ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা এলাকা বর্তমানে সন্ত্রাসীদের অভয়ারন্য। মাদক বিক্রি, সেবন, সন্ত্রাস, খুন, চাঁদাবাজি, এই এলাকায় হরহামেশা প্রকাশ্যে চলে।
উক্ত এলাকার বাসিন্দারা সর্বদা আতন্কিত। পুরো এলাক চলে গেছে ভয়ন্কর সন্ত্রাসীদের দখলে। মুখ খোলার সাহসও হারিয়ে ফেলেছে এই জনপথের মানুষ। পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ শক্তি দিয়েও সন্ত্রাসীদের দমাতে পারছেনা। উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট তেঁজগাও জোন, মোহাম্মদপুর থানা পুলিশসহ যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে প্রতিনিয়ত কিছু সন্ত্রাসী আটক করেছে। কিন্তু সেই এলাকায় অন্তত দশহাজার সন্ত্রাসীর বিপরীতে পুলিশ রয়েছে ১৫০ জনের মত। উক্ত জোনের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার ( এডিসি ) মোঃ জুয়েল রানা খুবই তৎপর দেখা যায়। তিনি ব্যবসায়ী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে মাঝেমাঝে আইন শৃঙ্খলার উন্নয়নে মতবিনিময় সভা করেন। তারপরও আইন শৃঙ্খলার উন্নতি হচ্ছেনা। জনমনে প্রশ্ন ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা এলাকা কি সীতাকুন্ডের আরেক জঙ্গল সলিমপুর? এই এলাকা অবশ্য পুলিশ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। অভিজ্ঞমহল মনে করেন ঢাকার মোহাম্মদপুরও জঙ্গল সলিমপুরের মত অভিযানে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। মোহাম্মদপুর রায়ের বাজার, বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধ এলাকা, বেড়িবাধ সড়কের ঢাল এলাকা, সোহরাব আলী বস্তি, শেখ মোহাম্মদ শওকত আলী সড়ক, আজিজ খান সড়ক, কাদেরাবাদ হাউজিং, জাফরাবাদ, কাঁটাসূর সহ বিভিন্ন এলাকা, অলিগলি মাদকে সয়লাব। পাশাপাশি কিশোর গ্যাং এর উৎপাত লক্ষণীয়। রাতের বেলায় সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বাড়ে। ” অ্যালেক্স গ্রুপ ” নামে একটি কিশোর গ্যাং গ্রুপ সক্রিয়। কিছুদিন আগে সাব্বির গ্রুপ কর্তৃক একজন নিহত হয়। এলাকাটির শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে, প্রশাসনের কঠিন এবং কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন মনে করেন এলাকাবাসী।







