ঢাকা-০৫ আসনে বিএনপির রাজনীতির সাথে আলহাজ নবীউল্লাহ নবী রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে জানা যায়, তিনি দীর্ঘ ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন নবীউল্লাহ নবী – ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন ঢাকা-৫ আসন নানা প্রতিশ্রুতি বিএনপি প্রার্থী নবী উল্লাহ নবীর তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও দলীয় ভূমিকার কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্য নিচে দেওয়া হলো:মাঠ পর্যায়ের রাজনীতি: তিনি অবিভক্ত ঢাকার সাবেক সফল কমিশনার ঢাকা-০৫ আসনের নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী তিনি দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে বৃহত্তর ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বিএনপির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে আন্দোলন ও দলীয় কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন রাজধানীতে প্রবেশ করার একটি মাত্র অন্যতম পয়েন্ট হল যাত্রাবাড়ী এই পয়েন্টটি বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ডেমরা এবং যাত্রাবাড়ীর জনগণ মনে করেন আন্দোলন সংগ্রামী নবীউল্লা নবীর বিকল্প নাই। তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ, মামলা-হামলার শিকার হওয়া ও দীর্ঘ ত্যাগ বিবেচনায় তিনি স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির একজন পরীক্ষিত ও শীর্ষস্থানীয় নেতা হিসেবে পরিচিতি রয়েছে।বিএনপির এই ত্যাগী নেতা বিগত সরকারের আমলে ৫ জানুয়ারি ২০২৪ রাতে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুনের ঘটনায় অর্থদাতা হিসেবে গ্রেফতার এই বিএনপি নেতাকে শনিবার (৬ জানুয়ারি) রাজনৈতিক সহিংসতার মামলায় আদালতে হাজির করা হয়।ওই রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছিল, মামলার এজহারভুক্ত আসামি নবী উল্লাহ নবী ৫ নভেম্বর যাত্রাবাড়ী থানাধীন যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা থেকে ধোলাইপাড়গামী রাস্তার সড়কে বিজিবি মার্কেটের সামনে পাকা রাস্তার ওপর বেআইনিভাবে দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্র, ইট পাটকেল, বাঁশের লাঠি ও ককটেলসহ অবস্থান নেন। তারা সরকারবিরোধী উসকানিমূলক ও অবমাননাকর স্লোগান দিতে থাকেন। সড়কে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে চরম জনভোগান্তি তৈরি হয়।
বিগত গত ০৫ আগস্ট ২০২৪ বাংলাদেশে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধে ছাত্র বৈষম্য জনতা আন্দোলনে বিজয় সুনিশ্চিত হওয়া নিয়ে অবিভক্ত ঢাকার সাবেক সফল কমিশনার নবী উল্লাহ নবী নেতৃত্বে স্বৈরাচার হাসিনা সরকার পতনে ছাএ জনতা ঐক্য আন্দোলনে নিজেই দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে নেতৃত্বে দেন।
তৎকালিন আওয়ামীলীগের আমলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-০৫ আসনের বিএনপির একক প্রার্থী হয়ে তিনিই সবচেয়ে বেশি ভোট পান। তবে আওয়ামী লীগের প্রয়াত সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুর কারণে সংসদীয় আসন শূন্য হওয়া এই আসনে পড়ে বিএনপি হাইকম্মান্ড মনোনয়ন দেয়নি নবীউল্লাহ নবীকে,পরবর্তী বিএনপি সাবেক এমপি সালাউদ্দিন আহমদকে দল থেকে নমিনেশন দেওয়া হলেও ভোটে সুবিধাজনক ফলাফল দেখাতে পারেনি স্হানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহনযোগ্যতা হারান সাবেক বিএনপি এমপি সালাউদ্দিন আহমেদ।ঢাকা ৫ আসনের দীর্ঘদিনের সালাউদ্দিন আহমেদ।
রবিউল্লা নবী একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন তিনি তার রাজনৈতিক জীবনে তরুণ বয়সে বিএনপির প্রয়াত নেতা ব্যারিস্টার আবুল হাসান, মেজর জেনারেল মির শওকত আলী, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হান্নান শাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা বর্তমান ঢাকা ৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস সহ বিএনপি’র বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদদের সাথে তিনি রাজনীতি করেছেন এর পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগান নিয়ে যতদিন বেঁচে থাকব জনগণের জন্য কাজ করে যাব এটাই আমার অঙ্গীকার।
এদিকে সরেজমিনে জানা যায়,যাএাবাড়ী কদমতলী শনিরআখরা,রায়েরবাগ,মাতুয়াইল ডেমরা সারুলিয়া আমুলিয়া দুর্গাপুর, ঠুলঠুলিয়া,মেন্দীপুর,রাজাখালী,পুরো ঢাকা -০৫ নির্বাচনী এলাকায় নবী উল্লাহ নবী নেতৃত্বে বিগত আন্দোলন সংগ্রামে আওয়ামীলীগের সরকারের রোষানলে পরে যারা গ্রেফতার ও নির্যাতিত হয়েছেন, বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেগয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তাদের মামলা ও আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি বর্ষিয়ান এই নেতা।
গুঞ্জন উঠেছে জাতীয় কাউন্সিলের আগেই ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস মিলছে।
বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের বিষয়ে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
দক্ষিণ মহানগরে বর্তমান আহবায়ক রফিকুল আলম মজনু, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহবায়ক আনম সাইফুল ইসলাম, সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন, যুগ্ম আহবায়ক
এডভোকেট মকবুল হোসেন সরদার, লিটন মাহমুদ, সাইদুর রহমান মিন্টু। পাশাপাশি মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক নবীউল্লাহ নবীর নাম সহ কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় এসেছে।
রাজধানীর রাজনীতিতে দলকে আরো সংগঠিত ও মাঠমুখী করতে নতুন ও পুরোনো নেতৃত্বের সমন্বয়ে কমিটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।
বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
এই বিবেচনা দিক থেকে দেখা যায় ঢাকা ০৫ অর্থাৎ যাত্রাবাড়ীর পয়েন্ট আগামী আন্দোলন সংগ্রামে নবীউল্লার নবীর বিকল্প নাই। বিএনপি’র স্থানীয় নেতারা মনে করেন ঢাকা দক্ষিণের যাত্রাবাড়ী এবং ডেমরা এই দুটি পয়েন্ট রাজধানীতে ঢোকার জন্য জরুরী, আন্দোলন সংগ্রামে নেতাকর্মীরা যদি এই পয়েন্ট ধরে রাখতে হয় তাহলে নবীউল্লা নবী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যোগ্য হিসেবে বিবেচিত। সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিভিন্ন পর্যায়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন বলেও একাধিক সূত্রে জানা গেছে।







