মোঃ অহিদ, স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ৪নং কড়িকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুরো এলাকায় বইছে নির্বাচনী হাওয়া।
নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে রাজনৈতিক তৎপরতাও তুঙ্গে উঠেছে, এর
মধ্যে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় পরিবর্তনের জোয়ার তুলে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ব্যাপক জনসমর্থন কুড়াচ্ছেন তরুণ ও জনপ্রিয় নেতা, তিতাস উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান সেলিম ভূঁইয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাধারণ মানুষের মন জয় করতে ও তাদের আস্থা অর্জনে কড়িকান্দি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। দলীয় পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি ছুটে যাচ্ছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে। খোঁজ নিচ্ছেন তাদের সুখ-দুঃখের এবং মিশে যাচ্ছেন আপনজনের মতো।
সাধারণ মানুষের সাথে বসে চা খাওয়া, হাসিমুখে কুশল বিনিময় করা এবং এলাকার উন্নয়নে তাদের মূল্যবান পরামর্শ নেওয়ার এই ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক সংস্কৃতি ভোটারদের মনে গভীর রেখাপাত করেছে।
এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ ও তরুণ সমাজের মতে, একজন প্রকৃত জনবান্ধব নেতা যেমন হওয়া উচিত, সেলিম ভূঁইয়া ঠিক তেমনই ‘মাটির মানুষ’ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।
ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাঁর সহজ-সরল জীবনযাপন, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এবং আন্তরিকতাপূর্ণ আচরণ এলাকাবাসীকে মুগ্ধ করেছে।
কড়িকান্দির সাধারণ জনগণ পরিবর্তনের প্রত্যয়ে ইতোমধ্যেই তাকে নিজেদের যোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন এবং তাকে ঘিরে এক ইতিবাচক ঐক্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তিতাস উপজেলার এই ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন তিতাস উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জনাব মেহেদী হাসান সেলিম ভূঁইয়া।
হোমনা-তিতাসের অভিভাবক এবং কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার সমর্থিত এবং বিএনপি মনোনীত এই প্রার্থীকে নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
”করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার ও সেবা নিশ্চিত করতে তিনি সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এলাকার সচেতন মহলের বিশ্বাস, সুখে-দুঃখে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা এমন একজন জনবান্ধব নেতার হাতেই কড়িকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নিরাপদ থাকবে এবং তিনি আগামী দিনে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে পুরোপুরি সফল হবেন।






