স্টাফ রিপোর্টারঃ রকিব ওরফে পিস্তল রকির অত্যাচারে চিওড়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ।দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ জনগণের উপর হামলা, জোরপূর্বক জমির মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া, পুকুরের মাছ লুট, প্রবাসীর কাছ থেকে চাঁদা নেয়া সহ বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর হামলার মতো অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এতোদিন এলাকার মানুষজন চুপচাপ থাকলেও এখন মুখ খুলতে শুরু করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারী ভোটের ফলাফল শেষে কবরুয়া গ্রামের বিএনপি সমর্থক অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার মজিবুর রহমান মজুকে ধানের শীষে ভোট দেয়ার কারণে বেধড়ক মারধর করেছে। একইদিন রাত ১০ টায় চিওড়া ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল আহাদ আদুর বাড়িতে হামলা করে এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
কবরুয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী আসিফকে পিস্তল ঠেকিয়ে
ভয় দেখিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সাস্তানগর গ্রামের সাহাব উদ্দিনকেও পিস্তল উঁচিয়ে হুমকি দিয়েছে রকি। তার অত্যাচারে আশপাশের মানুষজন ভয়ে আতংকগ্রস্ত।
মাটি কাটার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে কান্দিরপাড় গ্রামের জিএম শামীম ফয়সালের সঙ্গে মারামারি হয় বলে জানান শামীম ফয়সাল নিজেই।
কান্দিরপাড় গ্রামের কামাল উদ্দিন, জসিম উদ্দিন, ছোট সাতবাড়িয়া গ্রামের আবু বকর সহ একাদিক ব্যক্তি রকির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
এবিষয়ে রকির সঙ্গে যোগাযোগ করলে সে নিজেকে জামায়াতের ৩নং ওয়ার্ড যুব বিভাগ নেতা দাবি করে বলেন,তার বিরুদ্ধে বিএনপি প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে। রকি বলেন,আমি ফেইসবুক লাইভে এসে মজিবুর রহমান মজু দাদার কাছে ক্ষমা চেয়েছি।
এবিষয়ে ৩নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুল্লাহ’র কাছে অভিযোগের সত্যতা এবং রকি জামায়াতের যুব নেতা কিনা জানতে চাইলে জানান, রকিকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার কারণে সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।
এলাকার সচেতন নাগরিকরা মনে করেন,এমন সন্ত্রাসীরা যে-কারও জন্যই হুমকি। দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।
ফেইসবুক লাইভে এসে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা এবং বিএনপির চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহসভাপতি কাজি শাহীন রেজাকে নিয়েও বাজে মন্তব্য করেছে । তাদেরকে মারার হুমকি দিয়েছে বলে জানান বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী।
সাধারণ জনগণ প্রশাসনের নিকট দাবি জানিয়েছেন, অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করে এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করুন।







