রাতের পরে দিন আবার মন্দের বিপরীতে ভালো, এভাবে চলে আসছে নিয়ম অনিয়মের ধারাবাহিক সমাজের অগ্রযাত্রা। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সম্প্রতি তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক সফর করলেন কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানাধিন মানিকার চর গ্রামের কতিপয় এলাকা। অভিযুক্ত হাজী মোঃ আলতাব উদ্দিন মিয়া ও তার পুত্র জামাল হোসেনের সাথে সাক্ষাৎকারের জন্য খোজাখুজি করেও বাপ বেটার কোন সাক্ষাৎ মিলে নাই। সরজমিনে মানিকার চর গ্রাম পরিদর্শন করে কয়েকজন সচেতন নাগরিকের সাথে কথা বলে জানা যায় উল্লেখিত আলতাব ও জামাল দীর্ঘদিন হতে মানিকার চর গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে বিভিন্ন ছলছাতুরি ও কূটকৌশলের মাধ্যমে সরকারি চাকরি দেয়া, জমি বন্দোবস্তি, হাসপাতালের অনুমোদন লাভ করে দেয়া, বানোয়াট জমির দলিল সৃজন অতপর বায়না কিংবা বিক্রি করা এবং অমুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধার সনদ ও ভাতা পাইয়ে দেয়ার লিখিত চুক্তি করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রতারণার কর্মকান্ড পরিচালনার চরম অভিযোগ রয়েছে। আরও জানা যায় কয়েক বছর পূর্বে মানিকার চর গ্রামবাসী আব্দুল মান্নান পিতা:……. এর নিকট হতে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা ভুক্তি ও মাসিক ভাতা ব্যবস্থা করে দেয়ার মিছে আশা দিয়ে ষোল লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণা করেছে। গত ১৪-০৪-২০১৫ ইং তারিখে ১৪৮ নং নোটারি পাবলিক নিবন্ধনের মাধ্যমে জামাল হোসেন ও তার বোন….. কে সাক্ষী করে আলতাব উদ্দিন মিয়া(৭৮) রক্তীয় ও গোত্রীয় সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার মধ্য দিয়ে নিজের কুলাঙ্গারপনা ও অসামাজিক কর্মকান্ড ধামাচাপা দেয়ার লক্ষে শাক দিয়ে মাছ ডাকার অপচেষ্টা করে। এছারা তাদের রক্তের সম্পর্কিত মোসাঃ রুকি বেগম, মোঃ ফজলুল হক, মোঃ মহসিন মিয়া ও কতিপয় নড়-নারিরা উল্লেখিত বাপ বেটার সংগঠিত অপরাধ ও কুকির্তীর কারনে তাদেরকে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিদের হাজিরানায় সালিশি ব্যবস্থার কথা জানার পর আকস্মিক ভাবে উদুর পিণ্ডি বুদুর ঘারে দেয়ার উদ্দেশ্যে কুলাঙ্গার জামাল ও তার পিতা আলতাব উদ্দিন উল্লেখিত হলফনামার মাধ্যমে বংশের সকলের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে। উল্লেখিত প্রতারক ও কুলাঙ্গার জামাল নিজকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে মেঘনাস্ত বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সমাজে পরিচয় দিয়ে আসছে। তার বাবার বাড়ির সম্মুখে মুক্তিযোদ্ধার নাম ফলক স্থাপন করা হয়েছে অথচ ভুয়া আলতাব উদ্দিন ছিল তালিকাহীন অমুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতা বিরোধী। বহু বিবাহে অভ্যস্ত নারী ভোগী জামাল কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অসহায় পরিবারের এগারো জন নারীকে বিয়ে করে এবং এক দুই বছর যেতে না যেতেই তার নির্যাতনের শিকার হয়ে তার নয় জন স্ত্রী তাদের শিশু সন্তানদের নিয়ে জামালের ঘর ছেরেছে। আমাদের সংবাদ দাতা মুঠো ফোনে জামালের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নাই।মেঘনাবাসি এ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে উল্লেখিত দোষিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সুশীল, রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।







