, ,

মেলান্দহ মহিলা কারিগরি কলেজের শিক্ষক জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে ক্লারুম ফাঁকি দিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখার অভিযোগ

নিউজটি শেয়ার করুন

মোঃ সেলিম উদ্দিন, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মেলান্দহ মহিলা কারিগরি কলেজের এমপিওভুক্ত প্রভাষক মোঃ জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে নিয়মিত ক্লাস না নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখকের কাজ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম ভেঙে শিক্ষকতা পেশার পাশাপাশি অর্থ উপার্জনের নেশায় তিনি দিনে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অবস্থান করেন বলে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রভাষক জাহিদ হাসান এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে সরকারি রাজস্ব থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন। তবে কলেজে গিয়ে শুধু হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই তিনি মেলান্দহ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলে যান এবং সারাদিন দলিল লেখালেখির কাজে ব্যস্ত থাকেন। ফলে কলেজে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা চরম ক্ষতির মুখে পড়ছে।

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের নিয়মিত ক্লাস হয় না। স্যার কলেজে এসে হাজিরা খাতায় সই করেই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলে যান। শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করতে আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”​এলাকাবাসীর একাংশ ও সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন, একজন এমপিওভুক্ত কলেজের পূর্ণকালীন শিক্ষক হয়ে তিনি কিভাবে সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখকের কাজ করেন এবং তাকে কে এই লাইসেন্স বা অনুমতি প্রদান করেছে? তাদের দাবি, দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রভাষক মোঃ জাহিদ হাসানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন আমার বাবা একজন দলিল লেখক ছিলেন এখন আমিও লিখি মানুষ ফোন দিয়ে যোগাযোগ করলে ওই একটু দলিল লিখতে হয় বুঝেন না। ​কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ জানান, “বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”​শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে এই বিষয়ে দ্রুত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী মহল।