, ,

লক্ষ্মীপুর-চৌমুহনী ফোর লেন সড়ক উন্নয়ন: যানজট ও দুর্ঘটনা কমে আসার স্বস্তিতে স্থানীয়রা

নিউজটি শেয়ার করুন

লক্ষ্মীপুরজেলা থেকে নোয়াখালীর গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র চৌমুহনী চৌরাস্তা পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলমান থাকায় উচ্ছ্বাস ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন লক্ষ্মীপুরবাসী।

দীর্ঘদিন ধরে সরু ও জরাজীর্ণ সড়কের কারণে প্রতিদিনের দুর্ভোগ, তীব্র যানজট এবং ঘন ঘন সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কায় দিন কাটাতেন এই পথের যাত্রীরা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রী এবং পরিবহন চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পূর্বে রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ায় এবং যানবাহন বৃদ্ধির ফলে এই আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রায়ই মারাত্মক যানজটের সৃষ্টি হতো। একই সাথে খানাখন্দ ও অপ্রশস্ত সড়কের কারণে ঘটে যেত মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। সড়কটি ফোর লেনে উন্নীত করার দীর্ঘদিনের জোরালো দাবি বাস্তবায়িত হতে দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া:

যানজট নিরসন: ৪ লেনের প্রশস্ত সড়ক তৈরি হলে লক্ষ্মীপুর ও চৌমুহনী চৌরাস্তার সংযোগস্থলে যানবাহন সহজে ও দ্রুত গতিতে চলাচল করতে পারবে, যা দীর্ঘদিনের ভোগান্তি ও যানজট একেবারেই কমিয়ে আনবে।

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ: মাঝখানে ডিভাইডার ও সড়ক প্রশস্ত হওয়ার কারণে মুখোমুখি সংঘর্ষের যে ঝুঁকি আগে তৈরি হতো, তা বহুলাংশে কমে আসবে।

বাণিজ্যিক ও সামাজিক গতিশীলতা: চট্টগ্রাম ও ঢাকার পাশাপাশি নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর রুটে পণ্য পরিবহন ও মানুষের যাতায়াত বহুগুণ সহজ ও সাশ্রয়ী হবে, যা অঞ্চলের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে জানা গেছে, জনগণের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ করতেই দ্রুত গতিতে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে একদিকে যেমন যাতায়াতের সময় বেঁচে যাবে, অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সাধারণ লক্ষ্মীপুরবাসী।