কুমিল্লা’এর দাউদকান্দি ঐতিহাসিক গৌরিপুর বাজার
সংগঠনের অভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা,
জবাবদিহিতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যবসায়িক কার্যক্রম, অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা হয়েছে,বর্তমান অনেক ব্যবসায়ী এই কমিটিকে অনিয়ম কমিটি ও পকেট কমিটি বলে মনে করেন, নিচে এই অনিয়মগুলোর একটি বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হলো
প্রধান অনিয়ম ও দুর্নীতির ক্ষেত্রসমূহ
ঐতিহাসিক গৌরিপুর বাজার কমিটি গঠন তালিকায় দেখা যায়:
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা, বাজারের নিরাপত্তা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি [গৌরিপুর ] এর নতুন বাজার কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে অত্যন্ত বিস্ময় ও উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা গেছে যে, ঘোষিত এই নতুন কমিটিতে এমন ২ জন ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য পদ দেওয়া হয়েছে, যারা বেশ কিছু দিন আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন। জীবিত যোগ্য ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে মৃত ব্যক্তিদের কমিটিতে রাখার এই ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হাস্যরস ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে
১ম মৃত সদস্য: আলী আশ্রাফ খান,প্রচার সম্পাদক কমিটির
২য় মৃত সদস্য: হারাধন বণিক, উপদেষ্টা,ব্যবসায়িক নয়
রেনু পাঠান – উপদেষ্টা, রেনু পাঠান -সহ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক,(১ ব্যাক্তি ২ টি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য পদে আছ)
আমির হোসেন-সহঃ সভাপতি, ফজলু মেব্বার -সহঃ সভাপতি, আওয়ামী ০৯নং ওয়াড সভাপতি
সিদ্ধান্ত গ্রহণে একনায়কতন্ত্র:
কমিটির সাধারণ সদস্যদের মতামতকে,উপেক্ষা করে, কোনো প্রকার সাধারণ সভা না ডেকেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন হয়,
একটি ব্যবসায়িক সংগঠনের মূল ভিত্তি হলো সততা ও পারস্পরিক বিশ্বাস। বর্তমান কমিটির এই অনিয়মগুলো দ্রুত কঠোর হস্তে দমন করা না হলে সংগঠনের অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়বে। আশা করা যাচ্ছে, পরিচালনা পর্ষদ এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।







