, ,

৫৪ নং পুরানা পল্টনের একটি মামলার ঘটনাবলির পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও দখলবাজদের ঘটনা তুলে ধরা হইল

নিউজটি শেয়ার করুন

নিশাদ মাহমুদ বনাম বিবাদীর দরখাস্তকারী।
বাদী আসাদুজ্জামান প্রতিপক্ষ দঃ কার্য বিধি আইনে‌ ধারা ১৪৪ মতে আবেদন।
বিবাদী দরখাস্তকারী নিম্ন রূপ।
বাদী বিবাদীর বিরুদ্ধে কোর্টে ডিগ্রি প্রার্থনা করেন ৪র্থ আদালতে মোকদ্দমা ২৮/২০০২ দায়ের করেন। যাহা বদলি সূত্রে সহকারি জর্জ ৪১/২০০২ মোকাদ্দমা রূপান্তরিত করেন। বাদী প্রতিপক্ষের উপর আইন আনুগ ভাবে সমন জারি না করিয়া এবং বিবাদীকে না জানাইয়া গোপনে ২৫ দিনের ভিতর কি অদ্ভুত বিচারক শত বছরে বিচার কাজ ও রায় হয়না কত মানি হানিতে ওই বিচারক হাবুডাবু খাইয়াছেন ২৫ দিনে রায় দিয়েছে ভালো কথা আমাদের দেশের বিচার জটে হাবুডাবু থাকায় যদি ওই বিচারক মরে ও যায় কবর থেকে তুলে এনে আমাদের বিচার জটকে মুক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হোক। ইহা কি তার নিজস্ব করা আইনের মাধ্যমে ১৯/২০০২ মোকদ্দমা দায়ের আদালতে ৮-১-২০০৩ তারিখে বিবাদীকে উচ্ছেদ করিয়া দখল প্রাপ্ত হয়। পক্ষান্তরে বিবাদী জানিতে পারিয়া ৪৫৬/২০০৩ মামলা দায়ের করেন। যাহা শুনানি ১০-১১-২০০৩ তারিখে মঞ্জুর হয় এবং ডিগ্রী রোহিত করিয়া পূর্ণ বিবেচনার নির্দেশ আদালত কর্তৃক প্রেরণ করা হয়। এবং এই মামলা চলমান রহিয়াছে। এবং ইহা স্থিতি অবস্থায় আদেশ হয়। এবং অদ্মাবধি বহাল রইয়াছে। বাদী গোপনে বিবাদী কে না জানাইয়া দখল ও ডিগ্রী নেওয়াতে তাহা হাইকোর্ট কর্তৃক রদ হয়। এবং সম্পত্তি পাইতে দখল হকদার কার্যকর করা হয়। ৪,৫,৬,৮,৯ পরবর্তীতে একটি বড় ঘর বা রুমে রূপান্তরিত করা হয়। এবং বাদীপক্ষ আর মামলা চালাইবে না ৩১-১২-২০০৮ তারিখে নিজ হস্তে সই করেন। ২০০৪ আগস্ট মাস পর্যন্ত ভাড়া দেওয়া আছে। পরবর্তীতে মোতয়াল্লী যুবকের সাথে ২৫ বছরের একটি চুক্তি করে। এবং ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলাইয়া ক্ষমতার দাপট দেখাইয়া বোমা, ছুরি, লাঠি, দা, বল্লম, আগ্নেয় অস্ত্র নিয়া দোকানপাট ভাঙচুর লুটপাট করিয়া জোর পূর্বক উচ্ছেদ করে। এবং এই ফ্যাসিস্ট সরকারের দখল ব্যক্তিরা যখন উচ্ছেদ করে তখনকার যুক্তরাজ্য প্রবাসী মতিন ছাড়া মোতয়াল্লী আসাদুজ্জামান সহ অন্যান্য দখলবাজরা উপস্থিত ছিল ২৫ বছরের চুক্তি ২০২৪ সালে বাতিল হইয়া যায়।
যেমন: জয়নাল আবেদীন ও আশরাফ আলী মোতয়াল্লী
মামলা H, R, CASE No: 480 Of 1983
Home Rent Rent Of Controler Dhaka
1. Munsef Court Rent Paper অনেক আছে।
১৭-৩-১৯৭০ জয়নাল – আশরাফ আলী
৯০০০/৭০০০ 7 March 1970 – 7000/2000 – Chaque 909209 – Date 24-3-1970 United Bank Topkhana Road এবং ইঞ্জেকশন জারির নোটিশ 71/01 Permanent 26-11-2008 – 24-4-2004 injection 41/02 – 39 Rull Of The Code Injection.
নিশাত সাহেব কর্তৃক হাইকোর্ট হইতে উচ্ছেদ না করার নোটিশ ও পরবর্তীতে এই ৫৪ পুরানো পল্টন ভবনের উপর ইমারত তৈরি না করার হাইকোর্ট হইতে নিষেধাজ্ঞা জারি যাহা আজও বলবৎ রহি আছে। মোতয়াল্লীর সাথে যুবকের ২৫ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৪ সালে শেষ হয়ে গিয়েছে। এরমধ্যে যুবক প্রায় তিন লক্ষ গ্রাহক হইতে বিল্ডিংটির নিজেদের দেখাইয়া হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়া সরিয়া পড়ে। গ্রাহকরা টাকা না পাইয়া তাহাদের নামে মামলা করে। মামলার পর সবাই পলাতক হইয়া যায়। বহু জনের নামে মার্ডার মামলা ও অনেক জনের নামে গ্রেফতারি ওয়ারেন্ট জারি হয়। দুঃখের বিষয় এরই মধ্যে ডাঃ হেলেনা মামলা করিয়া কোন সুফল না পাইয়া রোগে দুখে মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু বিগত ১৫ বছর যাবত এই ভবনটি যুবক পালাইয়া গেলেও যুবকের তিন কর্মকর্তা হোসাইন আল মামুন, মনির উদ্দীন, ও অন্য সংস্থার লোক জাকির হোসেন লিটু ও মূল কারিগর নজরুল ইসলাম, নাছরিন, নুরজাহান সহ আরো দখলবাজ ফ্যাসিস্ট চুক্তি ছাড়া ভাড়া দেখাইয়া দখল বাণিজ্য বজায় রাখিয়া প্রতিমাসে একেক জন ৪,৫ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করিয়া ফ্লাট বাড়ি গাড়ি জায়গা জমির মালিক বনিয়াছে। আইন কে তাহারা পকেটস্থ করিয়াছে। যেকোনো সরকার রাজনৈতিক দলকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাইয়া জবরদখল বজায় রাখিয়াছে। তাহারা ওয়াফার ৭ লক্ষ টাকা চাঁদা, সিটি কর্পোরেশনের ৩৭ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হোল্ডিং ট্যাক্স তিতাস গ্যাস 15 বছর যাবত ১ কোটি টাকার উপরে ফাঁকি দিয়া চলিয়াছে। এই চোর বাটপার চক্রকারী প্রতারক চক্র কে ও মোতয়াল্লীকে গ্রেফতার ও অপসারণ করিয়া মুক্ত করা হোক। আরো প্রকাশ থাকে যে তাহাদের নামে নিশাদ সাহেবের জিডি, প্রেসক্লাব কর্তৃক ১৪৫ ধারায় মামলা এবং দখল লুটপাট চাঁদাবাজির মামলা চলমান সাংবাদিকরা রিপোর্ট করায় হুমকি, হামলা মামলা জীবননাশের জন্য পল্টন থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এখন দেখা যাইতেছে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও কিভাবে দক্ষিণ দিকে সিঁড়ি ২ ভাগ করিয়া দক্ষিণ দিকে ইট বালু সিমেন্ট দিয়া সিঁড়ি ও ২ তলায় রুম করিতেছে। কাজ করার সময় যদি কোন পুলিশের গাড়ি আসিয়া থামে তখন ভাগিয়া যায়। কত বড় সাহস কোন ক্ষমতার বলে এই কাজগুলি করে তাহা দেখার বিষয়।
মনির উদ্দীন,
সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার।