, ,

বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ নেতা নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খানের দুর্নীতি সাতকাহন – পর্ব ০১

নিউজটি শেয়ার করুন

অনিয়মকে নিয়মে পরিনত, ঢাকায় ফ্ল্যাট, পটুয়াখালীতে আধুনিক বাড়ি, ধানি জমি, ঢাকার অদুরে বাগান বাড়ি, দামি গাড়ি, কি নেই তার।

আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সহচর ও অনিয়ম কে নিয়মে পরিনত করা এলজিইডি’র, নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান কক্সবাজারে যোগদানের পর থেকে একের পর এক অনিয়ম করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী মামুনের অনিয়ম ও দূর্নীতির অনুসন্ধানের ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের সম্পাদিত এবং চলমান সকল কাজের তথ্য চাইতে গেলে একজন সেনা সদস্যকে ব্যবহার করার সত্যতা পাওয়া গেছে। আওয়ামী দুসর মামুন তথ্য না দিয়ে বরং মোবাইলে এবং সরাসরি সেনাবাহিনীর একটি টিম পাঠিয়ে প্রতিবেদককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন।
সেনাবাহিনীর গুলিস্তান ক্যাম্পের কর্নেল আফজালুর রহমান পরিচয়ে বার বার হয়রানির করছেন বলে অভিযোগ করেন খোদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, তিনি জানান, গত দুই সপ্তাহ যাবৎ কক্সবাজারে এলজিইডি অফিসে তথ্য চাওয়াকে কেন্দ্র করে গুলিস্তান আর্মি ক্যাম্পের অফিসার পরিচয়ে’ আমার পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদক এম শাহীন আলমকে তাদের ক্যাম্পে গিয়ে অফিসারের সাথে দেখা করার জন্য মোবাইলে বার বার বলা হচ্ছে এবং সরাসরি আমার অফিসে এসে আর্মির একটি টিম আমার পত্রিকার সাংবাদিককে খোঁজা এক প্রকার হয়রানির শামিল।
তিনি জানান, যদি আমার প্রতিবেদক কিংবা পত্রিকার নামে কোন প্রকার অভিযোগ থাকে তাহলে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের জবাব চাওয়ার জন্য আর্মি অফিসারকে পরামর্শ দেওয়ার পরও তারা বার বার এম শাহীন আলমকে তাদের ক্যাম্পে গিয়ে দেখা করার তাগিদ দিয়ে যাচ্ছেন । ধারণা করা হচ্ছে কক্সবাজার জেলা এলজিইডি অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান তার নিজের অনিয়ম আর অপকর্ম আড়াল করতেই সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে সাংবাদিককে নিউজ না করতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন।

সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান যোগদানের পর থেকে একের পর এক অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি যোগদান করার পর থেকে

সেন্টমার্টিনে ৩ কোটি ২৬ লাখ টাকায় বঙ্গবন্ধু সড়কটি ইউনি ব্লকের কনকর্ড এর মতো কোম্পানির মাল দিয়ে করার কথা থাকলেও ওখানে ইটের কণা ও সাগরের বালু দিয়ে কিছু ব্লক বানিয়ে সড়কটিতে বসিয়েছে যাহা একেবারে নিম্নমানের। অনেকটা ঠিকাদারের সাথে নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান এর যোগসাজশের মাধ্যমে নিম্নমানের কাজ করে অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। স্থানীয় বিশেষ সূত্রে জানা যায়, সেন্টমার্টিনে সড়কের কাজে ব্যাপক অনিয়ম থাকলেও যে পরিমাণ কাজ হয়েছে তার তুলনায় এই কাজের সিংহভাগ অর্থই উত্তোলন করে তার হিসেব মিলাতে নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান একের পর এক অজুহাত খোঁজে নিজেকে সেইভ করতে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে অনিয়ম থেকে রেহাই পাওয়ার জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।

কক্সবাজার জেলার এলজিইডির কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তার মধ্যে চকরিয়া এবং টেকনাফের সেন্টমার্টিনে রাস্তা সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম, উখিয়া উপজেলা ও কুতুবদিয়াতে রাস্তা এবং আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণেও অনিয়মের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। আরো জানা যায়, কক্সবাজার টেকনাফ এর সেন্টমার্টিনে ৩ কোটি ২৬ লাখ টাকায় বঙ্গবন্ধু সড়কটি ইউনি ব্লকের কনকর্ড এর মতো কোম্পানির মাল দিয়ে করার কথা থাকলেও ওখানে ইটের কণা ও সাগরের বালু দিয়ে কিছু ব্লক বানিয়ে সড়কটিতে বসিয়েছে যাহা একেবারে নিম্নমানের এবং হাস্যকর। অনেকটা ঠিকাদারের সাথে নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান এর যোগসাজশের মাধ্যমে নিম্নমানের কাজ করে অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। স্থানীয় বিশেষ সূত্রে জানা যায়, সেন্টমার্টিনে সড়কের কাজে ব্যাপক অনিয়ম থাকলেও যে পরিমাণ কাজ হয়েছে কাজের তুলনায় এই কাজের সিংহভাগ অর্থই উত্তোলন করে তার হিসেব মিলাতে নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান একের পর এক অজুহাত খোঁজে নিজেকে সেইভকরতে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে অনিয়ম থেকে রেহাই পাওয়ার জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, উখিয়ায় রাস্তা এবং ছোট ছোট পুল-কালভাট নির্মাণে উপজেলা প্রকৌশলী এবং নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজশে ঠিকাদাররা কাজ অসম্পূর্ণ রেখে এবং রাস্তার কাজে তিনটি লেয়ারে কাজ করার কথা থাকলেও নির্বাহী প্রকৌশলী ও উপজেলা প্রকৌশলীর যোগসাজশে একটি লেয়ার কাজ না করেও ঠিকাদাররা প্রকৌশলীদের বিশেষ সুবিধায় দিয়ে সহজে বিল পেয়ে যায়।

অভিযোগ রয়েছে নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান তার উপরের অফিসারদের অনুমতি না নিয়েই প্রতি সপ্তাহে কক্সবাজার থেকে ঢাকা সহ বিভিন্ন জায়গা যাচ্ছেন যা সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করার শামিল। এল জি ই ডি অফিসে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খানের মাসিক বেতন ভাতা কত? তিনি কি করে সপ্তাহে দুই তিনবার কক্সবাজার থেকে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিমানে যাতায়াত করে। যা কক্সবাজার বিমান বন্দরে সিসিটিভি ফুটেজের তার সকল তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে৷
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান প্রতিবেদককে বলেন,
উল্লিখিত কাজসমুহ বাস্তবায়িত হয়েছে / বাস্তবায়নাধীন যা সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করলে নিশ্চিত হতে পারবেন। আর অন্যান্য বিষয় সমূহ মনগড়া।

নির্ভরযোগ্য সুত্র নিশ্চিত করে বর্তমানে নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান কে বদলি করে প্রধান কার্যালয়ে চেয়ার টেবিল হীন অবস্থায় রাখা হয়েছে৷ তাছাড়া ক্ষমতার বলয়ে পছন্দ মতো জায়গায় পোস্টিংয়ের জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।