, ,

কেন এই নৃশংসতা? সহিংসতা তৎপরতা!

নিউজটি শেয়ার করুন

বৃহত্তর খুলনা বিভাগের খুলনা জেলা শহরের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি। সাধারণ মানুষ শঙ্কিত।ভয় আর উৎকন্ঠা নিয়ে বাস করছে। প্রায়শই খুন জখম,গুম হত্যা অপহরণ অপরাধ দূর্নীতি বেড়েই চলেছে।এর থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন খুলনা জেলার সাধারণ জনগণ।
নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে অপরাধ চক্রের তৎপরতা স্তিমিত ছিল। ইদানিং আবার ও বেড়েছে।
একটি দিন কি শান্তি তে থাকতে পারছেনা খুলনার জনগন। প্রতি দিন উত্তেজেনা আর উৎকন্ঠা নিয়ে দিন যাপন করছেন।রাজনৈতিক আবহাওয়া তো বৈরী নয়।
তবে কেন জনজীবনে এত বড় বিপর্যয়?
সূশীল সমাজের খুব জানতে ইচ্ছে হয়।আইন শৃঙ্খ লা পরিস্থিতি নিয়ে কি ভাবছেন সাধারণ মানুষ?বার বার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমবর্ধমান অবনতি নাকি প্রশাসনের নাকের ডগায় নতুন ভাবে জন্ম নিচ্ছে বড় ধরনের কোনো ক্রাইম সিন্ডিকেট। প্রশাসনের এখনই খুঁজে বের করে এর শিকড় উপড়ে ফেলে উচিত।যাতে করে আর কোন ক্রাইম সিন্ডিকেট গড়ে উঠতে না পারে। নির্বাচন পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত থাকলেও আবার ও পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে পড়েছে।
শহর ও শহরের বাইরে থেকে এসে বিভিন্ন ভাবে অপরাধ চক্রের সদস্য গন ক্রাইম করে গা ঢাকা দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
কারা ওরা?সংখ্যায় কতজন? কোন দলের সরকারি না বেসরকারি দলের সক্রিয় কর্মী? খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা অসম্ভব বলে কিছুই নেই।
প্রয়োজন এখন শুধু আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন।
অপরাধী দের দমন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কঠোর ভূমিকা পালনে এখনই এ্যাকশনে যাওয়া উচিত।
তবেই অপরাধ চক্রের নির্মূল করা সম্ভব।
সাধারণ জনগণের এই প্রত্যাশা অমূলক কিছুই নয়।
ভালো থাকুক খুলনার জনগন। আইনশ