, ,

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ ঘোষণা: ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান মনোনীত।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার ২০২৬ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ঘোষণা করেছে। এ বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি (মরণোত্তরসহ) এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় উল্লেখযোগ্য হিসেবে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর), যাকে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়াও সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত, ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান লিনু এবং সমাজসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর) সহ বিশিষ্ট গুণীজনরা এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পিকেএসএফ, এস ও এস চিলড্রেন ভিলেজ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য এই গৌরব অর্জন করেছে। আগামী প্রজন্মের জন্য এই গুণীজন ও প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান এক চিরন্তন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
গণঅধিকার পরিষদ নেতার অভিনন্দন ও বিশেষ শ্রদ্ধা
গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মাসুম এক বিবৃতিতে স্বাধীনতা পুরস্কার বিজয়ী সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিশেষ করে বেগম খালেদা জিয়া, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মাহেরীন চৌধুরীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে তিনি একটি বিশেষ বক্তব্য প্রদান করেন।
নিউজ ফরম্যাট নিচে দেওয়া হলো:
‘দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের মূল্যায়নই আগামীর অনুপ্রেরণা’ — মনিরুল ইসলাম মাসুম
ঢাকা: স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ ঘোষণা করায় সন্তোষ প্রকাশ করে বিজয়ী ও মনোনীতদের অভিনন্দন জানিয়েছেন গণঅধিকার ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মাসুম। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ গুণীজনদের অবদানের কথা তুলে ধরেন।
মনিরুল ইসলাম মাসুম বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ্‌! দক্ষ ও সঠিক নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে আমাদের প্রিয় স্বদেশ। এবারের স্বাধীনতা পুরস্কারে যোগ্য ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করা হয়েছে। বিশেষ করে, আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে (মরণোত্তর) গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষায় তাঁর অবদানের জন্য এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান জাতি হিসেবে আমাদের গর্বিত করেছে। তাঁর আদর্শ আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চিরস্থায়ী শক্তি।”
তিনি আরও বলেন, “জনসাধারণের চিকিৎসক খ্যাত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর) আজীবন শোষিত মানুষের পক্ষে লড়েছেন। তাঁর এই স্বীকৃতি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইকে মহিমান্বিত করবে। পাশাপাশি মাইলস্টোন কলেজের প্রিয় শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরীর (মরণোত্তর) সমাজসেবামূলক কাজের স্বীকৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে সেবার অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”
মনিরুল ইসলাম মাসুম এই সকল গুণীজনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশ গঠনে তাঁদের দেখানো পথ অনুসরণের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।