, ,

সড়ক—মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল ঠেকাও, মালিকপক্ষের শোষন, সড়কের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি বন্ধ করে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত কর-মোঃ গোলাম ফারুক 

নিউজটি শেয়ার করুন

গত ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ জাতীয় সংসদের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে একটি নতুন সরকার গঠিত হলেও আইন শৃঙ্খলার তেমন কোন উন্নতি পরিলক্ষিত হচ্ছে না। সড়ক—মহাসড়কে ব্যাপক অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি অব্যাহত রয়েছে। যার পরিনতিতে অসংখ্য তাজা প্রাণের অকালে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের পরিবারে গভীর শোকের ছায়া বিদ্যমান রয়েছে। সড়কে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা রোধ করতে না পারলে এখানেও বিপুল পরিমান মানুষের প্রাণহানির আশংকা থেকে যায়। আমরা সে কারণেই সরকার ও কর্তৃপক্ষকে সড়ক—মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য বারবার চালকরা দাবী জানিয়ে আসছে। সড়কের সকল কর্তৃপক্ষকে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে হবে। কারণ আমরা জানি একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না। এই কান্না রোধ করতে হলে নিরাপদ সড়কের কোন বিকল্প নাই। এ ব্যাপারে আমরা সংশ্লিষ্ট সকলকে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। এই সমস্যা সমাধানে জোর দাবী জানিয়ে আসছি।
আপনারা অবগত আছেন, ১৯৫৬ সাল থেকে অটোরিক্সা হালকাযান চালকগণ দিন—রাত যাত্রীসেবা দিয়ে আসছে। অটোরিক্সা “গরীবের এ্যাম্বুলেন্স” হিসেবে খ্যাত। দেশে লক্ষ লক্ষ চালকগণ দিন রাত অটোরিক্সা যাত্রী সাধারণকে “ডোর টু ডোর” যাত্রীসেবা দিয়ে থাকে। শ্রমিকগণ দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেও তেমন কোন স্বীকৃতি আজও মেলেনি। বেবিটেক্সী চালকগণ ১৯৬৯ সালে গণআন্দোলনের সূচনাকল্পে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ৬ ডিসেম্বর তৎকালীন লাট ভবন বর্তমান বঙ্গভবন ঘেরাও আন্দোলনে পুলিশ কর্তৃক গুলি ও টিআর গ্যাসে অনেকে আহত হয় এর প্রতিবাদে ৭ ও ৮ ডিসেম্বর ১৯৬৯ সালে ঢাকায় হরতাল পালিত হয়। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুুদ্ধে অনেক অটোরিক্সা চালক মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনেও এই শ্রমিকগণ অংশগ্রহণ করে। ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনেও শ্রমিকগণ অংশগ্রহণ করে অনেক শ্রমিক হতাহত হয়েছে। ২০০৭ সালে ২৭ মে পূর্বের মটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ কে সংশোধন করে ঢাকা—চট্টগ্রাম এর জন্য সিএনজি/পেট্রোল চালিত অটোরিক্সা সার্ভিস নীতিমালা প্রজ্ঞাপন এর মাধ্যমে জারি করে। অটোরিক্সা মালিকগণ নীতিমালা ও আইনের প্রতি বৃর্ধাঙ্গুল দেখিয়ে শুরু থেকে অতিরিক্ত দৈনিক জমা (টাকা) আদায় করে আসছেন। পুলিশ ও বিআরটিএতে লিখিতভাবে একাধিক অভিযোগ দেওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ কোন কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়না।
গাড়ীর মালিকগণ চালকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দৈনিক জমার নামে ২০০/— টাকা করে আদায় করে আসছে। গ্যারেজ ভাড়া, দারোয়ানের বেতন গাড়ী ধোয়ার নামে টাকা আদায় করে আসছে ২০০২ থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রামের অটোরিক্সা মালিকগণ চালকদের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রখ্যান্তরে চালকগণ ট্রাফিক পুলিশকে প্রতি মাসে মিটার মামলায় গড়ে একজন চালক গড়ে জরিমানা দেয় ২০০০/— টাকা। ঢাকা ও চট্টগ্রামের অটোরিক্সা চালকদের কাছ থেকে মামলা বাবদ শতশত কোটি টাকা জরিমানা বাবদ আদায় করে পুলিশ। গাড়ীর মালিকগণ চালকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জমার নামে হাতিয়ে নেওয়া অতিরিক্ত কোটি কোটি টাকা চালকদেরকে ফেরত দেওয়ার জন্য চালকগণ দাবী জানিয়ে আসছে। উল্লেখ্য যে, ২৬ অক্টোবর ২০০২ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সিএনজি চালিত অটোরিক্সার দৈনিক জমা ৩০০/— টাকা নির্ধারণ করে অতিরিক্ত টাকা কোন মালিক আদায় করলে গাড়ীর রুট পারমিট বাতিল করা হবে (কপি সংযুক্ত)।
দ্বিতীয় চুক্তি অনুযায়ী সিএনজি গাড়ীর দৈনিক জমা ৪৫০/— টাকা প্রজ্ঞাপন আকারে নির্ধারন করে, তারিখ: ২৭/০৫/২০০৭ (কপি সংযুক্ত)। তৃতীয় চুক্তি অনুযায়ী সিএনজি গাড়ীর দৈনিক জমা ৬০০/— টাকা প্রজ্ঞাপন নির্ধারন করে (কপি সংযুক্ত)। ৪র্থ চুক্তি অনুযায়ী গাড়ীর দৈনিক জমা নির্ধারণ করে ৯০০/— টাকা তারিখ: ২২/০৯/২০১৫ যাহা অদ্যবধি চলমান (কপি সংযুক্ত)। গত ০১/১১/২০২২ তারিখে বিআরটিএ সদর কার্যালয় এলেন বাড়ি তেজগাঁও গাড়ীর মালিক চালক নেতৃবৃন্দ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিআরটিএ এর পরিচালক মহোদয়ের সভাপতিত্বে সভায় চুক্তিতে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে যাহাতে উল্লেখ আছে সরকারের নির্ধারিত অতিরিক্ত জমা টাকা আদায় করা যাবে না। গাড়ীর দৈনিক জমা বিষয়ে একাধিকবার ত্রিপক্ষীয় চুক্তি ও বৈঠক হয়েছে। চালকগণ দৈনিক অতিরিক্ত টাকা মালিকগণকে দিয়ে আসছেন। এছাড়াও গ্যারেজ ভাড়া দারোয়ানের বেতনসহ গাড়ী ধোয়ার নামে টাকা আদায় করে আসছে। এ সকল অনিয়মের বিষয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় বিআরটিএ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট আবেদন করা হয়েছে এবং শ্রমিকগণ একাধিকবার আন্দোলন সংগ্রাম বিক্ষোভ মিছিল করে আসছেন। তারপরও মালিকদের এই অনিয়ম বন্ধ করা যায়নি। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৩৫ ও ৮১ তে বলা হয়েছে কোন মালিক অতিরিক্ত টাকা আদায় করলে ইহা হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং ৬ মাসের যে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে এ বিষয়ে গত ২৬/০১/২০২৬ তারিখে বিআরটিএ এর প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিন) স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনা পুলিশ কমিশনার বরাবর অনুলিপি: ১। সিনিয়র সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ২। পুলিশ মহাপরিদর্শক, বাংলাদেশ পুলিশ, ঢাকা। ৩। মহাপরিচালক, শ্রম অধিদপ্তর, ঢাকা। ৪। পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট), বিআরটিএ সদর কার্যালয়, ঢাকা, ৫। সিনিয়র সচিবের একান্ত সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, ঢাকা। গত ০৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিআরটিএ সদর কার্যালয় ইঞ্জিন শাখা থেকে অটোরিক্সা চলাচল নীতিমালা ২০০৭ লঙ্গনকারী অটোরিক্সা মালিকের বিরুদ্ধে ভ্রামমান আদালতের মাধ্যমে আইন ও বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করে উপ পরিচালক (ইঞ্জিন) স্বাক্ষর করে পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) বিআরটিএ দপ্তরে প্রেরণ করে যাহা অদ্যাবধি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি (কপি সংযুক্ত)। এমতাবস্থায় মালিকগণের অতিরিক্ত টাকা আদায়ের জন্য চালকগণ রাজপথে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে। এর দায়—দায়িত্ব প্রশাসনের উপর বর্তায়।
গণপরিবহনে নিয়োগপত্র আইন হয়েছে ১৯৮০ সালে, শ্রমবিধি হয়েছে ১৯৮২ সালে, আইনে উল্লেখ আছে যে, বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ বাংলাদেশ গেজেট ৪৭ আইনে ১৩(২) ধারায় শ্রম আইন ২০০৬, ৪২ আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র ব্যতিত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন চালককে গাড়ী চালাতে দিতে পারবে না। শ্রমিকদের নিয়োগপত্র ছাড়া বিআরটিএ কোন রোড পারমিট ইস্যু করা যাবে না। নিয়োগপত্র বাস্তবায়নের জন্য বিআরটিএ মন্ত্রণালয় একাধিকবার সভা হয়েছে। বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে গত ২০/১০/২০০৯ তারিখের সভায় ৬(ঘ) এর (১), (২) ও (৩) নিয়োগ পত্র বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয় মোটরযানের মালিক কর্তৃক ড্রাইভারদের নিয়োগপত্র প্রদানের বিষয়টি বিআরটিএ নিশ্চিত করবে। চালকদের নিয়োগপত্র না থাকার কারণে রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। মোটরযানের মালিক কর্তৃক প্রদত্ত ড্রাইভারের নিয়োগপত্র ব্যতিত বিআরটিএ রুট পারমিট ইস্যু/নবায়ন করা যাবে না। পরিবহন শ্রমিকদের জন্য প্রনীত শ্রম আইন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতার অভাব রয়েছে। এব্যাপারে আমরা সম্প্রতি শ্রম মহাপরিচালক মহোদয়ের সাথে দেখা করে শ্রমিকদের দাবী বাস্তবায়নে লিখিত আবেদন জানিয়েছি।
উল্লেখ্য যে, প্রতি দিন হালকাযান পরিবহনটি প্রায় কোটি কোটি যাত্রী সেবা দিয়ে থাকে। সরকারের রেজিষ্ট্রেশনকৃত হালকাযানের গাড়ী প্রায় ৩০ লক্ষ ৫০ হাজার। ১। প্রতি বছর এ গাড়ী থেকে ৪৫,২৫০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করছে সরকার। ২। এই গাড়ী আমদানীর ক্ষেত্রে প্রতি বছর ট্যাক্স ও ভ্যাট রাজস্ব আদায় হয় প্রায় পাঁচশত কোটি টাকা। ৩। এই গাড়ীর খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে ট্যাক্স ও ভ্যাট রাজস্ব আদায় হয় প্রায় ২০০০ কোটি টাকা। ৪। ৩০ লক্ষ হালকাযান চালকদের লাইসেন্স বাবদ প্রতি বছর রাজস্ব আদায় হয় প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। দেশে হালকাযানের গাড়ীর সংখ্যা প্রায় ৩০ (ত্রিশ) লক্ষ। এই গাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনা এআরআই (বুয়েট) পরিসংখ্যা অনুযায়ী ১৫—১৮% দায়ী হয়ে থাকে। উল্লেখ থাকে যে, সকল সড়ক মহাসড়কে ডিভাইডার ও সার্ভিস লেন থাকলে দুর্ঘটনা অনেক কম হতো তা বিশেষজ্ঞ জন মনে করে। এআই ক্যামেরার মাধ্যমে এই চালকদের উপর মরার উপর খরার ঘা চালু করা হচ্ছে। যেখানে শহরে বিভিন্ন ধরনের লক্ষ লক্ষ গাড়ী চলাচল করে কিন্তু কোন পার্কিং এর ব্যবস্থা নেই। পার্কিং এর ব্যবস্থা না করে এআই ক্যামেরার মাধ্যমে নো পার্কিং মামলা হচ্ছে, যা সম্পূর্ন অনিয়ম ও অন্যায়। একই সাথে মেনুয়াল এবং ডিজিটাল ক্যামরা/এআই ক্যামেরা চলতে পারে না। চালকরা জ¦ালানী সংগ্রহের জন্য প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টার অপেক্ষা করতে হয়। কখনও কখনও গাড়ীর লাইন সড়কে দীর্ঘায়িত হলে ট্রাফিক পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন যাহা কেবল অন্যায়ই নয় অযৌক্তিক ও বটে।
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ পাশ হয়েছে। এছাড়াও আধুনিক ও যুগপোযোগী সড়ক পরিবহন আইন প্রনয়ন করতে হবে। ওয়াকিবহাল মহল অতিরিক্ত শাস্তি ও জরিমানা বৃদ্ধি করলেই সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে না। গত ২৩ মে ২০২১ ও ১১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে সড়ক পরিবহন আইনের ২২টি ধারা সংশোধন করার জন্য সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় লিখিত প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে অনেক আবেদন নিবেদনের পর গত ০৩/১১/২০২৫ তারিখে বিআরটিএ সদর কার্যালয় উক্ত আইনের সংশোধনের জন্য যে সভা সিদ্ধান্ত হয়েছিল সে বিষয়ে আজ পর্যন্ত আমাদেরকে কোন কিছু অবগত করা হয়নি। ফলে শ্রমিকদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। সরকার আসে সরকার যায়। শ্রমিকদের দাবী নিয়ে আলোচনা হয় কিন্তু দুঃখের বিষয় সিদ্ধান্তগুলি বাস্তবায়ন হয় না। শ্রমিকগণ এভাবে আর কতকাল আশায় আশায় বুকে বেধে থাকবে। শ্রমিকরা কি করলে তাদের দাবী বাস্তবায়ন হবে তা জানতে চায়।
* মালিকদের দৈনিক জমার নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় বন্ধ করতে হবে। * নিয়োগপত্র আইন বাস্তবায়ন, * শ্রমিক কল্যাণে শ্রম আইন বাস্তবায়ন, * পরিবহন শ্রমিকদের ডাকাবেজ তৈরী করে ডিজিটাল স্মার্টকার্ড দিয়ে সরকার ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে, * সার্বজনীন সড়ক পরিবহন আইন চালু কর * পার্কিং এর ব্যবস্থা না করে নো পার্কিং এর মামলা বন্ধ কর। শ্রম কমিশনে ফেডারেশনের পক্ষ থেকে দাখিলকৃত ১৩ দফা সুপারিশনামা বাস্তবায়ন কর। * শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ৮ জুন ২০০৮ ও ৫ জানুয়ারী ২০১৭ প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন কর। * শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে শ্রম আইন ২০০৬ এর ৪২নং আইন সংশোধিত এই আইনের প্রজ্ঞাপন ও বিধি বাস্তবায়ন সহ ফেডারেশনের যৌক্তিক দাবী বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘদিন এই সংগঠন আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে। শ্রমিকগণ কি আন্দোলন করেই যাবে?
মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে ও গণতন্ত্রের সকল আন্দোলনে এই শ্রমিকগণ জীবন দিয়েছে। সেই লক্ষ্য পূরণে দেশ ধাপে ধাপে এগিয়ে চলছে। তাই আমাদেরকে বাদ দিয়ে কাঙ্খিত উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সম্ভব নয় সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমতাবস্থায় উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের স্বার্থে এই শ্রমিকদের জীবন মানউন্নয়নে ন্যায়সঙ্গত দাবী বাস্তবায়নে জরুরী বলে আমরা মনে করি। পরিবহন খাত হচ্ছে জাতীয় অর্থনীতির রক্ত সঞ্চালনের ভূমিকা পালন করে।