নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিনিয়র সাংবাদিক ও দৈনিক স্বদেশ পত্রিকা’র উপদেষ্টা সম্পাদক, বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের স্হায়ী কমিটির সদস্য কাজী জায়েদ মোহাম্মদ গোলাম ফারুকের কাছে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ, চাঁদা দাবী করেছেন ডিএমপি’র মুগদা থানার অফিসার ইনচার্জ আহসান উল্যাহ। গত ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখ একই থানার এস আই রায়হানের মাধ্যমে এই চাঁদা দাবী করা হয়।
সূত্র জানায়, গত ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ১২ ঘটিকার সময় হঠাৎ সাংবাদিক কাজী ফারুকের বাসার কলিং বেল বেজে উঠে। দরজা খুলতেই এস, আই রায়হান, আরো একজন পুলিশ, সঙ্গে ২ জন মানুষ দাড়িয়ে আছে। এস, আই রায়হান কে কাজী ফারুক জিজ্ঞাসা করেন, কেন এসেছেন? ওয়ারেন্ট অথবা বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করা যায়, এমন কিছু আছে? কোনো সদুত্তর দিতে পারে নাই। পরে বলেন, ওসি সাহেব পাঠিয়েছে ৩০ হাজার টাকা দিলে চলে যাবো। টাকা নাই , থানায় নিয়ে যান, বলতেই চলে যান।
জানা যায়, মুগদা থানা পুলিশ অনেক আগে থেকেই সাংবাদিক কাজী ফারুক কে হয়রানী করে আসছে। বিগত ২০২৫ সনের ১০ এপ্রিল কাজী ফারুক একটি জিডি করেন। মুগদা থানার জিডি নং ৪৮৮। গত ৬ জুন ২০২৫ তারিখ আদালত জিডি তদন্তের অনুমতি দেন। অদ্যাবধি সেই আদেশ মুগদা থানায় পৌছায়নি। গত ২৬ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে কাজী ফারুক তৎকালীন ওসি মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়বের কাছে জানতে তার জিডি’র সর্বশেষ কি অবস্থা? ওসি জানান, তদন্তের অনুমতি আসেনি। পরদিন রাত অনুমান ৮ ঘটিকায় ওসি এবং সেকেন্ড অফিসার এস আই আতিকুল ইসলাম পরিকল্পনা ও নির্দেশনা মোতাবেক, থানার দালাল ইকবালের মাধ্যমে বড় মসজিদ এলাকায় মব করে, পরে ৭০/৮০ জন লোক বেআইনী ভাবে জড়ো হয়ে কাজী ফারুক কে ওসি’র কাছে নিয়ে যান। থানায় তাদেরকে আপ্যায়ন করা হয়। এতে বুঝা যায় ঘটনা পরিকল্পিত। আইজিপি বরাবর অভিযোগ দিলে তদন্ত শেষে ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়।
গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মবের মামলাটি করা হয়। মুগদা থানার মামলা নং ১১(৪)২০২৬। মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তা দেয়া হয়, ওসি’র বিশ্বস্ত এসআই আব্দুল মোমেন কে। মোমেন ওসি’র পরামর্শে আসামীর পক্ষে কাজ শুরু করে। ২ জন মিলে মোটা অংকের ঘুষ নেন এবং বাদী কাজী ফারুকের বিরুদ্ধে নানাবিধ ষড়যন্ত্র শুরু করেন। ফের মব হামলার উদ্দেশ্যে দোসর লিখে এলাকার সব গলিতে পোস্টার লাগান, মিথ্যা মামলা দেয়ার পায়তারা করছেন। গত ৫ মার্চ ৩০ হাজার টাকা চাঁদার জন্য এসআই রায়হানকে রাত ১২ টায় কাজী ফারুকের বাসায়। ওসে আহসান উল্যার অপকর্মের তদন্ত হওয়া প্রয়োজন এবং তার বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্হা নেয়া দরকার।







