, ,

রিংকু কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

নিউজটি শেয়ার করুন

এটলাস লজিস্টিক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিংকু কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে জাল সনদ ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল এক গণমাধ্যম কর্মী এব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। রিংকু কুমার বড়ুয়া নিজেকে পরিচয় দেন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শীর্ষ নেতা, ব্যবসায়ী সংগঠক ও ও বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে। শুধু তাই নয়, আইন ও মানবাধিকার সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন নামে একটি সংস্থার গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর অব পিস এন্ড হিউম্যানিটি হিসাবে পরিচয় দেন বিভিন্ন মহলে। যার আইডি নং-এইচকিউ ০১৬৭১১/২২ কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশনের কাছে মেইল করা হলে তারা রিংকু বড়য়াকে প্রতারক বলে আখ্যায়িত করেন। পরবর্তীতে পরিষ্কার জানা যায়, এতসব ভুয়া পরিচয়ের আড়ালে তার মূল কাজ চাঁদাবাজি ও প্রতারণা। জানা গেছে, রিংকু বড়য়া মানবাধিকার সংস্থার জাল সনদ ও পরিচয়পত্র দেখিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ধনাঢ্য ব্যক্তি, শিল্পপতিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের টার্গেট করে সখ্যতা করতেন। নিজেকে ভিভিআইপি পরিচয় দিয়ে নানান সুযোগ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করতেন।

অধিকতর অনুসন্ধানে  জানা গেছে, এনবিআরের কর্মকর্তাদের কাছে নিজেকে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া ছাত্র পরিচয় দিয়েও প্রতারণা করেছে। সরকারি আমলা, ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা ও উপদেষ্টাদের সাথে ছবি উঠিয়ে নিজেকে জাহির করতেন। এছাড়াও ভুয়া পরিচয়ে নিজের গাড়ীতে ভিআইপি হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করেন এবং এয়ারপোর্টেও ভিআইপি সুবিধা গ্রহণ করেন তিনি। উল্লেখ্য উল্লেখ্য যে, যে, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে তার ছবি দেখিয়ে, আন্ত র্জাতিকভাবে নিজের অবস্থান দেখিয়ে বিভিন্নজনের কাছ থেকে তদবির বাণিজ্যে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের এক নেতা বলেন, রিংকু বড়ুয়ার প্রতারণার বিষয়ে অনেকেই অভিযোগ করছেন। গণমাধ্যমে এসকল বিষয় দিনের পর দিন উঠে আসছে। আমাদের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অনেকেই তাকে অপছন্দ করেন। তবে আমরা কোন অন্যায়কারীর পক্ষে নই। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রিংকু বড়ুয়া কোন মন্তব্য করেন নি তবে প্রতিবেদকের ভিজিটিং কার্ড পাঠাতে অনুরোধ করেন। পরবর্তীতে প্রতিবেদকের সাথে সাক্ষাৎকার করে বক্তব্য দিবেন বলে জানান৷