
মোঃ আমজাদ হোসেন, ষ্টাফ রিপোর্টার:
চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডের কুমিরা উপকূলীয় কে আর শীপ ইয়ার্ডে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই প্রহরীর। ৫ই জানুয়ারি সোমবার রাত ০২:৩০ মিনিটের সময় কে আর শীপ ইয়ার্ডে জাহাজ বিচিংয়ের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
শীপ ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ জানাই, গতকাল রাত আনুমানিক ২:৩০ মিনিটের সময় তাদের ইয়ার্ডে মানকি ক্যাপ পরিহিত একদল ডাকাত আক্রমণ করে। এতে ডাকাতরা একজনের দেহ টুকরা টুকরা করে আরেকজনকে কুপিয়ে হত্যা করে।
নিহত শ্রমিকরা হলেন সাইফুল ইসলাম ও আবদুল খালেক। তাদের বাড়ি গাইবান্ধা জেলায়। এর মধ্যে সাইফুল ইসলামের মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তবে দুই শ্রমিকের মৃত্যুর কারণ নিয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা গেছে।
কুমিরা ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানায়, তাদেরকে সকাল ০৭:৩০ মিনিটের সময় এই দুর্ঘটনার খবর জানানো হয়। তারা ০৮:০০ সময় এসে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন এবং ৯ঃ৩০ মিনিটের সময় তারা উদ্ধার কাজ সম্পন্ন করেন । ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ তাদেরকে জানাই, ডাকাতের হামলায় ওই দুই প্রহরী নিহত হয়েছেন। অপরদিকে শিল্প পুলিশ বলছে, জাহাজ বিচিংয়ের সময় দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আশরাফুল ইসলাম ও রুবেল হাসান নামের আরও দুই শ্রমিককে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
শিল্প পুলিশের পরিদর্শক নাহিদ হাসান মৃধা বলেন, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, জাহাজ বিচিং করার সময় দুর্ঘটনায় দুজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই মৃত্যুর সাথে ডাকাত দলের কোন হাত নেই এবং এখানে কোন প্রকার ডাকাতির ঘটনা দৃশ্যমান নেই। বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট এই দুই প্রহরীর মৃত্যু হয়েছে ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে। তারা আরো বলেন জাহাজটি যেই স্থানটিতে বিচিং এর ব্যবস্থা করা হয়েছিল বা নোঙ্গর ফেলা হয়েছিল সে স্থানটিতে জাহাজ ভেরেনি।আমাদের একটি দাবি বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করা হোক।







