পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ময়মনসিংহে ৩০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের উদ্যোগে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হওয়া এই মাহফিলে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনামুল হক আকন্দ লিটন, যুগ্ম-আহ্বায়ক, ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপি ও আহ্বায়ক, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা কৃষক দল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, আহ্বায়ক, ময়মনসিংহ মহানগর তাঁতী দল; মোঃ ইমরান খান, প্রতিষ্ঠাকালীন ১ম যুগ্ম-আহ্বায়ক, ৩০ নং ওয়ার্ড বিএনপি; এবং মোঃ মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক, ময়মনসিংহ মহানগর তাঁতী দল।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবসেবার মাস। সমাজে ন্যায়, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও কর্মীবৃন্দ। আয়োজনে সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ রবিউল ইসলাম ও মোঃ দুলাল মিয়া, তাঁতীদল, ময়মনসিংহ মহানগর। তাদের সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনায় পুরো আয়োজন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।
গণমাধ্যমের সরেজমিন কভারেজ
অনুষ্ঠানটি স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা সরেজমিনে কভার করেন। তারা উপস্থিত অতিথি, নেতাকর্মী ও উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সংগঠনের মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে আরও তাৎপর্যমণ্ডিত করে তোলে।
শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ
পুরো কর্মসূচি ছিল শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন। নেতাকর্মীদের মাঝে ছিল অনন্য উদ্দীপনা ও মানবসেবার প্রতি গভীর অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ। ইফতারের আগে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক পথচলার স্মারক এই আয়োজন ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও গতিশীল করার দৃঢ় প্রত্যয়ে শেষ হয়। স্থানীয়দের মাঝে তাঁতীদলের এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। রমজানের পবিত্র মাসে এমন আয়োজন নিঃসন্দেহে সমাজে সহমর্মিতা, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।







