নিজস্ব প্রতিবেদক: ভূমি প্রতিকার ও প্রতিরোধ আইন ২০২৩ এর ৪ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে, জমির মামলা চলমান থাকা অবস্থায় তথ্য গোপন করে জমি বিক্রি করলে সাত বছরের কারাদণ্ড হবে, যা অজামিনযোগ্য অপরাধ। এই আইনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট থানা ব্যবস্থা নিতে পারবে।
কিন্তু আইন থাকলেও থামছে না অবৈধ বায়না-বিক্রি। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে নোয়াখালীর চর জব্বার থানার চর ওয়াপদা মৌজায়।
জানা গেছে, চর ওয়াপদা বিএস খতিয়ান নং ২২২ এর হাল দাগ ৫১১৪, ৫০২১, ৫০২৯ ও ৫০৮৯ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে জনৈক আবুল কালাম বাদী হয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার সাবেক এমডি এ কে এম ফজলুল্লাহর পরিবারের বিরুদ্ধে নোয়াখালী সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ৩০৩/২৩ নং স্বত্ব ঘোষণার মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে চলমান।
বাদীপক্ষ উক্ত জমি স্থায়ীভাবে রিসিভার নিয়োগের জন্য মহামান্য হাইকোর্টে ৩৩৬৬/২৫ নং আপিল রিভিশন দায়ের করেন। হাইকোর্ট বিবাদীদের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিবাদী পক্ষের চট্টগ্রাম ওয়াসার বরখাস্তকৃত এমডি এ কে এম ফজলুল্লাহর ভাই এ কে এম আজাদ এবং চর ওয়াপদা আল আমিন বাজারের জাকের হোসেন ওরফে জাকের হোরন পরস্পর যোগসাজশে উক্ত বিরোধপূর্ণ জমি এক কোটি টাকায় বায়না চুক্তি করে আত্মসাৎ করেছেন বলে বাদীপক্ষের দাবি। বাদীর অজান্তেই এই লেনদেন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় বাদীপক্ষ স্বশরীরে হাজির হয়ে নোয়াখালী চর জব্বার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চর জব্বার প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি কামাল হোসেন সহ একাধিক সাক্ষী ওসি রফিকুল হাসানের কাছে অবৈধভাবে জমি বিক্রির বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
চর জব্বার থানার ওসি রফিকুল হাসান অভিযোগ পেয়ে তদন্তের জন্য এসআই আশীষকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, ভূমি প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৪ ধারা অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অবৈধ বায়না বাতিল এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হোক।







