, ,

রংপুর সদর উপজেলায় ধানে কারেন্ট পোকার আক্রমণ, দিশাহারা কৃষক।আধা পাকা ধান কেটে নিয়ে যাচ্ছে কৃষক। 

নিউজটি শেয়ার করুন

রংপুর সদর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কারেন্ট পোকা বা গাছ ফড়িং এর  আক্রমণে আমন ধান  শুকিয়ে যাচ্ছে।   ।এতে দিশেহারা কৃষক ।সপ্তাহ দুয়েক পর শুরু হবে পুরোদমে আমন ধান কাটামাড়ায়। কৃষকের ঘরে উঠবে নতুন ধান এর মধ্যে মাজরা ও কারেন্ট পোকা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ধান চাষীরা ।মৌসুমের শেষে এসে পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা ।উপজেলার অধিকাংশ মাঠে পোকার আক্রমণ বেড়েছে। বেশ কিছু জমিতে ধান গাছ শুকিয়ে গেছে ।কৃষকেরা ফসলের মাঠে কীটনাশক ঔষধ স্প্রে করছেন কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। ফলে কৃষকের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে।অনেক কৃষক  উপসহকারীকে চিনেন না।
১/ নভেম্বর  শনিবার    সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে ।হরি দেবপুর ইউনিয়নের  বালাপাড়া গ্রামের কৃষক বাচ্চু মিয়া বলেন  আমার প্রায় ১ বিশ সম্পত্তি উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আমার কাছে আসে না।আমার কোন খোঁজ খবর নেয় না। তাকে আমি চিনিও না। আমার জমিতে কারেন্ট পোকা লেগেছে কোন পরামর্শ পাইনি। এছাড়াও  রাজ্জাক , জব্বার, ইয়াকুব বলেন  আমাদের  জমিতে আমন ধান আবাদ করেছি ধান সম্পন্ন না পাকতেই সব  জমিতে কারেন্ট পোকা বেশি আক্রমণ করেছে। ঔষধ স্প্রে করেও কোন সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। এবং তারা আরো বলেন কৃষি অফিস থেকে কোন অফিসার পরিদর্শন করেন নাই। এছাড়াও উক্ত ইউনিয়নের অতিরামপুর পশ্চিম পাড়ায় চাষী প্রভাব, বিষ্ণু, ডালিম, রফিকুল ইসলাম, মোবারক জানান,এই গ্রামে উপসহকারী আসে না। তিনি  রংপুরে থাকেন। তাকে আমরা চিনি না। আমাদের কোন পরামর্শই তিনি দেন না। এত কারেন্ট পোকা লেগেছে, বাধ্য হয়ে কাঁচা ধান কেটে আনছি। এই অবস্থা শুধু হরিদেবপুরে নয়, চন্দন পাটের,ডাঙ্গের পাড়, নয়াপাড়া,খলেয়ার,মহেশপুর, গ্রামে ব্যাপক হারে কারেন্ট প্রকার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। মহেশপুর গ্রামের কৃষক আনিসুল ইসলাম বলেন উপসহকারী আসে না। আপনি একটু ফোন দেন তো।কৃষি  কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলি,তখন আমার ফোন(প্রতিবেদকের)  দিয়ে কৃষি কর্মকর্তাকে সেই উপসহকারির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।    এছাড়া কুশা বলরাম কৃষক কাওসার আলী বলেন  আমার প্রায় ১০, ১৫ বিঘা জমিতেই এই পোকা আক্রমণ করেছে কীটনাশক ঔষধ স্প্রে করে তেমন কোন প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে   না।। ধান পাকা শুরু হয়েছে অল্পদিনের মধ্যেই কাটা মাড়াই হবে। এই মুহূর্তে কারেন্ট পোকা জমির সব ধান নষ্ট করে দিচ্ছে আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি।মমিনপুরের  মোশারফ, কুশা বলরাম গ্রামের সুফিয়ান মাস্টার, হরিদেবপুর কদমতলীর নুরুল হুদা, ইলিয়াস, মধ্য পাড়ার  মজিবর,মোশারফ,   ইসাহাক, সবুজ,একাধিক ব্যক্তি বলেন কারেন্ট পোকার আক্রমণে আমরা আধা পাকা ধান কেটে সাবার করে দিচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তারা কোনপরামর্শই আমাদের দেন না।।
এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা অফিসার আরেফিন বিনতে আজিজ  কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা ইতিমধ্যে লিফলেট বিতরণ করেছি। উঠান বৈঠকে করেছি। কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি   ঠিক মতো ভাবে ঔষধ স্প্রে করার জন্য বলেছি।