পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “আলোর সন্ধানে ঝিনাইগাতী (আসঝি)”
-এর উদ্যোগে আজ ঝিনাইগাতী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলে ফলজ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আম, জাম, কাঁঠাল, জলপাই, আমড়া ও পেয়ারাসহ বিভিন্ন জাতের ফলজ গাছের চারা রোপণ করা হয়। সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা নিজ হাতে গাছ লাগানোর পাশাপাশি গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীলদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
যেসব স্থানে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে: ১। জড়াকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২। জড়াকুড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা, ৩। পাইকুড়া এ.আর.পি উচ্চ বিদ্যালয়, ৪। কান্দুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫। কান্দুলী আলহাজ্ব সুলতান আহমদ দারুল উলুম মাদ্রাসা, ৬। ডেফলাই আল আক্বসা জামে মসজিদ, ৭। হলদিগ্রাম ঢাকাইয়া পাড়া মসজিদ, ৮। হলদিগ্রাম জোড়ার পার মসজিদ, ৯। হলদিগ্রাম টিলাপাড়া মসজিদ
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, শুধু গাছ লাগানোই নয়, প্রতিটি চারা বড় হওয়া পর্যন্ত পরিচর্যা নিশ্চিত করাও তাদের অন্যতম লক্ষ্য। তারা বলেন, একটি গাছ একটি প্রাণ—পরিবেশ রক্ষা, অক্সিজেনের জোগান বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।
তারা আরও বলেন, “আলোর সন্ধানে ঝিনাইগাতী (আসঝি)” প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানবসেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রক্তদান, সামাজিক সচেতনতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরের মতো এ বছরও ব্যাপক পরিসরে ফলজ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের প্রতি অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং লাগানো গাছের যথাযথ পরিচর্যা করার আহ্বান জানানো হয়। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সম্মিলিতভাবে বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণে এগিয়ে এলে একটি সবুজ, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব ঝিনাইগাতী গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
“গাছ লাগাই, পরিবেশ বাঁচাই—সবুজ হোক আমাদের আগামী।”
প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ‘আলোর সন্ধানে ঝিনাইগাতী (আসঝি)’-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।







