বগুড়া প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে গরিব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বিয়াম মডেল স্কুল ও কলেজ, বগুড়া।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিয়াম ফাউন্ডেশন আঞ্চলিক কেন্দ্র, বগুড়ার সহকারী পরিচালক মোঃ আরাফাত হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা আক্তার, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রমজান আলী আকন্দ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিয়াম ফাউন্ডেশন আঞ্চলিক কেন্দ্র, বগুড়ার পরিচালক (উপসচিব) মোঃ আলমগীর কবির। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিয়াম মডেল স্কুল ও কলেজ, বগুড়ার অধ্যক্ষ মুহাঃ মুস্তাফিজুর রহমান।
বিয়াম ফাউন্ডেশনের অধীনে সারা বাংলাদেশে মোট ৩৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে, যার মধ্যে স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় অবস্থিত ল্যাবরেটরি স্কুল রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা ও বগুড়ার বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ উল্লেখযোগ্য। জানা যায়, বগুড়ার বিয়াম মডেল স্কুল নিয়মিত বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদ সামগ্রী বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে।
বিতরণকৃত ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল পোলাও চাল, পেঁয়াজ, সয়াবিন তেল, চিনি, সেমাই, ডাল, লবণ, গুঁড়া দুধ, বাদাম ও কিশমিশ। প্রতিজনকে প্রায় ১ হাজার টাকার খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়। মোট প্রায় ৪০০ জন গরিব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মুহাঃ মুস্তাফিজুর রহমান জানান, স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত ইফতার বরাদ্দের অর্থ না নিয়ে তারা নিজেদের পকেট থেকে অর্থ যোগ করে সেই তহবিলের সাথে যুক্ত করেন। এরপর সেই অর্থ দিয়ে গরিব ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ঈদ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান বলেন, “ঈদ মানে আনন্দ ও খুশি। যারা অন্যের মুখে হাসি ফোটাতে পারে তারাই সমাজের প্রকৃত মানুষ।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিয়ামের এই উদ্যোগ দেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
অধ্যক্ষ মুহাঃ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ভবিষ্যতেও অসহায় মানুষের পাশে থাকার এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং সুযোগ পেলে আগামী বছর আরও বেশি মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
উপকারভোগীরা এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নতি কামনা করেন এবং অধ্যক্ষসহ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সংশ্লিষ্ট সকলের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।







