গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় চলছে আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের ব্যস্ততম সময়। অনুকূল আবহাওয়া, রোগবালাই কম হওয়া এবং সঠিক কৃষি ব্যবস্থাপনার কারণে এ বছর আমন ধানের ফলন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজারেও মিলছে ন্যায্য মূল্য। ফলে কৃষকদের মুখে ফুটে উঠেছে খুশির হাসি।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ মৌসুমে আমন ধানের চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩১ হাজার ৭০০ হেক্টর জমি। কৃষকেরা লক্ষ্যমাত্রার সমপরিমাণ জমিতেই আমনের চাষাবাদ সম্পন্ন করেছেন, যা কৃষি বিভাগের প্রত্যাশা পূরণ করেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান এক সাক্ষাৎকারে বলেন,
এ পর্যন্ত সাত হাজার হেক্টর জমির ধান কর্তন শেষ হয়েছে। কৃষকেরা এখনও মাঠে ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কামদিয়া, সাপমারা, সাহারা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় ধান মাড়াইয়ের প্রাণচাঞ্চল্য চলছে।
তিনি আরও জানান, ধান ঘরে তোলা শেষ হলে কৃষকেরা জমিতে আলু, সরিষা ও বিভিন্ন শীতকালীন সবজির চাষাবাদ শুরু করবেন, যা উপজেলায় শস্য উৎপাদনের বৈচিত্র্য আরও বাড়িয়ে তুলবে।
দরবস্ত ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, আমরা আগাম আমন ধানের চাষ করেছিলাম। ফলন খুব ভালো হয়েছে, বাজারেও পাচ্ছি ভালো দাম। ধান ঘরে তোলার পর আমরা আলু লাগানো শুরু করব। এমন ফলন পেয়ে আমরা সত্যিই খুব খুশি।
সমগ্র উপজেলাজুড়ে এ বছর আমন মৌসুম সফল হওয়ায় কৃষকদের মাঝে নতুন উৎসাহ ও আশা জেগেছে।







