, ,

তৌহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ অগ্রগতি নেই জেলা প্রশাসকের

নিউজটি শেয়ার করুন

তেরখাদা উপজেলার বারাসাত ভূমি কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
গত ২২/১/২০২৬ ইং রোজ বৃহস্পতিবার আনুমানিক সকাল ১২ টায় খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
দীর্ঘ সময় যাবত বারাসাত ভূমি কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ থাকলেও দেখার নেই কেউ।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেও তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে এমন আশা ও অপেক্ষায় বারাসাত এলাকা বাসী। তার বিরুদ্ধে তথ্য নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে হাজির হলেও জেলা প্রশাসক কে অবগত করার সুযোগ মিলেনি বারাসাত এলাকাবাসীর। তাই অভিযোগ দায়ের করে ঘুষ বানিজ্যের তথ্য নিশ্চিত করনিয়।

খুলনায় বারাসাত ভূমি অফিসে নামজারী ও মিসকেস মামলার আবেদনে চলছে ঘুষ বানিজ্য। ভূমি অফিস কর্মকর্তা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কৌশলে চালিয়ে যাচ্ছে এই ঘুষ বানিজ্য। এই বানিজ্য চালাচ্ছে বারাসাত ভুমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুল ইসলাম। এলাকাবাসী জানান ভূমি অফিসে এই কর্মকর্তা আসার পরবর্তী তে পূর্বের নিয়ম পরিবর্তন ও নিজের সিস্টেমে ভূমি অফিসের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন তিনি। এবিসয়ে দেখার কেউ নেই। ভুক্তভোগীর অভিযোগ থাকলেও প্রতিবাদ করলেও তার বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ। বর্তমানে বারাসাত ভূমি অফিসে আবেদন থেকে শুরু করে মিসকেস মামলা ও অন্যান্য বিসয়ে নিম্ন কর্মচারী থেকে সহকারী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম এর চলছে ঘুষ বানিজ্য। তৌহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে গ্রামবাসী থেকে এমন অনেকের অভিযোগ থাকলেও তার আড়ালে রয়েছে উচ্চ কর্মকর্তা সহযোগিতা। যার মাধ্যমে তৌহিদুল ইসলাম এর চলমান ভূমি অফিসে চলছে অবৈধ কার্যক্রম। গত ৫ই আগস্টের পর দেশের আইনের গতি নিয়ন্ত্রণে না থাকায় প্রায়ই বেশিরভাগ সরকারি বিভিন্ন কার্যালয়ের মধ্যে এই ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে খুলনা তেরখাদায় বারাসাত ভূমি অফিস সহকারী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান, মোঃ নজরুল ইসলাম। তিনি বিআর,এস, খতিয়ান ৪০৩, বিআর,এস দাগ নং ১৩২৯ জমির পরিমাণ -০,০৫ একর এর নামজারী করার আবেদন করি, যাহার মিস মামলা নং ২০৮৩ করা হয় তৌহিদুল ইসলাম এর বরাবর। সরজমিনে তদন্ত প্রতিবেদন দিবে ও দিচ্ছে এমন আশ্বাস দিয়ে দীর্ঘ সময় পার করতে থাকেন। তৌহিদুল ইসলাম এর নিকট দেখা করতে উপস্থিত হলে তিনি তার অন্য কর্মচারীর সঙ্গে আলোচনা করতে বলেন। আলোচনায় মোঃ নজরুল ইসলাম এর নিকট হতে ভূমি অফিস কর্মচারী জানান যে স্যার অবগত করেছেন আপনার মামলা ও নামজারী ডকুমেন্টস করতে সরকারি খরচ ব্যতিত ১০,০০০ হাজার টাকা লাগবে। তিনি তাদের শর্তে রাজি না হলে তার নামজারী মিসকেস মামলা খারিজ করিয়া দেন ভূমি অফিস সহকারী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম। আরও অভিযোগ উঠে আসে তৌহিদুল এর বিরুদ্ধে, সাইদা শারমিন পিতা আব্দুল সালাম মোল্যা তিনি জানান খুলনার কোলা মৌজার এস,এ খতিয়ান ৪৩৬৯, এস,এ দাগ নং ১৬১০৯, জমির পরিমাণ ১,৬৬ একর ও অন্যান্য নামজারী মিসকেস মামলা নং ৩৬৬৬/২৪-২৫,
নং- ৩৫৬০/২৪-২৫,
নং – ৩৫৬২/২৪-২৫
দায়ের করেন তৌহিদুল ইসলাম এর নিকট। পুনরায় সহকারী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম এর কর্মচারী এই সাইদা শারমিন এর সাথে আলোচনা করেন এবং সরকারি খরচ ব্যতিত মোট ৫০,০০০ হাজার টাকা লাগবে জানায়। অর্থ দিলেই ভূমি অফিসের সকল ডকুমেন্টস করা সম্ভব জানালেন ভূমি কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম এর কর্মচারী। বিনা অর্থে তিনি কোন কাজ করে না এমন টাই জানিয়েছেন ভুক্তভোগী । তার এই অবৈধ ঘুষ বানিজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালেও অনেক উচ্চ কর্মকর্তা অজানা অবস্থায় রয়েছেন। নাকি উচ্চ কর্মকর্তারাই এই তৌহিদুল ইসলাম কে ঘুষ বানিজ্য চালানোর সহায়তা করছেন। এই কর্মকর্তার অবৈধ কার্যক্রমে দূর্ভোগে সাধারণ জনগন।
দূর্ভোগে বারাসাত গ্রাম বাসীরা এই ঘুষ বানিজ্য ও ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পূর্বে থেকে জেলা প্রশাসক এর নিকট অভিযোগ দায়ের করলেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি জেলা প্রশাসক ও উচ্চ কর্মকর্তারা। অভিযোগ এর ভিওিতে তদন্ত কমিটি দারা তথ্য নিশ্চিত করবেন খুলনা জেলা প্রশাসক জানান।
বারাসাত ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত করতে গ্রামবাসীর তথ্য নিশ্চিত করার প্রয়োজন জানান এলাকাবাসী ।ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ বানিজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করায় প্রশ্ন ও হুমকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে সাধারণ জনগন। অভিযোগ এর ভিওিতে তদন্ত কমিটি কি এককভাবে তথ্য নিশ্চিত করবেন নাকি এলাকাবাসী তথ্য নিশ্চিত করা হবে তা এখনো অজানা।
জেলা প্রশাসকের তদন্ত কমিটির মাধ্যমে কি নিশ্চিত করতে পারবে মূল অপরাধী কে নাকি বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে ধামাচাপা দেওয়া হবে এবং অব্যাহত থাকবে তার বানিজ্য।
অনিশ্চিত আশংকায় বারাসাত এলাকাবাসী ও সাধারণ জনগন। সুবিচারের দাবি জানিয়ে বহাল থাকা তৌহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন খুলনা তেরখাদা, বারাসাত ভূমি গ্রামবাসীর।

মাননীয় উপদেষ্টা ভূমি মন্ত্রণালয় এর নিকট বারাসাত ভূমি অফিস সহকারী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এর ব্যবস্থা গ্রহনে জেলা প্রশাসক এর দেওয়া নিয়ন্ত্রণে তদন্ত কমিটির প্রতি এলাকাবাসীর আস্থা অনিশ্চিত এলাকাবাসীর। দীর্ঘ সময় যাবত বারাসাত ভূমি কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম এর ঘুষ বানিজ্য চলমান থাকলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেও ও কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি । এমন টাই অভিযোগ তেরখাদার ও বারাসাত এলাকার জনগণ।

দে-শ ও ভূমি অফিস কার্যালয় গুলো দুনীতি মুক্ত রাখতে ভূমি উপদেষ্টা ও সচিব মহোদয় এর একান্তই সহযোগিতা কামনা করছি।