, ,

শ্রীপুরে জমি চাষে বাধা কৃষককে প্রাণনাশের হুমকি

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজীপুরের শ্রীপুরে পৈতৃক জমিতে হালচাষ করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির শিকার হয়েছেন মো: আমির হোসেন নামের এক কৃষক। গত ৩১ জানুয়ারি দুপুরে উপজেলার লোহাগাছ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লোহাগাছ গ্রামের মৃত ফাইজুদ্দিনের ছেলে মো: আমির হোসেনের সাথে একই এলাকার মোর্শেদা বেগম (৪০) ও আয়না বিবির (৬৫) দীর্ঘ দিন ধরে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। সেই দ্বন্দ্ব কে কেন্দ্র করে গত ৩১ জানুয়ারি দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে আমির হোসেন তার নিজ জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে হালচাষ করতে গেলে, বাধা দেন,
এ সময় বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জমিতে এসে কাজে বাধা প্রদান করেন। তারা আমির হোসেন ও ট্রাক্টর চালককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং
ট্রাক্টর ভাংচুর করার চেষ্টা করে এবং জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দেন। ভুক্তভোগীর দাবি, বিবাদীরা তাকে সরাসরি খুন-জখম করার হুমকি দিয়ে মাঠ থেকে তাড়িয়ে দেয়।
ভুক্তভোগী আমির হোসেন জানান, প্রতিপক্ষের ক্রমাগত হুমকির মুখে তিনি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। জমিতে পুনরায় চাষাবাদ করতে গেলে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন তিনি। ঘটনার সময় স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা উপস্থিত ছিলেন বলেও তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জমিতে স্বাভাবিক চাষাবাদের পরিবেশ ফিরে পেতে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

এ বিষয়ে এলাকা বাসিরা জানান, আমির হোসেন
৩০ বছর যাবৎ জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন
হঠাৎ রিয়াজুদ্দিনের ছেলে আরিফ সরকার পুলিশের চাকুরী করে এই দাঁপটে ভয় দেখিয়ে জমি দখল করার চেষ্টা করে,

আমির হোসেন তার নিজস্ব জমিতে গেলে পুলিশের উসকানিতে বাঁধা সম্মখীন হন, ভুক্তভোগী পরিবার আরো জানান, আমরা এই আরিফ সরকার পুলিশের অত্যাচারে অতিষ্ঠ, আমাদেরকে জমিসহ বিভিন্ন অজুহাত দাঁড় করিয়ে আমাদের কে ভীষণ যন্ত্রণা দেয় এবং সব সময় বলে আমি পুলিশের চাকরি করি আমার সাথে
তরা কিছুই করতে পারবি না ভুক্তভোগীরা আরো বলেন , আমরা মুক্তি পেতে চাই আমরা আর পারতেছিনা ,

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার এসআই শাফায়াত ওসমান
জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে জমিতে চাষাবাদে বাঁধা দেওয়ার সততা পেয়েছি ।