, ,

আলোকিত এক বিচারপতির কথা

নিউজটি শেয়ার করুন

ছায়া সুনিবির এক শান্ত গ্রাম বনমালীপুর, বোয়ালমারী থানার ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
১৯৪৫ সালের ১৯ জুন ফরিদপুরের বনমালীপুরে জন্ম গ্রহণ করেন মিয়া বাড়িতে বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া । বর্তমানে তার বয়স ৮১ বছর। তার পিতার নাম মরহুম আব্দুল মাজেদ মিয়া, মাতা তকিবন নেসা। তিনি শুধু একজন সফল বিচারপতিই নয় একজন সমাজসেবক, লেখক, সংস্কৃত মনা, সংগঠক এবং মহান ১৯৭১ এর একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বি.এ অনার্স (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এম এ ডাবল (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) ও পাবলিক এ্যাডমিনিস্ট্রেশন এল . এল. বি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বি.সি. এস (জুডিসিয়াল) ডিপ্লোমা ডিগ্রী ইন. ল ফরম কেনিয়া স্কুল অব ‘ল’ নাইরোবি। পাবলিক এ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইন দিল্লী। ‘ল’ ডিগ্রি ইন পি. এ. টি. সি ( সাভার) ল সার্টিফিকেট এন্ড জুডিসিয়াল এ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইনিস্টিউট অব ঢাকা। তার বর্তমান ঠিকানা যেখানে তিনি বসবাস করেন মিরপুরের রুপনগর আবাসিক এলাকায় ঢাকা। তিনি এ যাবৎ আইনের উপর দুইশত বই লিখেছেন এবং ধর্মীয় বই লিখেছেন ত্রিশটির উপরে। দেশে ও জনগণের মঙ্গলময় চিন্তায় নিমগ্ন থাকেন তিনি। তার ধারনা দেশের অর্থনৈতিক, বিচারিরক, সামাজিক, উন্নয়ন দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বর্তমানে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সভাপতি, বাংলা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও মুসলীম ফাউন্ডেশনের সভাপতি হিসেবে মানবিক দায়িত্ব পালন করছেন অবিরতভাবে।তিনি অন্তত দয়ালু ধার্মিক ও উদার মানুষ। তার নিজ গ্রামে একটি রেলওয়ে স্টেশন করেছেন মানুষের যাতায়াতের জন্য। শিক্ষার অগ্রগতির জন্য একটি হাইস্কুল এবং একটি প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করেছে। তার মতে তরুণ প্রজন্ম জাতির মেরুদন্ড। তাদের শিক্ষা, কর্ম প্রশিক্ষনের উন্নতির মাধ্যমে ভবিষ্যতে তারা দেশের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। এমন মহতী আলোকিত মানুষ আমাদের সমাজে সত্যিই বড় দুর্লভ এবং ব্যতিক্রম। আমরা সাধারণ মানুষ তার দীর্ঘায়ু কামনা করি। তার জ্ঞানের কলম ও বাণী দিক হতে দিগন্তে ছড়িয়ে পড়ুক এই প্রত্যাশা রইল সময়ের কাছে।