তোকে প্রেমকিশোরী অনেক খুঁজেছি, খুঁজেছি কত তেপান্তরে !
প্রেমনদীর তটে, সোজন বাদিয়ার ঘাটে, বালুকাময় নদীর বাটে
খুঁজেছি প্রেমতৃষ্ণা নিয়ে মরু বালুকাময় সাহারার তটে !
কত সুন্দরী রূপসী হাজার নারীর ভিড়ে তোর সে হরিণ ডাগর নয়ন, বাসন্তী আভরণে ঘেরা—–
সে চাঁদ মুখ বদন কচি যৌবনে ভরা তোকে স্বর্ণালী চয়নিকা !
গোধূলি উঠানে সবুজ যৌবনে তোর সে আলুথালু বেশ
ছিল না নিজের হৃদয় গহীনে স্বীয় মনোনিবেশ
ছিলো পূর্ণিমা রজনীতে ছিল উজ্জ্বল আভা মনোরম পরিবেশ !!
তোর হরিণ নয়নে ছিল চঞ্চলতা আর অন্তরে জ্বলছিল—–
প্রেমবহ্নি নীহারিকা মরীচিকা নীল গগনে জেগেছিল হরিশ
তুই স্বর্ণালী ষোড়শী চয়নিকা হঠাৎ দিলি যে দেখা !
মিষ্টি হাসির ফোয়ারা ঝরিয়ে মৃদু পায়ে চলে গেলি একা
নয়ন ফেরাতে পারিনি তোর আশা ছাড়িনি তোর চলার পথে—–
চেয়ে চেয়ে অলীক রজনীর হয়েছে যবনিকা !!
একদিন শেষে মোরে ভালোবেসে হাতটি ধরে দিলি প্রেম নিমন্ত্রণ
আমিও প্রেম সুধা পিয়ে তোর প্রেম করিনু গ্রহণ !
সেই প্রেমের সুধা রসে এসেছিলাম তোর বশে
দুজনে চুটিয়ে করেছি ভালোবাসা, তোর বাঁকা নয়ন বাণে গেছি ফেঁসে !
ভেবেছিলাম দুজনে বাধবো মাটির ঘর ভালোবেসে
প্রেম বলাকা দুজন উড়বো ভালোবাসার সপ্তরথী চড়ে—–
ফিরবো বারবার জনমে জনমে সে প্রেম ঘরে !
কত না স্বপ্নের জাল বুনে বুনে মিশেছিলাম প্রেম মোহনায় !!
ভাবের ক্রান্তিকালে এই ছিল ভালে মুছে গেল সে প্রেম নিশানা
একদা অস্তমিত হল প্রেমসূর্যটা, ডুবে গেল প্রেম বাসনা !
হারিয়ে গেলি তুই প্রেমসখী উচ্ছল প্রেমের পরিণীতা
ছিল কত প্রেম ছিল কত কথা ছিলনা ডাহুকী নীরবতা !
স্বপনে এসেছিলি বারংবার বাস্তবে হয়নি প্রেমসয়ম্বর
খুঁজে ফিরি তোরে স্বপনের ঘোরে বাস্তবের আঙ্গিনায়
যেদিন চলে যায় ফিরে নাহি আসে নয়ন জলে ভাসে !
জীবন সায়াহ্ন শেষে প্রেমের সমাধি গড়ি খুঁজে ফিরি উদ্ভাসে।।




