
১৯৭১ সালের মার্চ মাসের ইতিহাস খণ্ডিতভাবে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। মার্চের ১, ২, ৩, ৭, ৯, ২৩ ও ২৬ তারিখের ঘটনা একে অন্যের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এদের কোনো একটি না ঘটলে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হতো না। স্বাধীনতা আসত না।
২ মার্চ প্রথম স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়েছে। ৩ মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষিত হয়। কিন্তু এই ইশতেহার আজও পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শাজাহান সিরাজ ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে লাখো জনতার সামনে স্বাধীনতার যে ইশতেহার পাঠ করেছিলেন তাতে গণতন্ত্র ছিল, সাম্য ছিল। কিন্তু দেশে আজ গণতন্ত্র নেই। সাম্য নেই। ক্ষমতাসীনরা আইনকানুন নিজেদের করে নিয়েছে। এ জন্য দেশ স্বাধীন করা হয়নি। যাদের শ্রমে-ঘামে এ স্বাধীনতা তাদের ইতিহাস পাঠ্যবইয়ে নেই। নতুন প্রজন্ম তাদের চেনে না।
২ ও ৩ মার্চ-কে আজো স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, শাজাহান সিরাজ ও আ স ম আবদুর রব না থাকলে স্বাধীনতা পিছিয়ে যেত। তাদেরকে বাদ দিয়ে ইতিহাস নির্মান আত্মপ্রতারনা ছাড়া কিছুই নয়।


