, ,

কালিয়াচকে গাঙচিলের ৫০ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান

নিউজটি শেয়ার করুন

আজ কালিয়াচক টাউন লাইব্রেরি মিলনায়তনে গাঙচিলের ৫০ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কালিয়াচকে নজরুল ভবনে কালিয়াচক টাউন লাইব্রেরির সহযোগিতায় এক সাহিত্য আড্ডা ও ত্রিপুরার গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ খান আখতার হোসেনের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়। এরপর তাঁর প্রেরিত শুভেচ্ছা বার্তা পড়ে শোনান গাঙচিল মালদহ শাখার সহ সভাপতি ইফতিখার সফি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বনামধন্য কবি ক্ষুদিরাম প্রমানিক। উপস্থিত কবিগণ সাহিত্য আলোচনা ও তাঁদের স্বরচিত কবিতা পাঠ করে শোনান। অনুষ্ঠানে আগত স্বনামধন্য কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার ও সমভূমি পত্রিকার সম্পাদক অভীক কুমার দে। তাঁকে “মানপত্র” দিয়ে সম্মানিত করেন গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের মালদহ শাখার সভাপতি আব্দুল মালেক ও সম্পাদক প্রবীর কুমার বোস। মানপত্র পাঠ করেন শিক্ষারত্ন শ্রীমতী তানিয়া রহমত। অনুষ্ঠানের মুখ্য অতিথি অভীক কুমার দে সাহিত্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন । পরে তাঁর সম্পাদিত দুই বাংলার বহুল চর্চিত কবি আকমল হোসেনকে নিয়ে রচিত ” কবিতার স্বতন্ত্র কারিগর আকমাল”
পুস্তকের মোড়ক উন্মোচন করেন । অনুষ্ঠানে তিনি তাঁর বক্তৃতায় বলেন – কলিয়াচকে এসে গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের ৫০ বর্ষপূর্তিতে এই সন্মান প্রাপ্তি তাঁর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি আরও বলেন – তাঁর মনে হয়েছে কালিয়াচকের মত প্রত্যন্ত এলাকায় বসে আকমল হোসেন যা কাজ করেছেন তা পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। তাই তিনি তাঁর সম্পাদিত সাহিত্য সমভূমি পত্রে এবারের সংখ্যা কবি মুহা.আকমল হোসেন সংখ্যা হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। এই সংখ্যাটি ত্রিপুরার আগে কালিয়াচকে এসে গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের মঞ্চে প্রকাশ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছেন। তিনি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন গাঙচিল কর্তৃপক্ষের প্রতি। বিশিষ্ট সমাজসেবী ও স্মার্ট স্কুলের কর্ণধার শ্রীমতী সেলি স্যামুয়েল গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বক্তৃতা দেন । এই আসরে উদীয়মান কবি সৈয়দা নাসিমা নাসরিনের ” যা উড়ে ইচ্ছে পাখি ” কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করেন কবি মিনারা হোসেন ও শিক্ষারত্ন তানিয়া রহমত । অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও কবিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন – পাকুয়াহাট থেকে আগত কবি ক্ষুদিরাম প্রমাণিক,কবি সুবোধ দাস, কবি বিদ্যুৎ দাস ও কবি ফিরোজ সরকার (মুন্না) এবং স্থানীয়দের মধ্যে কবি আনিসুর রহমান, কবি আনোয়ার হোসেন , কবি জিয়াউল হক (জুয়েল), কবি আলিউল হক, কবি রেজাউল হক , কবি বিশ্বজিৎ সাঠিয়ার, কবি হিফজুর রহমান, কবি আনিসুর রহমান, কবি রিন্টু,কবি আব্দুল হালিম প্রমূখ। অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মনোময় মুখার্জী ও রবিউল ইসলাম এবং সঞ্চালকের ভুমিকায় কবি আকমল হোসেন। সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন শ্রী প্রবীর কুমার বোস।