সাংস্কৃতিক আন্দোলনের কর্মীদের প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের বাধা প্রাক্তন ছাত্র নেতা দীপক শীলকে গ্রেফতার ও পরে বাধ্য হয়ে ছেড়ে দেওয়া এবং এক পর্যায়ে পল্টনে সিপিবি অফিসের সামনে দক্ষিণপন্থী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মব সৃষ্টি ইত্যাদি ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদুল হাসান মানিক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুর আহমদ বকুল।
নেতৃবৃন্দ বলেন সরকার ও বিরোধী রাজনৈতিক দল ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতার অসুখ এবং আতঙ্কে ভুগছেন। যে কোন ভাতকাপড়ের আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা চেতনা রক্ষার আন্দোলন, সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলন দেখলেই ভীতগ্রস্থ হয়ে প্রতিপক্ষের উপর ঝাপিয়ে পড়ছে। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলসমূহের স্বাভাবিক কর্মকান্ড পরিচালনার বাধা সৃষ্টি করছে। তথাকথিত নিষিদ্ধ দলের ট্যাগ দিয়ে গণতান্ত্রিক শক্তির রাজনৈতিক কর্মসূচীর উপর ফ্যাসিবাদী আক্রমন পরিচালনা করা হচ্ছে। এই অপকর্মটি সরকারের মদতেই ঘটছে। ইতিপূর্বে ওয়ার্কার্স পার্টি অফিস দখল ও লুট করা হয়েছে, জাতীয় পার্টির অফিসে আগুন দেওয়া হয়েছে, জাসদ অফিস থেকে মিটিংরত অবস্থায় শত শত কর্মী গ্রেফতার করা হয়েছে, গতকাল সিপিবি অফিসের সামনে সব সৃষ্টি করে ত্রাস করা হয়েছে। এই সকল লক্ষন হচ্ছে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে চরম দক্ষিণপন্থীদের উত্থান ঘটানো। উগ্র মৌলবাদীদের আস্ফলন যুক্ত রয়েছে এর সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় তারা ফতোয়াবাজী করে মব করে গ্রাম বাংলার শিল্প সাহিত্য লোক সংগীত, মাজার, পীরের দরগায় আক্রমণ অব্যহত রেখেছে।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি স্পষ্টতই মনে করে একটি নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনার নীতিতে আইনের শাসনকে প্রাধান্য না দিয়ে মব শাসনের রাস্তায় গেলে সরকারকে অপমৃত্যুর দিকে ঠেলে দিবে। যা দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। অনতিবিলম্বে দেশের আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জোর দাবী জানায়। পাশাপাশি সকল মব সন্ত্রাস বন্ধেরও আহবান জানান। সকল অসাম্প্রদায়িক, বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে ও একটি ন্যায্যতা সমতার রাষ্ট্র নির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।






