শেখ ফরিদ উদ্দিন: বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানের করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাখাত কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যপক পরিবর্তন আনতে নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বিশ্ব প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশীদের যোগ্য করে গড়ে তোলতে কারিগরি শিক্ষার উপর বেশী জোর দিয়েছেন। আমরা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও বিশ্বমানের করতে কাজ করে যাচ্ছি। আশা করি বাংলাদেশেও প্রচুর বিদেশি শিক্ষার্থী পড়তে আসবে। এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। আজ ১১ মে সকালে রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে পাকিস্তান – বাংলাদেশ এডুকেশন এক্সপো তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন একথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত। আমি আজকের মেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্টলগুলো ভিজিট করে আমার মনে হয় যেন পুরো পাকিস্তানকে ঘুরে দেখলাম। মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান স্বাধীন হয়েছে ৭০ বছর আর আমরা স্বাধীন হয়েছি ৫৫ বছর। এর মধ্যে পাকিস্তান শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক এগিয়ে। আমি আশাকরি পাকিস্তানের ইউনিভার্সিটিগুলো আমাদের দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ফুল স্কলারশিপ দিয়ে পাকিস্তানে পড়ালেখার সুযোগ করে দিবে। তারপর বাংলাদেশে এসে তারা তাদের অর্জিত জ্ঞান ও মেধা দিয়ে বাংলাদেশ গড়ার কাজে ঝাপিয়ে পড়বে। বর্তমান সরকারের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপের সফলতার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, আমরাও শিক্ষার মানোন্নয়নে যুগোপযোগী ব্যপক কর্মসূচী গ্রহণ করেছি। আশাকরি বাংলাদেশেও প্রচুর পরিমাণে বিদেশি শিক্ষার্থীরা পড়তে আসবে। ইনশাআল্লাহ। ছয়দিন ব্যাপী বাংলাদেশের ছয়টি বিভাগীয় শহরে আয়োজিত পাকিস্তান – বাংলাদেশ এডুকেশন এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো ছিলেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক, মাউশির মহা পরিচালক প্রফেসর ড. মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল । তাছাড়াও বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিভিন্ন বেসরকারি ইউনিভার্সিটির উপাচার্যগন এবং শিক্ষাবিদগন উপস্থিত ছিলেন। এক্সপোতে পাকিস্তানের বিজ্ঞান প্রযুক্তি, মেডিক্যাল ও এগ্রিকালচার বিষয়ক মোট ২১ টি ইউনিভার্সিটি অংশগ্রহণ করে। শিক্ষা মন্ত্রী এসকল স্টল সমূহ ঘুরে দেখেন এবং তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে খোজ খবর নেন।







