গত বছরের আগস্ট মাসের ঘটনায় ৮ মাস পর দায়ের করা মামলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
সিরাজগঞ্জ সদর থানার মুজিব সড়ক চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন গত ৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখের ভয়াবহ লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার জেরে দায়ের করা পিটিশন মামলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৭৭ নেতা-কর্মী ও সামাজিক ব্যক্তিত্বকে আসামি করা হয়েছে, যা নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পক্ষের যাদেরকে “মিথ্যা মামলায় আসামি” করা হয়েছে তারা হলেন আব্দুল হাকিম (পিতা: সোনাউল্লাহ, দত্তবাড়ি, সিরাজগঞ্জ সদর), বারী শেখ (পিতা: সেরাজ শেখ, বি.এ. কলেজ রোড, সিরাজগঞ্জ), সজীব (পিতা: আজগর, সয়া গোবিন্দ, সিরাজগঞ্জ), তিতাস (পিতা: লেবু, এস.এস. রোড, সিরাজগঞ্জ), বাবু (পিতা: নান্নু খাঁ, নতুন ভাঙাবাড়ি, সিরাজগঞ্জ), রুবেল (সাধারণ সম্পাদক, সিরাজগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগ, বাহির গোলা, সিরাজগঞ্জ), মোমিন উকিল (আলোকদিয়ার-বহুলী, সিরাজগঞ্জ সদর), তামিম (পিতা: কালা বেলাল, ভাসানী রোড, সিরাজগঞ্জ), আব্দুল মতিন (পিতা: আব্দুল মজিদ, সয়া গোবিন্দ থানা রোড, সিরাজগঞ্জ), আঁখি (পিতা: আমির মোল্লা, দিয়ার ধানগড়া, সিরাজগঞ্জ), রাজ (পিতা: বোয়াল ফজলু, মুজিব সড়ক, সিরাজগঞ্জ), আলম (পিতা: ইন্তাজ, জানপুর, সিরাজগঞ্জ), রিয়াদ (সাবেক কাউন্সিলর, মুজিব সড়ক, সিরাজগঞ্জ), বাবু (পিতা: মৃত সলিমুদ্দিন, সয়া ধানগড়া পুকুর চালা, সিরাজগঞ্জ), বাতেন (পিতা: শুটকা, দিয়া ধানগড়া সাতানী পাড়া, সিরাজগঞ্জ সদর), খলিল সিরাজী (পিতা: বন্দে আলী মিয়া, কাজীপুর, সিরাজগঞ্জ), আব্দুল হান্নান (সাবেক মেয়র, কাজীপুর পৌরসভা, সিরাজগঞ্জ), সজল মেম্বার (পিতা: মোস্তফা কামাল, কাজল বাগবাটি ইউনিয়ন, সিরাজগঞ্জ), কাজল (বাগবাটি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি, সিরাজগঞ্জ), ঠান্ডু চেয়ারম্যান (ঝাউল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ), জাকারিয়া বাদল (ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা), আতিকুল ইসলাম আতিক (পিতা: হেদায়েতুল ইসলাম, হোসেনপুর, সিরাজগঞ্জ), আমজাদ হোসেন (সভাপতি, সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, সিরাজগঞ্জ), ইউসুফ আলী (সাধারণ সম্পাদক, সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, সিরাজগঞ্জ), আব্দুল্লাহ আল মামুন (সাধারণ সম্পাদক, সদর উপজেলার ফলগাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, সিরাজগঞ্জ), মঞ্জুরুল ইসলাম (সভাপতি, বহুলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, সিরাজগঞ্জ), সোহেল রানা (সাধারণ সম্পাদক, সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, সিরাজগঞ্জ), আব্দুল হান্নান সরকার (সহ-সভাপতি, ঝাউল কামারখন্দ ইউনিয়ন যুবলীগ, সিরাজগঞ্জ), কাওসার সরকার (সাংগঠনিক সম্পাদক, ঝাউল ইউনিয়ন মৎস্যজীবী লীগ, সিরাজগঞ্জ), আবুবক্কার সিদ্দিক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, উল্লাপাড়া থানা আওয়ামী লীগ, সিরাজগঞ্জ), গাজী হান্নান খসরু (সহ-সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা লীগ, সিরাজগঞ্জ), মোয়াজ্জেম হোসেন (সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, সয়দাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, সিরাজগঞ্জ), আতাউর রহমান আতিক (পিতা: শামসুর রহমান খান, আলোকদিয়া, সিরাজগঞ্জ), লোকমান হাকিম (পিতা: আবু সাঈদ, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ), স্বপন সেনাল (পিতা: বাচ্চু সেনাল, জামিরতা, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ), ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম রফিক (চৌহালী থানা আওয়ামী লীগের ১নং কার্যকরী সদস্য, চৌহালী, সিরাজগঞ্জ), আব্দুল হান্নান মণ্ডল (আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সলঙ্গা, সিরাজগঞ্জ), খলিল খা (পিতা: মৃত কালা খা চালা, কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ), আব্দুস সালাম (পিতা: হাবিবুর রহমান, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ), আব্দুল হাই (সাংগঠনিক সম্পাদক, চৌহালী থানা আওয়ামী লীগ, চৌহালী, সিরাজগঞ্জ), কামরুল হায়দার মুন্না (সাবেক সভাপতি, চৌহালী থানা যুবলীগ, চৌহালী, সিরাজগঞ্জ), ভিপি রবিউল (চৌহালী কলেজের সাবেক ভিপি, চৌহালী, সিরাজগঞ্জ), আবু কাহার সিদ্দিকী (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চৌহালী থানা আওয়ামী লীগ, চৌহালী, সিরাজগঞ্জ), হাসনাহেনা (পিতা: কে.এম. হোসেন আলী, সিরাজগঞ্জ), নিখিল কুমার ঘোষ (এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক, সিরাজগঞ্জ), শুভ আহমেদ (সহ-সভাপতি, জেলা ছাত্রলীগ, সিরাজগঞ্জ), মাসুদ রানা (সহ-সভাপতি, জেলা ছাত্রলীগ, সিরাজগঞ্জ), ইসমাইল হোসেন (সদস্য, সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ, সিরাজগঞ্জ), সিরাজুল ইসলাম (সদস্য, সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ, সিরাজগঞ্জ), লিয়াকত হোসেন (সদস্য, সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ, সিরাজগঞ্জ), মোস্তাফিজুর রহমান পীযূষ (সাবেক কাউন্সিলর, শাহজাদপুর পৌরসভা ও সভাপতি, শাহজাদপুর থানা শ্রমিক লীগ, শাহজাদপুর), সাইফুল ইসলাম (পিতা: মৃত আব্দুল হাকিম, শাহজাদপুর), রেজাউল করিম ভুট্টো (পিতা: ফজলুল হক, চৌবাড়ী, কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ), সোহাগ (পিতা: সোলেমান শেখ, রহমতগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ), নসিব শেখ (পিতা: হবিবুর রহমান, একডালা পুনর্বাসন, সিরাজগঞ্জ), রুবেল শেখ (একডালা পুনর্বাসন, সিরাজগঞ্জ), টোকাই সোহেল (বউবাজার, সিরাজগঞ্জ), মুকুল হোসেন (মালয়েশিয়া, সিরাজগঞ্জ), মুকুল (বরধংল, কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ), সেলিম (পিতা: জান বক্স, এস.এস. রোড, সিরাজগঞ্জ), কালু (পিতা: খলিল, দিয়ারধানগড়া, সিরাজগঞ্জ), লিটন শেখ (দিয়ার ধানগড়া, সিরাজগঞ্জ), বিপ্লব শেখ (পিতা: কামাল কসাই, দিয়ার ধানগড়া, সিরাজগঞ্জ), জিন্নাহ (রড সিমেন্টের দোকানদার, সিরাজী রোড, সিরাজগঞ্জ), সেলিম (সিরাজী রোড, সিরাজগঞ্জ), সুজিত মণ্ডল (পিতা: সুশীল মণ্ডল, রূপালী, সিরাজগঞ্জ), নসিব (একডালা পুনর্বাসন, সিরাজগঞ্জ), শরিফ (পিতা: আমির হোসেন, দিয়ার ধানগড়া, সিরাজগঞ্জ), শাহীন (পিতা: আবুল হোসেন, দিয়ার ধানগড়া, সিরাজগঞ্জ), আনোয়ার হোসেন (পিতা: আজিজুল হক, শিয়ালকোল, সিরাজগঞ্জ), লিটন মেম্বার (পিতা: আফসার, শিয়ালকোল, সিরাজগঞ্জ), রফিক (পিতা: মৃত আবুল মিস্ত্রি, শিয়ালকোল, সিরাজগঞ্জ), বাদশা (পিতা: মিনহাজ, চালা, সিরাজগঞ্জ), বাছেদ (পিতা: মিনহাজ, চালা, সিরাজগঞ্জ), হাকিম (পিতা: জবদের, চালা, সিরাজগঞ্জ), শামীম (পিতা: জব্দের, চালা, সিরাজগঞ্জ), তারেক (পিতা: চান্দু শেখ, একডালা পুনর্বাসন, সিরাজগঞ্জ সদর)।এছাড়াও আরও ২০০-৩০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেপিটিশন১০২/২০২৫(সিরাজ) ও জিআর নম্বর ১৭৫/২০২৫(সদর) মামলায়
আসামি করা হয়েছে।
সচেতন মহল মনে করছে, “যেখানে প্রকৃত অগ্নিসংযোগকারী তৃতীয় পক্ষ ও তাদের সহযোগী উশৃঙ্খল বাহিনী, সেখানে নিরপরাধ নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ৮ মাস পর মামলা দায়ের ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।”
তারা একটি স্বচ্ছ, স্বাধীন ও পক্ষপাতহীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, যাতে প্রকৃত অভিযুক্তরা আইনের আওতায় আসে এবং নিরপরাধরা হয়রানি থেকে রক্ষা পান।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর সোহাগ এর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।
মামলার বাদী আসমানী খাতুন তার পিটিশন মামলায় যে ফোন নাম্বারটি দিয়েছেন সেই নাম্বারে ফোন দিলে তার চাচাতো ভাই শাহানুর রিসিভ করে মোবাইল নাম্বারটি তার বলে জানান। ফলে বাদীর মতামত নেওয়া সম্ভব হয় নাই।
এ বিষয়ে ১ নং বিবাদীর বোন হিমী খাতুনকে ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন ঘটনার বিষয়ে সকলেই দেখেছেন এবং আশেপাশের সিসি ক্যামেরায় সব রেকর্ড আছে ওই সময় আমাদের কেউ বাসায় ছিলেন না।







