স্বাধীন এই দেশ জনগনের। ৭১ সালে দেশ স্বাধীন করেছে জনগন, আবার ২৪ ফ্যাসিষ্ট মুক্ত হয়েছে এদেশের জনগনের কারনে। আর সেই জনগনের আশা আক্ঙাখার প্রতিফলন ঘটাতেই রাজনীতি করি। আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে জনগনের উন্নয়ন হয় এরকম উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান ভোলা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহি কমিটির সদস্য আলহাজ্জ হাফিজ ইব্রাহিম।
গত —- মতিঝিল স্হ তার কার্যালয়ে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন- মেঘনা ও তেতুলিয়া বেষ্টিত দ্বীপজেলা ভোলার প্রধান সমস্যা নদী ভাঙ্গন। ২০০১ সালের নির্বাচনে জনগনের রায়ে নির্বাচিত হয়ে নদী ভাঙ্গন রোধে বেশ কিছু প্রকল্প গ্রহন করে বাস্তবায়নের উদ্দ্যোগ গ্রহন করি। যা ছিলো তখন দৃশ্যমান। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে উন্নয়নের নামে লুটপাট চালিয়েছে। এলাকার জনগনের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি। ইনশাল্লাহ আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত হলে ভোলার জনগনকে নদীভাঙ্গন থেকে রক্ষার প্রয়োজনীয় কাজের উদ্দ্যোগ নেওয়া হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- আওয়ামী ফ্যাসিষ্টের আমলে বোরহানউদ্দিন দৌলতখানের বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হামলা মামলা করে নির্ঢ়াতন চালিয়েছে। এমনকি আমার নিজের নামেও মিথ্যা ৩৪টি মামলা দিয়েছে। তারপর ও আমি থেমে থাকিনি নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি। আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। যার কারনে জনগনের ভালোবাসা এখনও অটুট রয়েছে। ফলে দল তাকে নমিনেশন দিবে এমনটিই আশা ব্যক্ত করেন।
সাবেক এই সাংসদ বলেন আল্লাহ যতদিন বাচিয়ে রাখবে ততদিন জনগনের সেবায় তিনি নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন। এখনও জনগনের কল্যানে কাজ করছেন ভবিষ্যতে ও জনগনের কল্যানে কাজ করবেন।
দলীয় কর্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন- বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখানে বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে কোন বিবেদ নেই। সবাই একাট্টা আছেন। তাই আগামী নির্বাচনে সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর।






