, ,

বিসিআইসি’র সিওপি আ.ন.ম শরিফুল আলমের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ পর্ব- ২

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) কর্মচারী প্রধান (সিওপি) আ.ন.ম শরিফুল আলমের বিরুদ্ধে নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি, এবং প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানা যায়, শরিফুল আলম পদায়নের ক্ষেত্রে যোগ্য ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে নিজের পছন্দের ও অনভিজ্ঞ লোকদের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসিয়ে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন এবং ক্ষমতার নিজস্ব বলয় তৈরী করেন। এমনকি কুমিল্লা অঞ্চলের কর্মকর্তাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ এবং আঞ্চলিক গ্রুপিংয়ের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়াও, সরকারি ট্যুরের নামে ব্যক্তিগত কাজ করা,অফিস পরিদর্শনে গিয়ে নগদ অর্থ গ্রহন, নিয়োগ ও বদলী বানিজ্য, উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনিয়ম ঢাকার জন্য নিজের অনুগতদের দিয়ে পছন্দের তদন্ত কমিটি গঠন এবং বিরোধীতাকারীদের বিরুদ্ধে উড়ো চিঠি পাঠিয়ে হয়রানি ও দমন-পীড়নের মাধ্যমে তিনি প্রতিষ্ঠানে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন বলে ভুক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান।

বিসিআইসির জাতাীয়তাবাদী অফিসার্স ফোরামের সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঃ মতিন এবং একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শরিফুল আলমের এ ধরনের একচ্ছত্র স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির কারণে প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশ চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সার্বিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। তার এসব অপকর্মের সুষ্ঠ তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে সিওপির পদ থেকে দ্রুত সরানোর দাবিতেও চেয়ারম্যান বরাবর একাধিক লিখিত আবেদন করেছে বিসিআইসি জাতীয়তাবাদী অফিসার্স ফোরাম।
অভিযুক্ত সি ও পি শরিফুল আলমের দূর্নীতির বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ অদ্যবদি কোন রুপ বিভাগীয় বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগের বিষয়ে শরিফুল আলমের সাথে কথা বলার জন্য তার মুঠো ফোনে কল করা হলে প্রতিবেদককে তার অফিসে গিয়ে কথা বলার জন্য তিনি বলেন।