ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানা এলাকায় সংঘটিত একটি ক্লুলেস হত্যা মামলার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান তিন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরি ও ভিকটিমের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তি মোঃ সুমন মিয়া (৩৫), পিতা- মোঃ আমছর আলী। তিনি ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানাধীন অষ্টধার ভিটাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকালে তিনি পারিবারিক কাজে গাজীপুর থেকে নিজ গ্রামের বাড়িতে আসেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ ইফতারের পর রাত আনুমানিক ৯টা থেকে পরদিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে যেকোনো সময়ে অজ্ঞাতনামা আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ কোতোয়ালী থানাধীন অষ্টধার সেনপাড়া এলাকার সাহেব বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণে রেললাইনের দক্ষিণ পাশে ধানক্ষেতের সেচ নালার ওপর ফেলে রেখে যায়।
ঘটনার পরপরই কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা রুজু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা হলো-শিপন (১৬), নাজমুল (২৫) ও সজীব (২০)। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো ছুরি এবং নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতগুলো জব্দ করে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।







