চলতি বছরে মেকানিক সুপারভাইজার থেকে, ট্রান্সপোর্ট অফিসার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেন আগারগাঁও অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্স (এনআইএনএস) হাসপাতালের কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম।
অভিযোগ রয়েছে, উপর মহলের ক্ষমতার দাপটে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন ট্রান্সপোর্ট অফিসার শরিফুল ইসলাম। এ নিয়ে অনেকে ক্ষুব্ধ হলেও ভয়ে মুখ খোলেন না কেউ।
অভিযোগ রয়েছে, শরিফুল ইসলাম নামমাত্র মেরামত দেখিয়ে তিনি হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। নিয়োগ-বাণিজ্য, আউটসোর্সিং নিয়োগ ও ডিউটি পরিবর্তন বাণিজ্য, অ্যাম্বুলেন্স বাণিজ্য আসবা পত্র মেরামত বাণিজ্য পানির ফিল্টার মেরামত বাণিজ্য সিসিটিভি ও ফায়ার এলার্ম বাণিজ্য, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, ময়লা ব্যবস্থাপনা ঘিরে অনিয়মসহ নানা ধরনের দুর্নীতি ও তদবির-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের দায়িত্বশীল পদে থেকেও তিনি নিয়মিত অফিস না করে বিভিন্ন মহলে সচিবালয়ে তদবির বানিজ্য ও ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকেন।
নিউরোসায়েন্স আরেক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, তিনি অফিসে আসেন কিন্তু বেশিরভাগ সময় তিনি বাহিরের কাজ নিয়ে ব্যাস্ত থাকেন, সচিবালয়ে বেশি যাওয়া আসা করেন বলেও জানান তিনি।
হাসপাতালসংশ্লিষ্ট একাধিক সুত্রে জানা যায়, শরিফুল ইসলামের প্রভাব ও দাপটের কারণে তার বিরুদ্ধে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পায় না।বিভিন্ন নিয়োগ ও ক্রয়-সংক্রান্ত কাজে তার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে। হাসপাতালের পরিবহন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে সুবিধা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগের সময় সাবেক মন্ত্রীর সাথে সক্ষমতা গড়ে আধিপত্য ও বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরি করেন শরিফুল ইসলাম,
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে একজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে এতগুলো গুরুতর অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখার কেউ নেই। এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান অনেকেই।
বর্তমানে তার নিজস্ব ২ টি এম্বুলেন্স রয়েছে যেটি বেসরকারি কোম্পানির নামে রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে কথা হয় এম্বুলেন্স চালক পলাশের সাথে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শরিফুল ইসলামের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি, সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ৩১৮ নাম্বার কক্ষ থেকে পালিয়ে যায় কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম, এবং একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।







