, ,

বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির প্রতিবাদ: রামিশার মৃত্যুর বিচার দাবিতে ক্ষোভ ও ন্যায়বিচারের আহ্বান।

নিউজটি শেয়ার করুন

কিছু কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, শুধু চোখের পানি হয়ে ঝরে। নিষ্পাপ শিশু রামিশার ছোট্ট জীবন এভাবে ঝরে পড়ার কথা ছিল না। তার অকাল মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের হৃদয়ে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। আজ দেশের মানুষ ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়, আর সেই দাবিকে সামনে রেখেই প্রতিবাদে সরব হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি।
বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, মহাসচিব এডভোকেট সাইফুল ইসলাম সেকুল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আল আমিন ২১ মে ২০২৬ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, শিশু রামিশার মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও ন্যাক্কারজনক। তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। মানবাধিকার নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি সভ্য রাষ্ট্রে কোনো শিশুর জীবন এভাবে ঝরে যেতে পারে না। যদি দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হয়, তাহলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে। আজ দেশের মানুষ শুধু রামিশার পরিবারের কান্না দেখছে না, বরং নিজেদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়েও আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, যেন কোনো প্রকার প্রভাব বা গাফিলতি ছাড়াই নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করা হয়।
সমাবেশে মানববন্ধন, প্রতিবাদী স্লোগান এবং রামিশার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল বিভিন্ন প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড, যেখানে লেখা ছিল—
“রামিশার হত্যার বিচার চাই”,
“শিশু হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে”,
“ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে”।
বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা রোধে শিশু নিরাপত্তা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।
শেষে বক্তারা বলেন, রামিশার ছোট্ট জীবন হয়তো আর ফিরে আসবে না, কিন্তু তার জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক দায়িত্ব। দেশের মানুষ আজ সেই বিচার দেখার অপেক্ষায় রয়েছে।