, ,

দুর্নীতির বরপুত্র এলজিইডির প্রকল্প পরিচালক সাজ্জাদ কবির!

নিউজটি শেয়ার করুন

এলজিইডি’র সি টি সি আর পি প্রকল্পে চলছে হরিলুট। পর্ব -০২

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির সি টি সি আর পি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সাজ্জাদ কবির এর অনিয়ম ও দূর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সংবাদটি সরিয়ে ফেলতে বিভিন্ন মহল থেকে হুমকি ও ক্রমশ চাপের মধ্যে আমাদের হাতে আসে এক চাঞ্চল্যকর ডকুমেন্টস।

মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই ডিপিপি সংশোধন না করে কভিড নাইন্টিন প্রকল্পের এবং কুয়েত ফান্ড প্রকল্পের রাস্তা ও ড্রেইন কে CTCRP প্রকল্পের কাজ বলে উপস্থাপন করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে, প্রকল্প পরিচালক ও উপ প্রকল্প পরিচালক জোবায়দা আক্তার।

আর ডি ওয়ান এর প্রায় ১১ টি প্রকল্পে ৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন প্রকল্প পরিচালক সাজ্জাদ কবির ও ডিপিডি জোবায়দা আক্তার সিন্ডিকেট।

প্রকল্প পরিচালক এর সিন্ডিকেট সদস্য জোবায়দা আক্তার, পটুয়াখালী পৌরসভার এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সোলায়মান এবং সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান পলাশ।(eGP/CTCRP/PTUA/RD-01) রোড-01 প্যাকেজের, সাব-প্যাকেজ C-3 এর প্রটেকশন ওয়ার্ক এর কাজ না করে ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে।

(eGP/CTCRP/PTUA/RD-01) রোড-01 প্যাকেজ এর সাব প্যাকেজ ডি ওয়ান এর ৪৩৫ মিটার কাজের ২০০ মিটার সমাপ্ত করে প্রকল্পের পুরো ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং পটুয়াখালি পৌরসভার CTCRP প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি প্যাকেজের ইনভাইরমেন টেস্ট এর নামে ৯৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা কাজ না করে শুধু মাত্র কাগজ পত্র দেখিয়ে আত্মসাৎ করে।

(eGP/CTCRP/PTUA/RD-02)রোড টু প্যাকেজ এর সাব প্যাকেজ সি ওয়ান এর ডাবল লেন রোড এর জায়গা সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব থাকায় ১০০ মিটার কাজ না করেই ৫৫ লাখ টাকা , সি টু এর সাব প্যাকেজ ৭৮০ মিটার এর মধ্যে ৪০০ মিটার কাজ করে ৪ কোটি ৯০ লাখ টাকার ,পুরো বিল তুলে নেওয়া রোড টু এর প্যাকেজ সাব-প্যাকেজ ই ওয়ান ইউনিব্লক রোড ৪৪০ মিটার কাজের ১৫০ মিটার সমাপ্ত করেই ৭০ লক্ষ টাকার পুরোটাই বিল তুলে নেয় করে এই সিন্ডিকেট।

রোড- টু প্যাকেজের সাব-প্যাকেজ জি ওয়ান এর ড্রেন সহ রোড এর কাজে ৬ ইন্চি WBM লেয়ারের কাজ না করে সাব বেজ লেয়ার করেই ইউনিব্লক রোড কমপ্লেইট করা হয়, এবং একই রোডের সঙ্গে ড্রেনের টপ স্লাব, বটম স্লাব, সাইড ওয়ালের থিকনেস ৭ ইঞ্চি হওয়ার কথা থাকলেও ৪ ইঞ্চি করে প্রায় ২ কোটি টাকা বিল তুলে নেওয়া হয়।তাছাড়া ইনভারমেন্ট টেস্ট না করে শুধু মাত্র পেপার ওয়ার্ক করে ১১ লাখ ২৫ হাজার ( টোটাল জি টু প্যাকেজ) বিল তুলে আত্মসাৎ করেন সাজ্জাদ কবির।

(eGP/CTCRP/PTUA/DR-01)ড্রেন আইডি নাম্বার ১৪৩ এর ড্রেন ওয়ান প্যাকেজ এর ৬ নাম্বার সাব প্যাকেজ ৫৮০ মিটার কাজ না করে প্রায় ২ কোটি টাকা ,তাছাড়া একই কাজের ইনভারমেন্ট টেস্ট এর নামে পেপার ওয়ার্ক দেখিয়ে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা তুলে নেয়(eGP/CTCRP/PTUA/DR-02) ড্রেন আইডি নাম্বার ১২৯ এর ড্রেন টু প্যাকেজ এর ৪ নং সাব প্যাকেজ এ ২০০ মিটার ড্রেনের কাজে ৬৩ লাখ টাকা ড্রেন আইডি নাম্বার ১৬৯ এর ড্রেন টু এর সাব প্যাকেজ ফাইভ এর ৬০০ মিটার ড্রেন এর কাজ না করে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা ড্রেন আইডি নাম্বার ১১৫ এর ড্রেইন-টু প্যাকেজের সাব প্যাকেজ টেন ২০০ মিটার ড্রেন এর কাজ না করে ৬৬ লাখ টাকাআইডি নাম্বার ১৬৪ এর ড্রেন টু এর সাব প্যাকেজ ৩০০ মিটার ড্রেনের কাজ না করে ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন।

আইডি নাম্বার ১২৭ এর সাব প্যাকেজ টুয়েলভ এর ২০০ মিটার ড্রেনের কাজ না করে ৬৭ লাখ টাকা , একই প্রজেক্ট এর ইনভারমেন্ট টেস্ট এর নামে পেপার ওয়ার্ক দেখিয়ে ১৩ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করা সহ(eGP/CTCRP/PTUA/DR-03) আইডি নাম্বার ২৪১ এর ড্রেন থ্রি প্যাকেজ এর সাব প্যাকেজ ফাইভ এর ৫০০ মিটার ড্রেনের কাজ না করে ১ কোটি ৮১ লাখ টাকা, আইডি নাম্বার ২৪৭ এর সাব প্যাকেজ সেভেন এ ৬৭৫ মিটার ড্রেনের কাজ না করে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা, আইডি নাম্বার ২৩৯ এর ৯ নাম্বার সাব প্যাকেজ এ ৮০০ মিটার ড্রেনের মধ্যে ৪০০ মিটার কাজ করেই ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা , আইডি নাম্বার ২৩৩ এর সাব প্যাকেজ টেন এ ৩৫০ মিটার ড্রেনের ২০০ মিটার কাজ করে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা, তাছাড়া একই প্রকল্পে ইনভাইরমেন্ট টেস্ট এর নামে পেপার ওয়ার্ক দেখিয়ে ১১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পরবর্তী পর্বে থাকছে আরো বিস্তারিত –