, ,

‎দেশের স্বার্থে, আইনের স্বার্থে, ওয়াকফা বরাবর, দুর্নীতি দমন কমিশন বরাবর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন বরাবর,‌ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বরাবর এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হইল।

নিউজটি শেয়ার করুন

‎দেশের স্বার্থে ৫৪ নং পুরানা পল্টন হোল্ডিং নাম্বারে অবস্থিত মোট ১৩ টি দোকান ছিল। জনাব নিশাদ সাহেব হইতে সকল কাগজপত্র বুঝিয়া পাইয়া, যাচাই-বাছাই করিয়া, এই মর্মে আইনগতভাবে দোকান ঘর গুলি বুঝিয়া পাইবার জন্য ঢাকা প্রেসক্লাব এর নিকট নিশাত সাহেব আবেদন করেন। তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ ইং এবং ২৪/০৭/২০২৫‌ ইং তারিখে ঢাকা প্রেস ক্লাবের নিকট পক্ষে কাজী ফরিদ আহমেদ এর সাথে ৫০% দান করিয়া একটি চুক্তি করেন। যেহেতু ঢাকা প্রেসক্লাবের কোন নিজস্ব অবস্থান না থাকায় দেশের স্বার্থে আইনের স্বার্থে সত্য ও ন্যায়ের পথে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় খবরা-খবর প্রকাশ ও প্রচার করে যাচ্ছে। ঢাকা প্রেসক্লাব সকল কাগজপত্র পাইয়া পরিয়া দেখিয়া উকিল মারফত একটি মামলা নং ৮০/২০২৬ ধারা ১৯৯৮ সাল ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে ১৪৫ ধারা ০৬/০৪/২০২৬ ইং তারিখে মহামান্য আদালতে মামলা করা হয়। মহামান্য আদালত ১৪/০৫/২৬ ইং তারিখে একটি নোটিশ জারি করেন যাহা এসিল্যান্ড ও পল্টন থানা ওসি বরাবর আদেশ কপি দেওয়া হয় এই মামলার তিন মাস আগে এই ভবনের তৃতীয় তলায় খালি থাকায ঢাকা প্রেসক্লাব অবস্থান করিতেছিল উক্ত অফিসে গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রিক সরঞ্জাম কাগজপত্র বেশ কিছু অর্থ ছিল তাহা কার্টুনে করে নিয়ে যায়। এবং ঢাকা প্রেসক্লাবের সাইনবোর্ড ছাদে নিয়ে পুরাইয়া ফেলে। এবং আগে হইতে অফিস ছাড়িয়া দেবার জন্য হুমকি ও জীবন নাশের চেষ্টা চালিয়ে যাইতেছিল এবং মামলা তুলিয়া নেবার জন্য চাপ প্রয়োগ করিতে থাকে। মোট ৮ জন অবৈধ দখলদার বিগত ১৭ বছর যাবত কোন কাগজপত্র ছাড়াই ওয়াকফার অর্থ, তিতাস গ্যাসের অর্থ, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অর্থ লুটিয়া নিয়ে যাইতেছে এবং এই মতুয়ালি আসাদুজ্জামান একজন মামলাবাদ মামলা দিয়ে শুধু তারিখ নিতে থাকে। কোন কাগজপত্র না দিয়া এই কাজগুলি কোরিয়া যাইতেছে। এখন আর একনায়কতন্ত্র সরকার নাই, জনগণের ভোটে সকল রাজনৈতিক দলের সরকার এরা যেন অবৈধভাবে পার পেতে না পারে তাদের কাগজপত্র কাগজপত্র। এবং উকিল কর্তৃক এজি সহ রেজিস্ট্রিকৃত গত ১৭/১২/২০২৫ ইং তারিখে ৮ জনের নামে উকিল নোটিশ দেওয়া হয়। কোন উত্তর না দেওয়ায় এই মামলা জারি করা হয়। যাই হোক আরো প্রকাশ থাকে যে ঢাকা প্রেসক্লাব গত ২৩/০৪/২০২৫ ইং তারিখে ওয়াকফা প্রশাসক বরাবর একটি পরিচালনা কমিটি অনুমোদন পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। এবং ওয়াকফা প্রেসক্লাব বরাবর ২৯/০৫/২০২৪ ইং তারিখে তদন্তের জন্য ১৫/০৭/২০২৫ ইং ১১ হাজির থেকে সহযোগিতা করার জন্য চিঠি প্রদান করে। এবং ঢাকা প্রেসক্লাব সহযোগিতা করেন। কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট এখনো ঢাকা প্রেসক্লাবকে দেয় নাই। হয়তো হলুদ খামের ব্যবস্থা করিয়াছে। স্মারক নং ও: পরি: /ঢাকা/৪/২২৫(২) ইহার পর ঢাকা প্রেসক্লাব গত ২৯/১০/২০২৫ ইং তারিখে আবার একটি দরখাস্ত জমা দেন এখন পর্যন্ত ভালো-মন্দ কোন তদন্ত রিপোর্ট দেন নাই। পরিদর্শক মোঃ মামুনুর রশিদ। যাই হোক নিশাত সাহেব ১৯৯১ সালে চাচার নিকট থেকে দোকান ৪, ৫, ৬ সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নিয়া সুনামের সাথে দোকানগুলি চালিয়ে আসিতেছিল। এখানে আরও দোকানদার ছিল। তাহারা বৈধ ভাড়াটিয়া হিসেবে নিয়মিত ভাড়া পরিষদ করিয়া আসিতেছিল। ১৯৯৯ সালে তাহাদের আবেদনে অবৈধ মোতোআলি একটি সংগঠনের সাথে নিশাত সাহেবকে না জানাইয়া বিল্ডিং করার জন্য আবেদন চুক্তি করে, ফলে যুবক ও ইসি নং ১৫২১৯ যাহা সম্পূর্ণ অবৈধ। যুবক ও মোতোআলি দখলদাররা আওয়ামী লীগের গুন্ডা পান্ডা নিয়া দা, ছুরি, বল্লম, রামদা, লাঠি ও আগ্নেয় অস্ত্র দ্বারা জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে। এবং গোপনে কোন নোটিস না দিয়া ২৫ দিনে কোর্ট হইতে কাগজ নিয়া উচ্ছেদ করে। সাথে সাথে হাইকোর্টে নিশাত সাহেব মামলা করিলে বৈধ কাগজের উপর কোর্ট উচ্ছেদ না করার নোটিশ জারি করেন তাই উকিল কর্তৃক মোতোয়ালীকে দিলে হাতে নিয়া ছিড়িয়া ফেলে ও পা দিয়ে পদদলিত করে। এবং থুতু মারেন। পক্ষান্তরে ওয়াইফায় বহু ঘুরাঘুরি করিয়া কোন সমাধান না পাইয়া বিল্ডিং করার সময় মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞ জারি করেন। তাহা আজও বলবত রহিয়াছে। এই যুবকের দ্বিতীয় তলায় নতুন ভাড়াটিয়া মার্ডার মামলার আসামির সাথে তাহাদেরি দোসর রোমেল অবৈধ চুক্তি করিয়া দখলদারদের বাচাইয়া রাখিয়া সকল অর্থ লুটিয়া নিয়া যাইতেছে। এবং বৈধ মালিকদের ও ঢাকা প্রেসক্লাবকে হুমকি মাগার মামলার মার্ডার মামলার ভয় দেখাইতেছে। সবাই পলাতক মামলার আসামি সকলের কাগজপত্র নাম ও গ্রেফতারি ওয়ারেন্ট আছে সকল কাগজপত্র ঢাকা প্রেসক্লাব চাইলেই দিতে পারিবে। আরো প্রকাশ থাকে যে এই দখলদার ও মোতয়ালী এবং উক্ত ভবনের সকল ঘটনাবলী ওয়াকফা বরাবর গত ১১/০৯/২০২৫ ইং ও ২৩/১১/২০২৫ ইং কপি দেওয়া আছে, দুর্নীতি দমন কমিশন বরাবরে ১১/০৮/২০২৫ ইং ও ১১/০৯/২০২৫ ইং একই কপি জমা দেওয়া আছে। দক্ষিণ সিটি প্রশাসক বরাবর ১০/০৮/২০২৫ ইং একটি কপি জমা দেওয়া আছে। তিতাস গ্যাস এমডি বরাবর ০৭/০৮/২০২৫ ইং একটি কপি জমা দেওয়া আছে এবং নিশাত সাহেবের আবেদনের পর ঢাকা প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের আইনগত সহযোগিতা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে ঢাকা জেলা প্রশাসক বরাবরে গত ২৮/০৬/২০২৫ ইং বাংলাদেশ পোস্ট অফিস কর্তৃক ১১ সংস্থায় কপি দেওয়া হইয়াছে যাহার মোবাইল নং: ০১৯৬৪২২৯০৯৯ তারিখ ৩০/০৬/২০২৫ ইং সময় ০৪, ২১ পি এম, আরো প্রকাশ থাকে যে আমি কেন পত্রিকায় এইসব প্রতিবেদন প্রকাশ করি, কোন প্রতিবেদন আর যাতে আমি না লিখি তাই আমাকে মামলা ও জীবননাশের হুমকি লোক মারফত দিয়ে যাচ্ছে এর প্রতিকার আমি চাই