মোঃ তারেক হোসাইন, বিশেষ প্রতিনিধি: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ভবিষ্যতে যেকোনো লেক পারের রাস্তার ভাঙ্গন রোধসহ বৃষ্টির পানি যেন আর জমে না থাকে সেজন্য রাজউক ও ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান|
আজ বিকেলে গুলশান-২ এর ১০৪ নাম্বার রোডে মানারত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে লেকের পাড় ভাঙ্গন ও বৃষ্টির পানি জমে থাকা স্থান পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের এই প্রতিশ্রুতি দেন|
প্রশাসক জানান , আমরা যদি নগরবাসী সবাই সচেতন হই এবং ড্রেন ব্যবস্থা যদি আরো উন্নত করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বৃষ্টির পানি আর কোন রাস্তায় জমে থাকবে না |
প্রশাসক নগর নগরবাসীকে ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলাসহ ড্রেনগুলো পরিষ্কার রাখার কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান |
সাংবাদিকদের এক প্রশ্ন জবাবে প্রশাসক বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যে সকল খাল বেদখল হয়ে গেছে ,সেগুলো দখলমুক্ত করে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করতে হবে |
তিনি আরো জানান ,খালগুলো পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত নগরের জলাবদ্ধতা কখনোই কমবে না এবং জনদুর্ভোগ দূরীকরণ সম্ভব নয় | তাই নগরকে বাঁচাতে হলে এবং ভবিষ্যতে সুন্দর নগর গড়ার জন্য খালগুলো দখলমুক্ত করা প্রয়োজন |
প্রশাসক বেদখল খালগুলো দখলমুক্ত করার জন্য সাংবাদিক ও নগরবাসীকে সহযোগিতার করার আহ্বান জানান |
প্রশাসক জানান ,ইতিমধ্যে মুসলিম বাজার খালসহ কয়েকটি খাল ও ড্রেন ব্যবস্থা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করার কারণে ঢাকা শহরের অনেক মশা কমে গেছে |
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন রাস্তায় জমে থাকা পানির দ্রত অপসারণসহ ভবিষ্যতে যাতে পানি জমে না থাকে সেজন্য সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেন |
পরে প্রশাসক খিলখেত এর নামাপাড়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নামার স্থান পরিদর্শন করেন |
এ সময় তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নামার স্থান নামাপাড়া খাল সংস্কার করে পানি নামার উপযোগী করার নির্দেশনা দেন |
- পরিদর্শনকালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা , প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও প্রশাসকের একান্ত সহকারীসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।







