাড়া মেইন রোড, মাস্টারপাড়া লেনের হোল্ডিং নং- ১৯/১ এর বাড়িতে মোঃ আব্দুস সালাম খান, পিতা- মৃত রওশন আলী খান, মাতা- মৃত দৌলতুন্নছা, বসবাস করছেন। তিনি একজন ইউনানি পাস হেকিম মাত্র , কিন্তু উক্ত মোঃ আব্দুস সালাম খান নিজেকে একজন এমবিবিএস (MBBS) ডাক্তার, ডক্টর অব মেডিসিন (ভারত) ও বিভিন্ন ডাক্তারী ডিগ্রীধারী পরিচয় ( যার প্রেসক্রিপশন প্যাড অত্রসাথ সংযুক্ত আছে) দিয়ে অবৈধভাবে লোকচক্ষুর আড়ালে পাইলস্ রোগের চিকিৎসা সহ অন্যান্য চিকিৎসা, অপারেশন/সার্জারীর মতো স্পর্শকাতর গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা দিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। যেটা তার এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না, কিন্তু তিনি সদম্ভে এই চিকিৎসার মতো কাজ করে চলেছেন।
তিনি সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় চেম্বার খুলে এবং দেশের বিভিন্ন বৈধ /অবৈধ ক্লিনিক -এ একধরণের অর্থলোভী ক্লিনিক মালিকদের সহায়তায় ভুঁইফোড়া ক্লিনিকে স্থান গেড়ে চিকিৎসা চালিয়ে আসছেন। এবং বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গরীব ও নিরিহ পাইলস্, অশ্ব, গেজ এ আক্রান্ত রোগীদের সাথে ৩০/৪০ হাজার টাকা বা তারও বেশী টাকা সুযোগ বুঝে কন্টাক্ট নিয়ে পাইলস্ রোগের চিকিৎসা, অপারেশন/সার্জারীও করে থাকেন,যেটা তার নৈতিকতার আওতায় পড়ে না,এবং কোন সচেতন নাগরিক এটা ভ্রুক্ষেপও করেন না। মোঃ আব্দুস সালাম খান অতিশয় ধুরন্ধর ব্যক্তি সেটা একজন ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভুক্তভোগী জানান- তার চিকিৎসা নেওয়ার পরও ভালো না হওয়ায়, তাকে অভিযোগ জানালে, আব্দুস সালাম খান তার কতিপয় অজ্ঞাতনামা ভাড়াটে গুণ্ডা লেলিয়ে আমাকে এবং আমার সাথের লোকদের চরমভাবে হেনস্তা করেছেন এবং বিভিন্ন হুমকি দিয়েছেন এবং সদম্ভে বলেছেন যে, পারলে যাহা পারিস করে নিস। তিনি অতিশয় দূর্ণিতিপরায়ন লোক। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তিনি সন্ত্রাসী/ মাস্তান দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের সাথে এরূপ ব্যবহার করে থাকেন। তার ভাষ্য তিনি কাহাকেও ভয় ও পরোয়া করেন না। মোঃ আব্দুস সালাম খান যেথায় বসবাস করেন, সেখানকার এলাকাবাসী সন্মানিত এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ব লজ্জা ও সম্মানহানি হতে পারে বলে এপর্যন্ত তাকে বাঁধা দেননি।
মোঃ আব্দুস সালাম খান নামের পূর্বে ডাঃ পদবী ও বিভিন্ন ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা চালিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। বর্তমানে যেহেতু, সরকার কর্তৃক একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন, যেসকল ব্যক্তি এমবিবিএস (MBBS) পাস নয়, তারা নামের আগে ডাক্তার লিখতে পারবেন না, এদিকে মোঃ আব্দুস সালাম খান ঐ বিষয় থোড়াই কেয়ার মনে করে গোপনে ডাক্তারি /চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি একজন প্রফেসর ডাক্তার জনাব ডাঃ মোঃ সহিদুর রহমান, এমবিবিএস এফসিপিএস এফআইসিএস (আমেরিকা) সার্জারী বিভাগ, বি এস এম এম ইউ(পিজি হাসপাতাল,ঢাকা) এর ছত্রছায়ায় এবং বিভিন্ন অসাধু ডাক্তার দের টাকার মাধ্যমে বা ঘুষ উৎকোচ দিয়ে শেল্টার দিয়ে আছেন এবং দাম্ভিকতার সহিত ঘুষের মাধ্যমে এই অনৈতিক কাজ করে দাপটের সাথে রিক্সয়েবল চিকিৎসা করে চলেছেন এবং প্রচুর মুনাফা অর্জন করেছেন ইতোমধ্যে যাহা তার বসবাসকৃত এলাকা থেকে জানা যায়।
তার এলাকায় গোপনে খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে তিনি এলাকার কাহারো দৃষ্টিতে ভালো মানুষ বলে প্রতীয়মান নয়! এবং তিনি এলাকার বাসিন্দাদের মেনে চলেন না তিনি হঠাৎ করে উধাও হয়ে যান,আবার হঠাৎ করে ফিরে আসেন। তিনি সদম্ভে বলে থাকেন, তিনি কাউকে ভয় করেন না। তিনি ইসলামের নামে লেবাস পরে ভণ্ডামি করেন এবং আওয়ামীলীগ সরকারের সময় তিনি গোড়া আওয়ামী লীগার ছিলেন, এখন শেখ হাসিনার পতনের পর মোঃ আব্দুস সালাম খান “জামায়াত ইসলাম” দলে ভিড়ে রং বদলিয়েছে। এলাকার ভুক্তভোগীদের মতে মোঃ আব্দুস সালাম খান এধরনের অবৈতনিক অবৈধ ও দূর্ণিতি পরায়ন কাজ কোথাও করতে না পারেন এবং গরীব ও নিরিহ ভুক্তভোগী রোগী, ও অন্য কোনো নিরীহ মানুষকে ঠকাতে না পারেন, সেজন্য তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা জরুরী । নিউজের প্রমাণ হিসেবে ছবি ও তার ছাপাকৃত ডাক্তারি প্যাড সংগৃহীত আছে।