, ,

Remove term: চন্দ্রা-য় বন রক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন অভিযুক্তরা ধরাছোঁয়ার বাইরে চন্দ্রা-য় বন রক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন অভিযুক্তরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

নিউজটি শেয়ার করুন

সংরক্ষিত বনভূমি রক্ষা করা যাদের দায়িত্ব তারাই বন ও বনের গাছ ভক্ষন করছে । এমন একজন ব্যাক্তি মোঃ লুৎফর রহমান নৌকা চালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।গাজীপুর কালিয়াকৈর রেঞ্জের চন্দ্রাবিটে ৩০ টি আকাশমণি গাছ কাটার ঘটনায় বন বিভাগের ভূমিকা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। ঘটনাস্থল থেকে ৭০ খন্ড গাছ জব্দ করা হলোও সেই কাঠ গুলো সংশ্লিষ্ট বিট অফিসে নেওয়া হয়নি এবং যাঁর নামে এমন অভিযোগ তাঁকে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পাওয়া গেলেও সেই কাঠ ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়নি বলে দাবি অভিযোগকারীর। এদিকে বন বিভাগ বলেছেন খবর পাওয়া সাথে সাথে ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে কাঠ জব্দ করা হয়েছে কিন্তু কাঠ জব্দের পর সেই কাঠ অভিযুক্তের হেফাজতে আছে এ বিষয়ে এখনো স্পষ্টতা নেই। ফলে প্রশ্ন উঠেছে,বনভূমি থেকে গাছ কাটার ঘটনায় শুধু কাঠ জব্দ করেই কি দায়িত্ব শেষ নাকি ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের কাজের ভুমিকা খতিয়ে দেখা জবাবদিহি নিশ্চিত করা?
গত বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর চন্দ্রা বনবিটের আওতায় সিবাবহ পশ্চিমপাড়া এলাকায় বর্মনপাড়া মাঠের দক্ষিণ পাশে সংরক্ষিত বনভূমির উপকারভোগী (মোঃ রুহুল এর প্লট থেকে ৩০ টি আকাশমণি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। আর এ ঘটনায় মোঃ লুৎফর রহমান নৌকা চালকের নাম উঠে এসেছে। পাশাপাশি আকাশমণি উডলট বাগানের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোহেল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক শহিদ। লুৎফর রহমান নৌকা চালকের বিরুদ্ধে শুধু গাছ কাটার ঘটনার যোগসাজশের অভিযোগ নয় অসংখ্য অভিযোগ আছে। ঢাকা বন বিভাগের কালিয়াকৈর রেঞ্জের অধীনে চন্দা বিটে যোগদানের পর হতে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িয়ে গিয়েছেন তিনি উনার কথা না শুনলে অসভ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং মামলার ভয় ভীতি দেখায় এলাকার লোকজনকে। এই মোঃ লুৎফর রহমান নৌকা চালকের কারনে সমাজে বিরূপ প্রভাব দেখা দিয়েছে। চার পাঁচ মাস আগে লুৎফর রহমান নিজের টাকা দিয়ে সরকারি জমিতে একটা ঘর তৈরী করে দিয়েছে একটি মেয়েকে। এবং পলান পাড়া বসে বসে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে বিভিন্ন কাজের টাকা লেনদেন করে। সরকারি বনের জমি দখল করিয়ে দেওয়া গাছ পাচাড় বাড়ি তৈরী করে দেওয়া ইত্যাদি অপরাধের সাথে জড়িয়ে গেছে। এই লুৎফর রহমান নৌকা চালকের কারনে বন অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি ও সম্মান বিনষ্ট হচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী সংরক্ষিত প্লট থেকে গাছগুলো কেটে নেওয়ার পর বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হয়, পরে বন বিভাগের লোকজন এসে ৭০ খন্ড কাঠ খন্দকারপাড়া সংরক্ষিত বনভূমির ৮৬ নম্বর দাগ থেকে জব্দ করা হয়েছে জানিয়েছেন। কিন্তু এদিকে কাঠ জব্দের পর সেগুলো বিট অফিসে নেওয়া হয়নি বলেও জানিয়েছেন চন্দ্রা বিট কর্মকর্তা (ইকবাল হোসেন)। বিট কর্মকর্তা আরো জানান গাড়ি না পাওয়ার কারণে কাঠগুলো অফিসে নেওয়া সম্ভব হয়নি তবে সন্ধ্যার মধ্যে কাঠগুলো অফিসে নিয়ে আসবেন বলে তিনি জানান।
কিন্তু কাঠগুলো শেষ পর্যন্ত অফিসে নেওয়া হয়েছে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। অভিযোগ কারীদের দাবি কাঠ ব্যবসায়ী বাবু মোল্লাকে ঘটনাস্থলে কাছাকাছি পাওয়া গেলেও তাকে কেন আটক করা হয়নি কেন জব্দ করা কাঠ সহ তাকে অফিসে নেওয়া হয়নি,তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে কোন? লিখিত প্রতিবেদন, জিজ্ঞাসাবাদ, বা আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এ বিষয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা তৌসিফ জুনায়েদ বলেন বনভূমির জমি থেকে গাছ কেটে নেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। বন ভূমির জমি থেকে অবৈধভাবে গাছ কেটে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই গাছগুলো দ্রুত জব্দ করা সহ এর সঙ্গে জড়িত সবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।