মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার ১ নং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়, দোয়া ও ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, প্রবীণ সালিশি ব্যক্তিত্ব ও স্থানীয় জনপ্রিয় রাজনৈতিক মুখ মো. আমির আলী।
উপজেলার মুনিয়ার পার গ্রামের বাসিন্দা (পিতা: মরহুম জাহির আলী, জন্ম: ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১) মো. আমির আলী দীর্ঘ দিন ধরে সততা, স্বচ্ছতা ও মানব কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও অবদান রয়েছে।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ১ নং ফতেপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি এবং রাজনগর উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাধারণ মানুষের কল্যাণে মো. আমির আলী বিগত দিনে ১ নং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১ বার বিপুল ভোটে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (ইউপি মেম্বার) নির্বাচিত হন। ইউপি সদস্য থাকাকালীন তিনি এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার রক্ষায় স্বচ্ছতার পরিচয় দেন। পরবর্তীতে তিনি ২০১৬ এবং ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে অতি সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। পরাজিত হয়েও তিনি কখনোই সাধারণ মানুষের সেবা থেকে পিছিয়ে যাননি।
স্থানীয়দের নিকট আমির আলী সাহেব একজন ‘সাদা মনের মানুষ’ ও নিরপেক্ষ বিচার-সালিশকারী হিসেবে সুপরিচিত। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি ফতেপুর ইউনিয়নের মানুষের অবহেলিত অধিকার ফিরিয়ে দিতে এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান।
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা দলীয় বিবেচনা ছাড়া ইউনিয়নের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রকৃত পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের হাতে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, ফ্যামিলি কার্ডসহ সরকারের সমস্ত সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে মো. আমির আলী ইউনিয়নের কৃষক, শ্রমিক, যুবসমাজ ও সকল পেশার মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দোয়া, আশীর্বাদ ও মূল্যবান ভোট প্রার্থনা করছেন। এলাকার সকল শ্রেণির জনগণ তাঁর এই ত্যাগ ও দীর্ঘদিনের সামাজিক অবদানকে বিবেচনা করে তাঁর হাতকে শক্তিশালী করতে একাট্টা হচ্ছেন।







