, ,

কমলনগরে রাতের আঁধারে সড়ক সুরক্ষার বেরিগেট উধাও,

নিউজটি শেয়ার করুন

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ৭ নং হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক সুরক্ষার জন্য দেওয়া লোহার বেরিগেট রাতের আঁধারে কেটে বা খুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে এই প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়কে নতুন করে বেরিগেট বা ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন।
​স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছাগল ব্যাপারীর গোছ থেকে মিয়া পড়া যাওয়া পর্যন্ত এই সড়কটি দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করলে অল্পদিনেই তা ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটিকে রক্ষা করার জন্য সাবেক কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলী নিজ উদ্যোগে ওই পয়েন্টে একটি লোহার বেরিগেট বা প্রতিবন্ধক স্থাপন করেছিলেন। এর ফলে ভারী ও ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচল বন্ধ ছিল এবং সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সুরক্ষিত ছিল।
​কিন্তু সম্প্রতি একদল প্রভাবশালী ব্যক্তি রাতের আঁধারে কোনো নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে ওই বেরিগেটের অধিকাংশ অংশ কেটে বা ভেঙে সরিয়ে ফেলে। বর্তমানে সেখানে শুধু একটিমাত্র খুঁটি কঙ্কালের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে।
​এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাতের আধারে এই সরকারি বা জনকল্যাণমূলক স্থাপনা অপসারণ করার পেছনে ওই এলাকার কোনো স্বার্থান্বেষী বা প্রভাবশালী মহলের হাত রয়েছে। তারা নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থ বা অবৈধ ভারী যানবাহন চলাচলের সুবিধা পাওয়ার জন্য এই কাজটি করেছে। বেরিগেট না থাকায় এখন যেকোনো সময় ভারী যানবাহন চলাচল শুরু হবে এবং গ্রামীণ এই সড়কটি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে।
​ভুক্তভোগী ও সাধারণ এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সড়কটি রক্ষা করার জন্যই প্রকৌশলী সাহেব বেরিগেটটি দিয়েছিলেন। রাতের আঁধারে প্রভাবশালীরা এটি সরিয়ে ফেলায় আমরা চরম দুশ্চিন্তায় আছি। সড়কটি নষ্ট হয়ে গেলে আমাদেরই যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।”
​এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। রাতের আঁধারে সরকারি বা জনকল্যাণমূলক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্তকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং সড়ক সুরক্ষায় পুনরায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।