, ,

দিনাজপুরের অমরপুর ইউনিয়নে ধানের শীষের নির্ভরযোগ্য মুখ আনিছুর রহমান আনিছ

নিউজটি শেয়ার করুন

 আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দিনাজপুর জেলার চিরির বন্দর উপজেলার ৬নং অমরপুর ইউনিয়ন জুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই ইউনিয়নে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী দৌড়ঝাঁপ করলেও সাধারণ জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন আনিছুর রহমান আনিছ।

স্থানীয় সূত্র এবং দলীয় কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আনিছুর রহমান আনিছ বিগত ২১ বছর ধরে সততা ও নিষ্ঠার সাথে ৬ নম্বর অমরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত ১৭ বছর হামলা-মামলা ও জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি রাজপথ থেকে পিছিয়ে যাননি।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। নেতাকর্মীদের দাবি, প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও দলের অস্তিত্ব ও ভারসাম্য রক্ষায় তিনি সেসময় সাহসী ভূমিকা রাখেন এবং ব্যাপক ভোট পান।

প্রার্থীতা ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ৬ নম্বর অমরপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সালেহীন সুলতান লিটন বলেন, “যারা বিগত ১৭ বছর ধরে নানা উপায়ে সুবিধা গ্রহণ করেছেন এবং ব্যবসা-বাণিজ্য গুছিয়েছেন, ৫ই আগস্টের পর তারা অনেকেই হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। অথচ দলের আন্দোলন-সংগ্রামে দীর্ঘদিন আনিছুর রহমান আনিছসহ হাতেগোনা কয়েকজনই সামনের কাতারে ছিলেন। ত্যাগী, স্বচ্ছ ও জনপ্রিয় ব্যক্তিদের মূল্যায়নের যে নীতি কথা বলা হচ্ছে, সেই বিচারে এই ইউনিয়নে আনিছ ভাইয়ের কোনো বিকল্প নেই।”

একই বিষয়ে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সরকার আপেল জানান, “তৃণমূল থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণের মাঝে আনিছ ভাইয়ের ওপর গভীর আস্থা রয়েছে। রাজপথের দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সামাজিক অবদানের বিচারে দল তাকেই চূড়ান্ত প্রার্থিতায় মূল্যায়ন করবে এমনটাই স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা।”

অমরপুর ইউনিয়নে বিএনপি বলয়ের আলোচনায় আনিছুর রহমান আনিছ এবং শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আবেদ আলী মাস্টার এ দুজনের নাম উঠে আসলেও, তৃণমূলের অধিকাংশ নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের বড় অংশ আনিছুর রহমান আনিছকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান।

নোয়াখালীতে খাসজমি দখল ও ভূমিহীনদের উচ্ছেদের অভিযোগ চর দরবেশ মৌজাসহ বিভিন্ন এলাকায় মাটি কাটা ও জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে আবাসিক ভবন নির্মাণের অভিযোগ, তদন্ত দাবি নোয়াখালী প্রতিনিধি নোয়াখালীর ৯১ নম্বর চর দরবেশ মৌজাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ খাসজমি দখল, মাটি কেটে জমির শ্রেণি পরিবর্তন, আবাসিক ভবন নির্মাণ এবং ভূমিহীনদের উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে একটি ভূমি দখলকারী চক্র জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক রহিম খান। তিনি নোয়াখালী জার্নালিস্ট ফোরামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অভিযোগের বিষয়ে অবিলম্বে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি খাসজমি উদ্ধারের পাশাপাশি প্রকৃত ভূমিহীনদের ভূমির অধিকার ও বসবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি খাসজমি দখল, মাটি কেটে জমির প্রকৃতি ও শ্রেণি পরিবর্তন এবং সেখানে আবাসিক ভবন নির্মাণের মতো কর্মকাণ্ডের ফলে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও ভূমিহীনদের স্বার্থ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা, শ্রেণি, দখল ও ব্যবহারের বর্তমান অবস্থা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ভূমিহীন মানুষের জন্য সরকারি খাসজমি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এ ধরনের জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণ এবং অসহায় মানুষের অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি কার্যালয়ের মাধ্যমে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মৌজার ভূমি রেকর্ড, খতিয়ান, দাগ নম্বর, জমির শ্রেণি, দখলসংক্রান্ত নথি এবং ভবন নির্মাণের অনুমোদন যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে নূর হোসেনের নাম উল্লেখ করা হলেও, তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই এবং তাঁর বক্তব্য নেওয়া জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দাবি, অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে সরকারি জমি দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।