, ,

বিল ডাকাতিয়ার দুঃখ বলে পরিচিত ভদ্রা নদীর খনন কাজ চলমান

নিউজটি শেয়ার করুন

খুলনা জেলা, ডুমুরিয়া উপজেলার বিল ডাকাতিয়া আগামীতে আশার আলো দেখতে চলেছে। বিল ডাকাতিয়ার দুঃখ বলে পরিচিত ভদ্রা নদী খনন কাজ শুরু হয়েছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে তলিয়ে থাকা বিল ডাকাতিয়ার পানি নিষ্কাশনের জন্য ডুমুরিয়ার পার্শ্ববর্তী গুটু দিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে চলা ভদ্রা নদীটি পুনরায় খনন কাজ চলছে। খনন কাজ পরিচালনা করতে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। নদীর চরে গড়ে ওঠা বসতি, মৎস্য ঘের, ব্যক্তি মালিকানা জমিতে গাছ গাছালির ক্ষতি করে খনন করা মাটি উঁচু করে রাখার কারণে মালিকপক্ষের সাথে নদী খনন কমিটির বাগ বিতান্ড সৃষ্টি হচ্ছে। তার কারণে মাঝে মাঝে কাজ বন্ধ হয়ে পড়ছে। বিশাল উঁচু মাটির স্তুপের কারণে ঘের মালিকপক্ষের মৎস্য চাষের বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। যার কারণে জমির মালিকপক্ষ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছে। অন্যদিকে নদী খনন কর্তৃপক্ষ বলছে প্রচুর পরিমাণে মাটি মালিকপক্ষের জমির উপরে না রাখলে রাখার কোন জায়গা নাই। তারা আরো বলছে নদী খনন করলে উপকৃত হবে বিল ডাকাতিয়ার জমির মালিক পাশাপাশি গুটুদিয়া ইউনিয়নের জনগণ। নদী খনন করে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা না করলে ডুমুরিয়া উপজেলার কয়েকটি অঞ্চল প্রতি বছর মৎস্য চাষ ও সবজি চাষ বিঘ্নিত হয় যার কারণে শত শত কোটি টাকা কৃষি খাতে লোকসান হয়। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় কাজের গতি অনেক দ্রুত। গুডুদিয়া ইউনিয়ন বাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও সকলে চাইছে নদীটা খনন করে এলাকার জলব্ধতা নিরসন হোক। মৎস্য ব্যবসায়ী আতাউর রহমান জানায় নদী খননের ফলে ব্যক্তিগত আমার ঘেরগুলো অনেক বেশি পরিমাণে ক্ষতি হয়েছে তারপরও আমি বলব নদী খনন খুবই জরুরী। শোলমারী নদী থেকে কাজ শুরু হয়ে ভদ্রা নদী হয়ে ডুমুরিয়া বাজারের উপর দিয়ে বিল ডাকাতিয়া যেয়ে শেষ হবে কাজ। কাজের গতি দ্রুত তারপরও বর্ষা মৌসুমের আগে শেষ করতে না পারলে বিপাকে পড়ে যাবে এলাকাবাসী। ইতিমধ্যে কাজ পরিদর্শন করে এসেছে এলাকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ আলী আজগর লবি।।