, ,

আজ,৭ই অক্টোবর বুধবার দুপুরে রাজধানী জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী আকলিমা বিবি,

নিউজটি শেয়ার করুন

এস বির পুলিশ সদস্য রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে সুদের টাকা আদায়, বিদেশে লোক পাঠানো মামলায় ফাঁসানো ও নির্যাতনের অভিযোগ ,বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বেলভূজা গ্রামের মোছা. আকলিমা বিবি নামে এক নারী, এসবিতে কর্মরত কনস্টেবল রুহুল আমিন
বিপি নং৮৬০৫০৯৮৫৭৯ এরবিরুদ্ধে অতিরিক্ত সুদের টাকা আদায়, বিদেশে লোক পাঠানো, মামলায় ফাঁসানো,
মারধর,নারী নির্যাতন হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগীর দাবি, নেওয়া তিন লাখ টাকার বিপরীতে আসলসহ প্রায় আট লাখ টাকা পরিশোধ করার পরও তার কাছে পুনরায় সুদের টাকা দাবি করা হচ্ছে।

আকলিমা বিবি অভিযোগ করে বলেন, পারিবারিক প্রয়োজনে তিনি কনস্টেবল রুহুল আমিনের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেন। চুক্তি অনুযায়ী সুদসহ ওই অর্থ পরিশোধ করেন তিনি। তার দাবি, সব মিলিয়ে প্রায় আট লাখ টাকা পরিশোধের পরও রুহুল আমিন ও তার পরিবারের সদস্যরা অতিরিক্ত টাকা দাবি করতে থাকেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য, এ ঘটনায় তিনি বগুড়া সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) এবং আদালতে দুটি মামলা করেছেন। মামলা করার পর থেকেই তাকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মামলা প্রত্যাহার না করলে প্রাণনাশ ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আকলিমা বিবির অভিযোগ, রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে মামলা করায় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে, রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে তার আপন ফুফা দবির উদ্দিন মন্ডল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ফুপাতো দুইভাই, রশিদ,মাছুদকে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় দুটি হত্যা মামলা দায়ের করানোরও যখন যে সরকার আসে সেই সরকারের প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলে পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন, অভিযোগ তুলেছেন আকলিমা বিবি। তার দাবি, মামলা দুটির একটি ২০২৫ সালের ৯ মার্চ এবং অপরটি ৬ জুলাই দায়ের করা হয়। মামলাগুলো বর্তমানে তদন্ত সাপেক্ষে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে,

আকলিমা বিবি আরও দাবি করেন, এসব মামলায় তার স্বজনদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং বিভিন্নভাবে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ-সংক্রান্ত একটি তদন্ত প্রতিবেদনও রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই বাছাই করে যানা যায় পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন ও তার স্ত্রী রুনা সহকারী শিক্ষকা,, ভাতিজা তানভীর, তামিম, শশুর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম আকন্দ, সুদের টাকা দেয়া নেওয়ার সাথে জড়িত বলে যানা যায়,

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কনস্টেবল রুহুল আমিন, তার স্ত্রী রুনা,সহকারী শিক্ষিকা চাপাচিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তার ভাতিজা তানভীর, তামিম
আত্মীয়স্বজনসহ কয়েকজন এলাকায় সুদের কারবারের সঙ্গে জড়িত। তার দাবি, বিপদে পড়া মানুষের কাছ থেকে চেক ও স্বর্ণালংকার জামানত রেখে অতিরিক্ত হারে সুদ আদায় করা হয়। তবে এ অভিযোগের পক্ষেও স্বাধীনভাবে অত্র এলাকার সাধারণ মানুষের মুখের কথা ও তথ্য প্রমাণে যাচাই বাছাই করে যানা যায় পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন সুদের টাকা দেয়া নেওয়ার সাথে জড়িত, ও বিদেশে লোক পাঠায়, সরকারি চাকুরীর তদবির কারক,

আকলিমা বিবি আরও অভিযোগ করেন, গত ২০ জুন তার বাড়িতে গিয়ে টেবিলের ওপর থাকা ব্যাংকের চেক নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায়ও তিনি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বলে জানান।

অভিযোগের বিষয়ে কনস্টেবল রুহুল আমিনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তার পক্ষের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
গত ০৪/১০/২০২৬ ইং তারিখে পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন ও পুলিশ সদস্য রুহুল আমিনের স্ত্রী রুনা খাতুন সহকারী শিক্ষক, শ্যালক জেল কারারক্ষী আবু সাঈদ, তিনজন মিলে আকলিমা বিবি কে মারপিট করে দূর্ত কোট চত্তর থেকে চলে যায়,। আকলিমা বিবির চিৎকারে লোকজন ঘটনাস্থলে চলে আসেন,

ভুক্তভোগী আকলিমা বিবির অভিযোগ
বিদেশে লোক পাঠানোর আদমের ব্যবসা, সরকারি চাকরি দেওযার নামে বিভিন্ন প্রান্তিক মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে জালিয়াতির এবং সুদের টাকার সাথে জরিত থাকা এবং আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারী পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন, , তার চাকুরি প্রায় থাকেনা তখন বুড়িগঞ্জ ইউনিয়ন
আওয়ামী সভাপতি কামরুল ইসলামের প্রত্যয়ন যে সে আওয়ামী লীগের সক্রিয় কমী এবং আওয়ামী লীগ এর এমপি তৌহিদ রহমান মানিক এবং শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা,এর সুপারিশে তার চাকুরি বহাল হয় সেখানে উল্লেখ করেন তার পরিবারে সবাই আওয়ামী পন্থী, পুলিশ সদস্য রুহুল আমিনের শশুর নজরুল ইসলাম আকন্দ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ আমলে আওমী লীগ এর প্রভাব এবং পরে খোলস পাল্টিয়ে বিএমপির প্রভাব দেখাচ্ছে কনষ্টবল রুহুল আমিন এর কোন সুস্থ নিরপেক্ষ প্রকাশে বা গোপনে তদন্ত হয় না যা হয় তা পক্ষ পাতিতা মূলক টাকা দিয়ে ধামা চাপা যা এসি শিল্প অঞ্চল জোনের স্মারক তারিখ দেখলে সত্য বেরিয়ে আসবে সত্য নিরপেক্ষ বিচার কি আমি পাবনা আমি সত্য বিচার চাই এই সুদারু পুলিশ সদস্য রুহুল আমিনের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।

এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার সংস্থা ও গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।