, ,

থাই ও ভিশা প্রতারণা করে কোটিপতি একটি অসহায় পরিবারকে উচ্ছেদের পায়তারা থানায় মামলা।।

নিউজটি শেয়ার করুন

কয়েকদিন আগে করত বানিয়া গিরির কাজ (স্বর্ণালংকার কাজ) এখনো তার বাবা মানুষের বাড়িতে কাজ করে পেট চলায়।অথচ ভিসা প্রতারণা করে কয়েক কোটি টাকার মালিক। সৈয়দপুরে তার নিজস্ব বাড়ি, নিজস্ব গাড়ি, মাইক্রোবাস, এবং দোকান রয়েছে। করত অন্যের দোকানে কাজ এখন এক বছরের মধ্যে কোটিপতি থাই ও ভিসা প্রতারণা করে এই সম্পদের মালিক।। এইভাবে কথাগুলো বলছিলেন খাতা মধুপুর ইউনিয়নের কাশীরাম গ্রামের ফারুকের স্ত্রী আরজিনা বেগম। । তিনি আরো জানান,আমার স্বামী বাড়িতে না থাকার কারণে প্রায় সময় আমাকে খারাপ প্রস্তাব দেয়, তাতে আমি রাজি না হয় তিনি আমাকে ভিটে ছাড়া করবে বলে জানায়। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দপুর উপজেলার খাতা মধুপুর কাশীরাম গ্রামের আব্দুল জলিলের পুত্র শাকিল, উৎশৃংখল ও থাই গেম ও ভিসা প্রতারক।তার অবৈধ , টাকার জোরে আর্জিনার পরিবারের সাথে ঝগড়া বিবাদ লাগিয়ে আসিতেছে। তার স্বামী বাইরে কর্মের সুবাদে প্রায় সময় শাকিল থাকে কু প্রস্তাব দিয়ে আসিতেছে।আমি তার প্রস্তাবে রাজি না হলে তার পিতাকে বিষয়টি জানাই। গত ১৫/৯/২০২৫তারিখে সকাল বেলা তার মা সোনাবী আক্তার কোন কারণ ছাড়াই আমার নাবালিকা কন্যাকে গালিগালাজ করে আমার নাবালিকা মেয়ে আমাকে বিষয়টি জানায়। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে , কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমার চুলের মুঠি ধরিয়া কিল ঘুসি সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে মারডাং এবং স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয়।এ নিয়ে সৈয়দপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। । সরজমিনে গতকাল গিয়ে দেখা গেছে তার দো তালা বাড়ি। বাড়িটি তৈরি করতে প্রায় এক থেকে দুই কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এছাড়াও তার অত্যাচার অতিষ্ঠ হয়ে একটি পরিবার ভিটা ছাড়ার উপক্রম হয়েছে।থাই ওভিসা প্রতারকের মা সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন আমার ছেলে অনেক কষ্ট করেছে। ছেলে অন্যের বাসায় কাজ পর্যন্ত করেছে। অনেক কষ্টে টাকা উপার্জন করেছে। আপনারা লেখালেখি করেন না। যদি কিছু লাগে তাহলে বলেন। বাড়ির ভেতরে গিয়ে দেখা গেছে বিভিন্ন দেশের প্লাটফেস্টুন সমৃদ্ধ ঘরের কারুকার্য। মনে হয় অস্ট্রেলিয়া ক্যানাডার, আদলের রুম করা হয়েছে। এলাকার অনেক জনের সঙ্গে কথা হলে নাম প্রকাশ না করা সত্যি তারা বলেন শাকিল ভাত পাইতো না এখন সে কোটি কোটি টাকার মালিক। সৈয়দপুরে জুয়েলারি দোকান রয়েছে, তারাগঞ্জের তার চারটি মাইক্রোবাস ভাড়া রয়েছে, সৈয়দপুরে বাসা রয়েছে।ব্যাংকে লক্ষ লক্ষ টাকা রয়েছে। এইসব বিষয়ে শাকিলের সঙ্গে তার সোনার দোকানে গিয়ে কথা হলে তিনি জানান আমি বিভিন্ন জায়গায় লোন করে এসব করেছি। সৈয়দপুর থানার ওসিআব্দুল ওয়াদুদ বলেন অভিযোগটি সম্পর্কে আমি অবগত নাই তবে খোঁজ নিয়ে জানানো হচ্ছে।