সাভারে ওএমএসের চাল-আটা বিতরণে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে ৪ সাংবাদিককে হেনস্তা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলায় জেল হাজতে পাঠানোর ঘটনায় এবার বিচার চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা।
১১ অক্টোবর রবিবার ভুক্তভোগীদের পক্ষে খাদ্য মন্ত্রী, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি),এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পৃথক তিনটি অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১০টায় সাভারের চাপাইন মেম্বারের মোড়ে ওএমএসের অনিয়মের তথ্য সংগ্রহে গেলে দৈনিক বিজনেস ফাইলের এফ রহমান রূপক, দৈনিক মুক্ত খবরের মোঃ আবুবকর সিদ্দিক ও মনজুরুল হক মঞ্জু এবং দৈনিক একুশে সংবাদের মোঃ পিন্টু শেখকে ডিলারের লোকজন হেনস্তা করে। পরে সাভার মডেল থানার এসআই আব্বাস নিরাপত্তার কথা বলে তাদের থানায় নিয়ে যান এবং যোগসাজশে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা তিন সাংবাদিককে জেল হাজতে পাঠান।
অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগীরা ৫ দফা দাবি জানান:
১। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত, ২। ঘটনাস্থলের ভিডিও, সিসিটিভি ফুটেজ, ছবি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য যাচাই।
৩। মিথ্যা প্রমাণিত হলে মামলা প্রত্যাহার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা।
৪। ওএমএসের অনিয়মের অভিযোগ খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক স্বাধীনভাবে তদন্ত।*
৫। পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা বলেন, “আমরা কোনো চাঁদা দাবি বা ম্যাজিস্ট্রেট দাবি করিনি। সরকারি খাদ্যপণ্য নিয়ে জনস্বার্থে অনুসন্ধান করতে গিয়েছিলাম। উল্টো আমাদেরই আসামি করা হয়েছে। এটি স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি হামলা।”
এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।







