, ,

গাজীপুরের কালিয়াকৈর দরবেশ ক্ষেত অবৈধ সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর অওয়ামীলীগ মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের কথিত ছেলে।সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান, ১৫ বছর অওয়ামীলীগ থাকাকালীন মোজাম্মেলের পা চেটে কালিয়াকৈর বাসিকে জিম্মি করে রেখেছিল এই মজিবুর।মজিবুর বিইনপি(bnp) পন্থী হলেও এই ১৫ বছর অওয়ামীলীগ থাকা কলিন বিএনপি নেতারা অনেক অত্যাচারীত হলেও মেয়র মজিবুর এর ক্ষেত্রে পুরোটাই উল্টো ছিল যা সবায় দেখেছেন।

পৌরসভায় সরকারি বরাদ্দ আসলেও রাস্তাগাট ড্রেনেজ ইত্যাদি কোন কাজ না করে হয়ে গেসেন হাজার কোটি টাকার মালিক।এর অধিকাংশ টাকা খাটিয়েছেন জায়গার ব্যাবসাতে যা কালিয়াকৈরএর সবাই অবগত আছেন।

গত ১৮/০৮ তারিখে অবন্তরীণ সরকার সারা বাংলাদেশের পৌরসবার মেয়রদের অপসারণ করলে মেয়র মজিবুর সেটিকে না মেনে ২১/০৮ এ চন্দ্রাতে কিছু মানুষ টাকা দিয়ে ভরা করে তার মেয়র পদ পুনঃবহাল চান। এমন কী কালিয়াকৈর এর কিছু বাবসায়ীদের হুমকি দিয়েও আন্দোলনে আনেন।কিছু স্কুল কলেজের স্টুডেন্টদেরও জোড় পুর্বক আনেন আন্দোলনে যা ভিডিওতে সবাই দেখেছেন ছোট বাচ্চাদের দিয়ে মুখস্থ করিয়ে তার নামে স্লোগান দেয়াচ্ছেন।তিনি ২১/৮ এ এই পুনঃবহাল আন্দোলেনের নামে ঢাকা টাঙ্গাইল হাইওয়েতে সকাল থেকে সন্ধা পযন্ত গাড়ি আটকিয়ে জনসাধারণকে হয়রানি করেছেন।

মেয়র মজিবুর কিছু গুন্ডাবাহিনী নিয়ে সিন্ডিকেট করে আসছে।যেমন-মজিবুরের গুন্ধবাহিনী দিয়ে একটি জায়গা দখল করালে,জায়গার মালিক মজিবুরের সাহায্য নিতে গেলে মজিবুর সেটেলমেন্ট করত।জায়গার দাম ১০ কোটি থাকলে মজিবুর জায়গার মালিককে বলত ৩ কোটি দিতে।এরকম উদাহরণ অনেক আছে যা শফিপুর চন্দ্রা এর মানুষ সবাই জানে।

মজিবুরের কিছু অবৈধ সম্পদের বিবরণী দেওয়া হল ছবি সহ।

#### অদৃশ্য ক্ষমতার উৎস নিয়ে প্রশ্ন কালিয়াকৈরের মেয়র মুজিবরের
## বন ও গরীব অসহায় জনগনের জমি জবরদখলের অভিযোগ

##পৌরসভায় জনবল নিয়োগে অনিয়ম ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার নামে সরকারি টাকা লোপাট

##স্থানীয় আওয়ামী লীগ -বিএনপির নেতারা জিম্মি তার হাতে

##নামে বেনামে একাধিক বহুতল বাড়ি ও শত শত বিঘা জমি

কালিয়াকৈর পৌর মেয়র মুজিবের পাহাড়সম সম্পদের উৎস কোথায়?

গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরের পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান( ৬০)। প্রায় দুই যুগ সময় ধরে পৌর মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এসময়ের মধ্যে প্রায় শূন্য থেকে বর্তমানে পাহাড়সম সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি। তার এত সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্নে উঠেছে।

অভিযোগ আছে, পৌরসভায় একক টেন্ডার বানিজ্য, ভূয়া ড্রেনেজ ব্যবস্থার নামে প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি টাকা লোপাট,পৌরসভায় জনবল নিয়োগে অনিয়ম,, পৌর এলাকায় অনিয়মিতান্ত্রিক ভাবে পরিবহন খাত থেকে টোল আদায়,ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি জবর দখল থেকে শুরু করে নানা অনিয়ম দূর্নীতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। এ ছাড়াও ক্ষমতার অপব্যহার করে সাধারণ মানুষের জায়গা জবর দখল ও খাস ও বনের জমি জবর দখল বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে মেয়র মুজিবুরের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা বলছে, মুজিবুর রহমান মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করলেও সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয় এমন দৃশ্যমান উন্নয়ন করেননি। নিজে আধিপত্য বিস্তার করে নামে বেনামে হয়েছেন হাজার কোটি টাকার মালিক। তিনি এখন এখানকার অঘোষিত সম্রাট। পৌরবাসী অনেকটা জিম্মি দশায় রয়েছে তার কাছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,মেয়র মুজিবর রহমান এক সময় পরিবহনের ব্যবসা করতেন। এ ব্যবসায় তেমন সফলতা অর্জন করতে পারেননি তিনি। পরে পরিবহন ব্যবসায় বর্থ্য হয়ে শুরু করেন শেয়ারহোল্ডারে মুরগীর ব্যবসা। মুরগীর ব্যবসাতেও আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হন তিনি। এসব ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্তের শিকার হয়ে স্থান ঠিকাদারি পেশায়ও তেমন সফলতা ধরা দেয়নি তার কাছে। সবকিছু মিলিয়ে অর্থনৈতিকভাবে অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েন তিনি। এসব ব্যর্থতা নিয়ে অনেকটা বেকার ও ভবে ঘুরছেন তিনি।তার পিতা শুক্কুর আলী ছিলেন একজন কৃষক, পারিবারিক ভাবে তেমন আর্থিক সচ্ছল না থাকলে ও বিএনপির এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা তানভীর ছিদ্দিকীর আর্শীবাদ পৃষ্ঠে হয়ে কালিয়াকৈর পৌরসভার প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ায় যেন তার হাতে আলাদিনের চেরাগের দেখা মেলে।এরপর আর পিছনে ফিরে থাকাতে হয়নি।

২০০৪ সালে জোট সরকারের আমলে বিএনপি নেতা হওয়ার সেই সুযোগে কালিয়াকৈরের পৌর প্রশাসক নিয়োগ পান তিনি। পৌর প্রশাসক নিয়োগ পাওয়ার পরে ভবে ঘুরা মুজিবুরের একক আধিপত্য বিস্তার ও পৌরসভার সব কাজ চলে আসে তার নিয়ন্ত্রণে। এরপরে হুহু করে বাড়তে থাকে সম্পদের পরিমাণ। পৌরসভার সকল উন্নয়নমূলক কাজ তার নিজস্ব ঠিকাদার দিয়ে করিয়ে সরকারি কোটি কোটি টাকা লোপাট করেছেন। পৌরসভার এ পদটি যেন তার জন্য আলাদীনের চেরাগ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০০১ সালে কালিয়াকৈর পৌরসভাটি গঠিত হলেও মামলা জটিলতার কারণে সকল কর্মকাণ্ড স্থগিত থাকে। ২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের সময় প্রভাবশালী নেতা চৌধুরী তানভীর সিদ্দিকীর হাত ধরে কালিয়াকৈরের পৌর প্রশাসক হন মুজিবুর রহমান। পৌর প্রশাসকের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি নিজেে ধরে রাখতে নিজের লোক দিয়ে ফের নির্বাচন স্থগিত করে রাখতে নির্বাচনী এলাকার সীমানা জটিলতা দেখিয়ে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় পৌরসভার নির্বাচন দীর্ঘদিন বন্ধ রেখে নিজের একক আধিপত্য বিস্তার ধরে দুই হাতে কামিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকার পৌরসভার যাবতীয় কাজ । ২০১১ ও ২০২২ সালে তিনি টানা দুই দুই বার নির্বাচনে বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হন। দীর্ঘদীন একটানা ক্ষমতায় থাকার কারণে পৌর এলাকায় একক ছত্রছায়ায় নামে বেনামে শতশত বিঘা জমি কিনেছেন তিনি। তার এসব কেনা জমি বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকদের মোটাংকের টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে ও দেন বিভিন্ন শিল্প কারখানা মালিকদের কাছে। সরকারি বনের জায়গা দখল করে পরবর্তীতে সে জমি শিল্পকারখানার মালিকের কাছে জবর দখল বিক্রী করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,কালিয়াকৈর পৌরসভার বক্তারপুর এলাকায় সরকারি বনের জায়গার ভিতরে মেয়রের রয়েছে ২৫০ শতাংশ জমি। একই এলাকায় কালামপুর মডেল পাবলিক স্কুল সংলগ্ন রেললাইনের পাশে রয়েছে ১১০ শতাংশ জমি। এছাড়া পৌরসভার জমিদারবাড়ীর পাশে শ্রীফলতলী ইউনিয়ন পরিষদের পশ্চিম পাশে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাথে শ্রীফলতলী মৌজায় মেয়রের আস্থাভাজন মো.আকরাম আলী গংয়ের নামে ১৭৪ জমি রয়েছে মেয়রের। যার এস.এ নং-১১,আর.এস নং- ২৩০, এস.এ নং-২০ ও আর.এস নং-৮১,। পৌরসভার ছোট লতিফপুর সোহেল মিয়ার বিল্ডিংয়ের সাথে রয়েছে ১৫০ শতাংশ জমি, একই এলাকায় লতিফপুর বাগানবাড়ীর সাথে রয়েছে তার ১৫০ শতাংশ জমি,পৌরসভার কালিয়াকৈর বাজার সোনালী ব্যাংকের সাথে ৪ তলা ভবন,কালিয়াকৈর বাজার মেইন রোডের সাথে রাবেয়া সখিনা ক্লিনিকের সাথে লাগোয়া ৫ তলা ভবন এবং হাসপাতালের পেছনে রয়েছে ৫৫ শতাংশ জমি। এছাড়া কালিয়াকৈর পৌরসভার রেললাইনের সাথে লাগোয়া ৩৫০ শতাংশ জমি রয়েছে মেয়র মুজিবুর রহমানের।
,কালিয়াকৈর পৌরসভার সফিপুর বাজার সংলগ্ন কৃষি ব্যাংকের উত্তর পাশে ৬ তলা ভবন রয়েছে মজিবুরের। পৌরসভার চান্দরা হরিণহাটি জামে মসজিদের পূর্ব পাশে রয়েছে ৭ তলা ভবন এবং এ মসজিদের সাথে লাগোয়া ৫ তলা ভবন। এছাড়া চান্দরা সাভার-টাঙ্গাইল বাইপাসের সাথে রয়েছে ১৫০ শতাংশ জমি। চান্দরা পল্লিবিদ্যুৎ লিভাটী ফ্যাক্টরির সাথে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন ৫ তলা ডুপ্লেক্স বাড়ি।যার আনুমানিক মূল্য ১০ কোটি টাকার ও ওপরে। এ ছাড়াও নিজের স্ত্রী আজমেরী বেগমের নামে বিভিন্ন এলাকায় কয়েকশত একর জমি কিনেছেন তিনি।শুধু তাই নই তার অধিকাংশ সম্পদ নিজের নামে নই কিনেছেন স্ত্রীর নামে। এমনকি তার বাড়ির কাজের লোকের নামে জমি কিনেছেন বলে এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে। এছাড়াও মুজিবুর রহমানের কালিয়াকৈর পৌরসভার লতিফপুরের থানার পাশে এস.টি টাওয়ার নামের ১১ তলা বিশিষ্ট ভবনের কাজ বর্তমানে চলমান