খুলনা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ আয়োজন করে খুলনা ১৯৯তম গাঙচিল সাহিত্য সম্মেলন।
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ২শতাধিক কবি সাহিত্যিক সসম্মানে অংশ গ্রহণ করেন। সম্মেলনটি দুই পর্বে বিভক্ত হয়। প্রথম পর্বে প্রফেসর ড. হানিফ মল্লিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা ওয়াশার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং উদ্বোধক ছিলেন আমেরিকা প্রবাসী কবি সালেম সুলেরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সৈয়দ আশরাফ আলী, খুলনা কবি সাহিত্যিক ফোরামের সদস্য সচিব আজাদুল হক আজাদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গাঙচিল খুলনা মহানগর সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিপু। গাঙচিল উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করে শ্রেয়শী মন্ডল।
দ্বিতীয় পর্ব ছিলো সমাপনী পর্ব। ২য় পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকার জনপ্রিয় কবি ইমরোজ সোহেল। প্রধান আলোচক ছিলেন প্রখ্যাত কবি বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি আবু সুফিয়ান খান ও খুলনা সাহিত্যের একাল-সেকালের উপর বক্তব্য রাখেন সাহিত্য সমালোচক অধ্যাপক শেখ আজিজুল ইসলাম টিপু। এপর্বে সভাপতিত্ব করেন সোনালী ব্যাংকের এজিএম কবি মফিদুল ইসলাম।
দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্বে বক্তব্য রাখেন গাঙচিলের স্থায়ী সদস্য অধ্যাপক সবুরন নেসা, মঙ্গলা থেকে জগবন্ধু ঘরামী, বাগেরহাট গাঙচিলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব সৈয়দা তৈফুন নাহার, গাঙচিল সাহাপুর শাখার সভাপতি দীনেশ চন্দ্র মন্ডল, গাঙচিল তেরোখাাদার সভাপতি শরিফ ইমরুল হক, আলমডাঙ্গা সভাপতি জামিরুল রহমান জামির, মংলা গাঙচিলের সভাপতি জেমস শরৎ কর্মকার, দিঘলিয়া গাঙচিলের সভাপতি হুমায়ুন কবির, তালা গাঙচিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম মোল্লা, খান জাহান আলী থানা শাখার সভাপতি এসএম আব্দুর রহমান, বটিয়াঘাটা শাখার সহ-সভাপতি ভগবতী গোলদার, রূপসা গাঙচিলের সভাপতি শেখ মুনসুর রহমান, গাঙচিল ঢাকা মহানগর সভাপতি আনিসুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক কবি শাহী সবুর।
খুলনা’য় ‘গাঙচিল সম্মাননা’ পেলেন কবি-সম্পাদক সালেম সুলেরী। তুলে দেন খুলনার সাবেক মেয়র, ওয়াসা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। উৎসবটি উদ্বোধন করেন কবি-সম্পাদক সালেম সুলেরী।
মহীউদ্দিন আহমেদ স্মৃতি গাঙচিল সম্মাননা পান খুলনার বর্ষীয়ান শিশু সাহিত্যিক আশরাফুন্নেসা দুলু, খুলনার গবেষক সৈয়দ আশরাফ আলী, নজরুল গবেষক প্রফেসর আবদুল মান্নান, বিশিষ্ট সাহিত্য সংগঠক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, মানবতাবাদী ব্যক্তিত্ব ডা. শেখ ইউনুস আলী ও কবি সালেম সুলেরী।
এস এম রইজ উদ্দিন আহমেদ স্মৃতি গাঙচিল সম্মাননা পান : আলমডাঙ্গা থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল কাদের, বাগেরহাটের সাহিত্য সংগঠক জাকির হোসেন, তেরোখাদা থেকে কবি ক্বারী মৌ:মো: লুৎফর রহমান, খুলনা থেকে সাহিত্য পৃষ্ঠপোষক জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিপু, কবি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান খান, দীঘলিয়া উপজেলা থেকে কবি নজির আহমেদ, ঢাকা থেকে কবি ইমরোজ সোহেল, ঢাকা থেকে সাহিত্য সংগঠক শিহাব রিফাত আলম ও মেহেরপুর থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মুজাম্মেল হক।
এ সম্মেলনে তাৎক্ষণিক কবিতা লেখা প্রতিযোগিতায় ১ম: শ্রী গৌরদাস বিশ্বাস, ২য়: কৃষ্ণ পদ গায়েন, ৩য়: শেখ মুনসুর রহমান, তপতী বিশ্বাস বুলি।
সম্মেলনে আলোচনা, কবিতা ও গানে গানে অংশ নেন: অলকেশ মন্ডল, জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিপু, হামিদা খানম, সৈয়দ আলী হাকিম, কামরুল হাসান মৃধা, মাহফুজা চৌধুরী রুনা, কৃষ্ণপদ গায়েন, জামান মোড়ল, শেখ মনিরুজ্জামান লাভলু, নাসিমা সুলতানা শিউলি, ইব্রাহিম মনির, দিপু মন্ডল, ডাক্তার মাহবুব আলম, শাহী সবুর, মহিদুর জামান, মোঃ মোজাম্মেল হক, মোঃ আব্দুল কাদের, লতিকা সরকার, অ্যাডভোকেট কাজী রুনিসা রুমু, ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল হাসান, স্বদেশ সরকার, শ্রীগৌর পদ বিশ্বাস, গোলাম রসুল খোকন, ইরানি পারভিন, ইসরাত আলিফ ইমি, সুপ্রীতি সরকার, এ এস এম আলতাপ হোসেন, জুলিয়া পারভীন সুমী, আহমেদ মনন, সাইফুল ইসলাম, ফরহাদ কাদির, মোহাম্মদ জামিল আহমেদ, আজাদুল হক আজাদ, মিনা রবিউল, আলমগীর হুমায়ুন, এম এম হাসান, এস কে রানা আহমেদ, তারিক সুমন, বদিউল আলম চৌধুরী, নাজমুল তারেক তুষার, কাউসারী জাহান মঞ্জু, মোহাম্মদ জিনারুল ইসলাম, শাহানা বেগম, কামাল হোসেন জোয়ার্দার, মোঃ বাশারুল ইসলাম, রেশমা কাদির রিমি, শরিফ ইমরুল হক, উম্মে সালমা, মোঃ হুমায়ুন কবির, সোনালী বসু, ইসমাইল সেখ, গাজী জাফর ইকবাল, সমীর কুমার সাহা, মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, কেন্দ্রীয় বিভাগীয় সমন্বয়ক মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, মোহাম্মদ টিটাবুজ্জামান, শিব প্রসাদ সরকার, ডাক্তার মোঃ রোমান হোসেন নাঈম, আলামিন শরীফ, রাসেল বিশ্বাস, শেখ শিমুল হাসান, কারী মৌলভী লুৎফুর রহমান, মোঃ সৌকত আলী, লিপিকা পাত্র, তাহিদ শেখ, মহিউদ্দিন জাবেদ, এম এইচ রহমতুল্লাহ, আশিকুল ইসলাম তোহা, টিএম গোলাম মোস্তফা, মোল্লা মাকসুদুর ইসলাম, মাস্টার নজির আহমেদ, আব্দুস সামাদ, শেখ লোকমান হোসেন, হাফিজা খাতুন, শরিফুল ইসলাম তরফদার, মোঃ হুমায়ুন কোবির, সিকদার লাভলু, মো:শহিদুল ইসলাম, হাদিউজ্জামান, শফিকুর রহমান, খান আকসির আহমদ, প্রদীপ কুমার আইচ, সাজ্জাদ হোসেন, শামীম হাচান, জেমস শরৎ কর্মকার, ইমাম হাসান কবীর, জগবন্ধু ঘরামি, সাজেদা পারভীন সাজু, মোঃ সোহেল রানা রাজু, অসীম কুমার সাহা, দীনেশ চন্দ্র মন্ডল, ডাক্তার মোঃ আশরাফ গোলদার, ইকবাল হোসেন বিশ্বাস, কল্যানা আশিস মজুমদার, সুমন বিপ্লব, জাহানারা বিথী, একরামুদৌলা, অ্যাডভোকেট বাহালুল করিম, সোহেল রানা, হাবিবুর রহমান মজুমদার, এডভোকেট আব্দুল আলীম, অনিক, দিলরুবা ইয়াসমিন কলি, সবুরন নেসা, ঐশ্বর্য মল্লিক, খাইরুল আলম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন শাহজাহান মুরাদ। উপস্থাপনা সহযোগী ছিলেন কাজী রুমিসা রুমু, সাজেদা বেগম সাজু, জুলিয়া পারভীন সুমি, ঐশর্য মল্লিক ও সাংস্কৃতিক পর্ব পরিচালনা করেন সেখ এম জাহের ডাবলু।







